ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ আর মাত্র দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে হোয়াইট হাউস থেকে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে তিনি এই দাবি করেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, গত চার সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র
ও ইসরাইলের যৌথ অভিযানে ইরানের ওপর ‘দ্রুত ও নির্ণায়ক’ আঘাত হানা হয়েছে। তার ভাষ্যমতে:
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "যদি কোনো চুক্তি না হয়,
তবে আমরা ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে একযোগে আঘাত হানব। তাদের প্রস্তর
যুগে ফিরিয়ে দেওয়া হতে পারে।"
বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ নিয়ে ট্রাম্প
বলেন, এই পথের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নির্ভরতা নেই। তিনি উল্লেখ করেন:
"যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রায় কোনো তেল আমদানি
করে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না। আমাদের এর প্রয়োজন নেই, অন্য দেশগুলোর আছে।"
তিনি আরও বলেন, যেসব দেশ এই তেলের ওপর নির্ভরশীল, তাদেরই
এই পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তবে যুদ্ধ শেষ হলে তেলের দাম দ্রুত কমে আসবে বলে
তিনি আশ্বস্ত করেন।
ট্রাম্প জ্বালানি সংকটে যুক্তরাষ্ট্র প্রভাবিত নয় বলে দাবি
করলেও দেশটির সাধারণ মানুষ চাপে রয়েছেন। ২০২২ সালের পর এই প্রথম দেশটিতে তেলের দাম
প্রতি গ্যালন ৪ ডলার ছাড়িয়েছে। বিশ্লেষকরাও ট্রাম্পের দাবির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন।
তাদের মতে, যুদ্ধ দ্রুত শেষ হলেও জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষতির কারণে বিশ্ববাজারে তেলের
চড়া দাম আরও কিছুদিন বজায় থাকতে পারে।
পরিশেষে ট্রাম্প জানান, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ
করার আলোচনা চলছে এবং বর্তমান ইরানি নেতৃত্বকে তিনি ‘অপেক্ষাকৃত যুক্তিবাদী’ বলে অভিহিত
করেন।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ আর মাত্র দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে হোয়াইট হাউস থেকে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে তিনি এই দাবি করেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, গত চার সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র
ও ইসরাইলের যৌথ অভিযানে ইরানের ওপর ‘দ্রুত ও নির্ণায়ক’ আঘাত হানা হয়েছে। তার ভাষ্যমতে:
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "যদি কোনো চুক্তি না হয়,
তবে আমরা ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে একযোগে আঘাত হানব। তাদের প্রস্তর
যুগে ফিরিয়ে দেওয়া হতে পারে।"
বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ নিয়ে ট্রাম্প
বলেন, এই পথের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নির্ভরতা নেই। তিনি উল্লেখ করেন:
"যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রায় কোনো তেল আমদানি
করে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না। আমাদের এর প্রয়োজন নেই, অন্য দেশগুলোর আছে।"
তিনি আরও বলেন, যেসব দেশ এই তেলের ওপর নির্ভরশীল, তাদেরই
এই পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তবে যুদ্ধ শেষ হলে তেলের দাম দ্রুত কমে আসবে বলে
তিনি আশ্বস্ত করেন।
ট্রাম্প জ্বালানি সংকটে যুক্তরাষ্ট্র প্রভাবিত নয় বলে দাবি
করলেও দেশটির সাধারণ মানুষ চাপে রয়েছেন। ২০২২ সালের পর এই প্রথম দেশটিতে তেলের দাম
প্রতি গ্যালন ৪ ডলার ছাড়িয়েছে। বিশ্লেষকরাও ট্রাম্পের দাবির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন।
তাদের মতে, যুদ্ধ দ্রুত শেষ হলেও জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষতির কারণে বিশ্ববাজারে তেলের
চড়া দাম আরও কিছুদিন বজায় থাকতে পারে।
পরিশেষে ট্রাম্প জানান, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ
করার আলোচনা চলছে এবং বর্তমান ইরানি নেতৃত্বকে তিনি ‘অপেক্ষাকৃত যুক্তিবাদী’ বলে অভিহিত
করেন।

আপনার মতামত লিখুন