রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতা ও অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ঘাটতির অভিযোগ উঠেছে। আগামী ৬ এপ্রিল (সোমবার) ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গড়িমসি: সংকটের পথে দেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভাকে কেন্দ্র করে এ অভিযোগ সামনে আসে।
অভিযোগ রয়েছে, রাকসুর ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচি সম্পর্কে সংসদের সব সদস্যকে যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি। এমনকি রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মারও আলোচনাটি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। অন্যদিকে রাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক নার্গিস খাতুনও এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেছেন।
বিষয়টি সম্পর্কে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, আলোচনা সভা সম্পর্কে রাতে ফেসবুকে পোস্ট দেখার পর জানতে পেরেছি। স্বাভাবিকভাবে যেটা হয়ে থাকে রাকসুর বর্তমান বডির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমার সাথে আলোচনা করার উচিত। কারণ এখানে বক্তা নিয়ে আমার কথা থাকতেই পারে। রাকসুর কনসার্ন নেওয়া হয়নি। হয়তো সাংগঠনিক কনসার্ন ছিল। এখন জিএস হিসেবে আমার কাজ সম্পাদকদের আয়োজনের টাকা দেওয়া।'
তিনি আরও বলেন, 'যে কোনো বিষয়ে অধিকাংশের মতামত গৃহীত হয়। কিন্তু এখানে আমরা ৩ জনের তো আর মতামত গৃহীত হবে না। বিষয়টা সরকারি দলের কাছে যেমন বিরোধী দলের এখানেও তেমনটাই।'
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক নার্গিস খাতুন বলেন, “আগামীকালের যে প্রোগ্রাম রাকসু থেকে আয়োজন করা হচ্ছে, সেটা রাকসুর একজন সম্পাদক হিসেবে, কিংবা রাকসু বডির পার্ট হিসেবে আমি অবগত নই। রাকসুর আয়োজনে প্রোগ্রাম অথচ রাকসুর একজন সম্পাদক হিসেবে অবগত না করার বিষয়টি সরাসরি রাকসুর একাংশ হয়ে কাজ না করার স্পষ্টতা দেখছি।”
তবে নার্গিস খাতুনের এমন মন্তব্যের জবাবে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন রাকসুর বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক ইমরান লস্কর। তিনি বলেন, “নির্দিষ্ট দপ্তরের প্রোগ্রাম নির্দিষ্ট দপ্তরই ঠিক করবে। মাসিক পরিকল্পনা থেকে বার্ষিক পরিকল্পনা, সবকিছুই নির্দিষ্ট দপ্তরের স্ব স্ব সম্পাদক ঠিক করে থাকে। জিএস বিষয়গুলো তদারকি করবেন।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতা ও অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ঘাটতির অভিযোগ উঠেছে। আগামী ৬ এপ্রিল (সোমবার) ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গড়িমসি: সংকটের পথে দেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভাকে কেন্দ্র করে এ অভিযোগ সামনে আসে।
অভিযোগ রয়েছে, রাকসুর ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচি সম্পর্কে সংসদের সব সদস্যকে যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি। এমনকি রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মারও আলোচনাটি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। অন্যদিকে রাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক নার্গিস খাতুনও এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেছেন।
বিষয়টি সম্পর্কে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, আলোচনা সভা সম্পর্কে রাতে ফেসবুকে পোস্ট দেখার পর জানতে পেরেছি। স্বাভাবিকভাবে যেটা হয়ে থাকে রাকসুর বর্তমান বডির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমার সাথে আলোচনা করার উচিত। কারণ এখানে বক্তা নিয়ে আমার কথা থাকতেই পারে। রাকসুর কনসার্ন নেওয়া হয়নি। হয়তো সাংগঠনিক কনসার্ন ছিল। এখন জিএস হিসেবে আমার কাজ সম্পাদকদের আয়োজনের টাকা দেওয়া।'
তিনি আরও বলেন, 'যে কোনো বিষয়ে অধিকাংশের মতামত গৃহীত হয়। কিন্তু এখানে আমরা ৩ জনের তো আর মতামত গৃহীত হবে না। বিষয়টা সরকারি দলের কাছে যেমন বিরোধী দলের এখানেও তেমনটাই।'
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক নার্গিস খাতুন বলেন, “আগামীকালের যে প্রোগ্রাম রাকসু থেকে আয়োজন করা হচ্ছে, সেটা রাকসুর একজন সম্পাদক হিসেবে, কিংবা রাকসু বডির পার্ট হিসেবে আমি অবগত নই। রাকসুর আয়োজনে প্রোগ্রাম অথচ রাকসুর একজন সম্পাদক হিসেবে অবগত না করার বিষয়টি সরাসরি রাকসুর একাংশ হয়ে কাজ না করার স্পষ্টতা দেখছি।”
তবে নার্গিস খাতুনের এমন মন্তব্যের জবাবে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন রাকসুর বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক ইমরান লস্কর। তিনি বলেন, “নির্দিষ্ট দপ্তরের প্রোগ্রাম নির্দিষ্ট দপ্তরই ঠিক করবে। মাসিক পরিকল্পনা থেকে বার্ষিক পরিকল্পনা, সবকিছুই নির্দিষ্ট দপ্তরের স্ব স্ব সম্পাদক ঠিক করে থাকে। জিএস বিষয়গুলো তদারকি করবেন।

আপনার মতামত লিখুন