হামলা জোরদার করেছে রাশিয়া। গতকাল শুক্রবার দিনভর চালানো এই ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবারের অভিযানে রাশিয়া ৫০০-এর বেশি ড্রোন এবং কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। হামলায় রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন অঞ্চলের আবাসিক ভবন, স্কুল এবং কিন্ডারগার্টেন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জরুরি পরিষেবার প্রকাশিত ছবিতে বহুতল ভবনের ধ্বংসাবশেষ ও রাস্তায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ধ্বংসস্তূপ দেখা গেছে।
আঞ্চলিক গভর্নর মিকোলা কালাশনিক জানান, কিয়েভে একটি পশু চিকিৎসালয় (ভেটেরিনারি ক্লিনিক) ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ২০টি নিরীহ প্রাণী মারা গেছে।
হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, "ইস্টারের আগে আকাশে নীরবতা থাকা উচিত ছিল, কিন্তু রাশিয়া হামলা বাড়িয়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করছে।"
উল্লেখ্য, যুদ্ধের ভয়াবহতা সত্ত্বেও কিয়েভের অনেক বাসিন্দাকে নির্ভীকভাবে ক্যাফেতে বসে থাকতে দেখা গেছে, যদিও সাইরেন বাজার সাথে সাথে অনেকেই মেট্রো স্টেশন বা বেসমেন্টে আশ্রয় নিয়েছেন। ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সিভিরিদেঙ্কো এই হামলাকে বেসামরিক স্থাপনার ওপর পরিকল্পিত আঘাত হিসেবে অভিহিত করেছেন।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
হামলা জোরদার করেছে রাশিয়া। গতকাল শুক্রবার দিনভর চালানো এই ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবারের অভিযানে রাশিয়া ৫০০-এর বেশি ড্রোন এবং কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। হামলায় রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন অঞ্চলের আবাসিক ভবন, স্কুল এবং কিন্ডারগার্টেন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জরুরি পরিষেবার প্রকাশিত ছবিতে বহুতল ভবনের ধ্বংসাবশেষ ও রাস্তায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ধ্বংসস্তূপ দেখা গেছে।
আঞ্চলিক গভর্নর মিকোলা কালাশনিক জানান, কিয়েভে একটি পশু চিকিৎসালয় (ভেটেরিনারি ক্লিনিক) ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ২০টি নিরীহ প্রাণী মারা গেছে।
হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, "ইস্টারের আগে আকাশে নীরবতা থাকা উচিত ছিল, কিন্তু রাশিয়া হামলা বাড়িয়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করছে।"
উল্লেখ্য, যুদ্ধের ভয়াবহতা সত্ত্বেও কিয়েভের অনেক বাসিন্দাকে নির্ভীকভাবে ক্যাফেতে বসে থাকতে দেখা গেছে, যদিও সাইরেন বাজার সাথে সাথে অনেকেই মেট্রো স্টেশন বা বেসমেন্টে আশ্রয় নিয়েছেন। ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সিভিরিদেঙ্কো এই হামলাকে বেসামরিক স্থাপনার ওপর পরিকল্পিত আঘাত হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন