মিয়ানমারে দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সামরিক অভ্যুত্থান ও অস্থিরতার পর আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতায় বসলেন জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন এই সামরিক নেতা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে
হটিয়ে ক্ষমতা দখলের পর থেকে মূলত পর্দার আড়াল থেকেই দেশ শাসন করছিলেন মিন অং হ্লাইং।
দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আজ তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন।
মিন অং হ্লাইং এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিলেন, যখন মিয়ানমারের
সামরিক বাহিনী চরম অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। জান্তাবিরোধী সশস্ত্র যোদ্ধাদের (পিডিএফ)
তীব্র প্রতিরোধের মুখে দেশটির উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বিশাল এলাকা এখন সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণের
বাইরে। বিদ্রোহীদের কাছে একের পর এক পরাজয়ের গ্লানি ঢাকতেই এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের
চাল চেলেছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্রোহীদের হাতে হারানো
অঞ্চল পুনরুদ্ধার এবং জান্তা শাসনের বৈধতা দেওয়ার লক্ষ্যেই মিন অং হ্লাইং নিজেকে প্রেসিডেন্ট
হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তবে গৃহযুদ্ধকবলিত মিয়ানমারে এই শপথ গ্রহণ পরিস্থিতিকে কতটা শান্ত
করবে, তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন রয়ে গেছে।

শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
মিয়ানমারে দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সামরিক অভ্যুত্থান ও অস্থিরতার পর আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতায় বসলেন জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন এই সামরিক নেতা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে
হটিয়ে ক্ষমতা দখলের পর থেকে মূলত পর্দার আড়াল থেকেই দেশ শাসন করছিলেন মিন অং হ্লাইং।
দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আজ তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন।
মিন অং হ্লাইং এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিলেন, যখন মিয়ানমারের
সামরিক বাহিনী চরম অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। জান্তাবিরোধী সশস্ত্র যোদ্ধাদের (পিডিএফ)
তীব্র প্রতিরোধের মুখে দেশটির উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বিশাল এলাকা এখন সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণের
বাইরে। বিদ্রোহীদের কাছে একের পর এক পরাজয়ের গ্লানি ঢাকতেই এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের
চাল চেলেছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্রোহীদের হাতে হারানো
অঞ্চল পুনরুদ্ধার এবং জান্তা শাসনের বৈধতা দেওয়ার লক্ষ্যেই মিন অং হ্লাইং নিজেকে প্রেসিডেন্ট
হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তবে গৃহযুদ্ধকবলিত মিয়ানমারে এই শপথ গ্রহণ পরিস্থিতিকে কতটা শান্ত
করবে, তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন রয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন