ইরানের ওপর চলমান সামরিক অভিযান নিয়ে নতুন করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ইরানে মার্কিন বাহিনীর ধ্বংস অভিযান এখনও শেষ হয়নি এবং দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এখনও তাদের লক্ষ্যবস্তুতে রয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বৃহস্পতিবার রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ
এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “ইরানে যা অবশিষ্ট আছে, মার্কিন সেনারা এখনও সেগুলো ধ্বংস
করা শুরুই করেনি। এখনও অনেক সেতু এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্র আমাদের তালিকায় রয়েছে।”
এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই তিনি দাবি করেছিলেন যে, ইরানের
সবচেয়ে উঁচু সেতুটি মার্কিন হামলায় ধ্বংস করা হয়েছে।
গত এক মাস ধরে চলা যুদ্ধে ইরানের অধিকাংশ বড় সামরিক স্থাপনা
ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করে আসছেন ট্রাম্প। এখন তার নিশানায় রয়েছে দেশটির
বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে
ইরানকে অর্থনৈতিক ও কৌশলগতভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
পোস্টের শেষে ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, “ইরানের নতুন নেতৃত্ব
জানে তাদের কী করতে হবে, এবং তা দ্রুত করতে হবে!”
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই বার্তার মাধ্যমে ট্রাম্প মূলত তেহরানকে
ওয়াশিংটনের শর্ত মেনে দ্রুত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে আসার জন্য চাপ দিচ্ছেন। অন্যথায় দেশজুড়ে
আরও ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পরোক্ষ হুমকি দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের ওপর চলমান সামরিক অভিযান নিয়ে নতুন করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ইরানে মার্কিন বাহিনীর ধ্বংস অভিযান এখনও শেষ হয়নি এবং দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এখনও তাদের লক্ষ্যবস্তুতে রয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বৃহস্পতিবার রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ
এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “ইরানে যা অবশিষ্ট আছে, মার্কিন সেনারা এখনও সেগুলো ধ্বংস
করা শুরুই করেনি। এখনও অনেক সেতু এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্র আমাদের তালিকায় রয়েছে।”
এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই তিনি দাবি করেছিলেন যে, ইরানের
সবচেয়ে উঁচু সেতুটি মার্কিন হামলায় ধ্বংস করা হয়েছে।
গত এক মাস ধরে চলা যুদ্ধে ইরানের অধিকাংশ বড় সামরিক স্থাপনা
ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করে আসছেন ট্রাম্প। এখন তার নিশানায় রয়েছে দেশটির
বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলো। বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে
ইরানকে অর্থনৈতিক ও কৌশলগতভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
পোস্টের শেষে ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, “ইরানের নতুন নেতৃত্ব
জানে তাদের কী করতে হবে, এবং তা দ্রুত করতে হবে!”
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই বার্তার মাধ্যমে ট্রাম্প মূলত তেহরানকে
ওয়াশিংটনের শর্ত মেনে দ্রুত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে আসার জন্য চাপ দিচ্ছেন। অন্যথায় দেশজুড়ে
আরও ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পরোক্ষ হুমকি দিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন