সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

গণসংহতি আন্দোলন

পদ ছাড়লেন সাকি, ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী নিলু


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪২ পিএম

পদ ছাড়লেন সাকি, ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী নিলু
গণসংহতি আন্দোলনের পদ ছাড়লেন সাকি, ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী নিলু

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ ছেড়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য জোনায়েদ সাকি। দলের রাজনৈতিক পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পেয়েছেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের শরিক হিসেবে দলীয় প্রতীক মাথাল নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি; যিনি রাজনৈতিক অঙ্গণে জোনায়েদ সাকি নামে পরিচিত। 

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারে সাকিকে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে তাকে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে শুধু পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।

শনিবার (৪ এপ্রিল) ঢাকার হাতিরপুলে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি নিজেই দলের শীর্ষ পদ থেকে সরে যাওয়ার কথা জানান। 

এই সিদ্ধান্তের পেছনের মূল কারণের ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, “একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল ও সরকারকে সব সময় আলাদা রাখা জরুরি। ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতেই আমি দলীয় প্রধানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বটি স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিয়েছি।”

সাকি জানান, তিনি গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নির্বাহী সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) আবুল হাসান রুবেল বলেন, “মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর আদর্শকে অনুসরণ করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও সংগঠনের পৃথকীকরণের নীতি অনুসরণ করে আমরা এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।”

দেওয়ান আব্দুর রশিদের জন্ম ১৯৫৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর। কৃষক নেতা হিসেবে পরিচিত এই রাজনীতিক ২০১৬ সালের নভেম্বরে তৃতীয় জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনের গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। 

ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু, নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল।

প্রায় দুই যুগ আগে (২৯ আগস্ট, ২০০২) ‘জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার আহ্বান’ নিয়ে যাত্রা শুরু করে গণসংহতি আন্দোলন। দীর্ঘ আইনি ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন (ইসি) পায় দলটি।

প্রতিষ্ঠার পর সংগঠনটি দীর্ঘ সময় সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় থাকার পর ২০১৬ সালের নভেম্বরে তৃতীয় জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ওই সম্মেলনে জোনায়েদ সাকিকে প্রধান সমন্বয়কারী ও আব্দুস সালামকে নির্বাহী সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

গত বছর ৩ নভেম্বর ঢাকার সাভারে অনুষ্ঠিত গণসংহতি আন্দোলনের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি পুনরায় প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত হন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬


পদ ছাড়লেন সাকি, ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী নিলু

প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ ছেড়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য জোনায়েদ সাকি। দলের রাজনৈতিক পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পেয়েছেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের শরিক হিসেবে দলীয় প্রতীক মাথাল নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি; যিনি রাজনৈতিক অঙ্গণে জোনায়েদ সাকি নামে পরিচিত। 

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারে সাকিকে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে তাকে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে শুধু পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।

শনিবার (৪ এপ্রিল) ঢাকার হাতিরপুলে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি নিজেই দলের শীর্ষ পদ থেকে সরে যাওয়ার কথা জানান। 

এই সিদ্ধান্তের পেছনের মূল কারণের ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, “একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল ও সরকারকে সব সময় আলাদা রাখা জরুরি। ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতেই আমি দলীয় প্রধানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বটি স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিয়েছি।”

সাকি জানান, তিনি গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নির্বাহী সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) আবুল হাসান রুবেল বলেন, “মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর আদর্শকে অনুসরণ করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও সংগঠনের পৃথকীকরণের নীতি অনুসরণ করে আমরা এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।”

দেওয়ান আব্দুর রশিদের জন্ম ১৯৫৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর। কৃষক নেতা হিসেবে পরিচিত এই রাজনীতিক ২০১৬ সালের নভেম্বরে তৃতীয় জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনের গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। 

ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু, নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল।

প্রায় দুই যুগ আগে (২৯ আগস্ট, ২০০২) ‘জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার আহ্বান’ নিয়ে যাত্রা শুরু করে গণসংহতি আন্দোলন। দীর্ঘ আইনি ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন (ইসি) পায় দলটি।

প্রতিষ্ঠার পর সংগঠনটি দীর্ঘ সময় সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় থাকার পর ২০১৬ সালের নভেম্বরে তৃতীয় জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ওই সম্মেলনে জোনায়েদ সাকিকে প্রধান সমন্বয়কারী ও আব্দুস সালামকে নির্বাহী সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

গত বছর ৩ নভেম্বর ঢাকার সাভারে অনুষ্ঠিত গণসংহতি আন্দোলনের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি পুনরায় প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত হন।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত