পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন থেকে এটি ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে পরিচিত হবে। ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ বা ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ নামে পরিচিত এই আয়োজনের নামকরণে দীর্ঘদিনের বিতর্ক ও বিভ্রান্তির অবসান ঘটাতে রোববার (৫ এপ্রিল) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
সচিবালয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জাতীয়ভাবে বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নববর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের এ তথ্য জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
মন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নামকরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জনমনে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তি ও বিতর্ক লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। এই উৎসবটি যেন সকল প্রকার বিভাজনের ঊর্ধ্বে থেকে দেশের সব মানুষের একটি সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়, সেই লক্ষ্যেই সরকার এই নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
তিনি জানান, এই সহজ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নামকরণের মাধ্যমে সমাজে বিদ্যমান বিতর্কের অবসান ঘটবে এবং সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে।
নাম পরিবর্তন হলেও শোভাযাত্রার মূল কাঠামো ও ঐতিহ্যে কোনো পরিবর্তন আসবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে প্রতি বছরের মতো এবারও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হবে। তার চিরাচরিত মোটিফ, লোকজ সাজসজ্জা ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ণ থাকবে।
রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য নিয়মিত আয়োজনও আগের মতোই যথাযোগ্য মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হবে।
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের মূল শক্তি হলো এর বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য। কোনো সুনির্দিষ্ট শব্দ বা নাম যেন উৎসবের আমেজকে নষ্ট না করে। সমাজের কোনো অংশ যেন নিজেকে এই উৎসব থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না করে, সেই দায়বদ্ধতা থেকেই এই সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’
মন্ত্রী দেশের সব ধর্ম ও পেশার মানুষকে কোনো প্রকার দ্বিধা বা বিতর্কে কান না দিয়ে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’য় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে নতুন বছর বরণ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সভায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, সচিব কানিজ মওলা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন থেকে এটি ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে পরিচিত হবে। ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ বা ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ নামে পরিচিত এই আয়োজনের নামকরণে দীর্ঘদিনের বিতর্ক ও বিভ্রান্তির অবসান ঘটাতে রোববার (৫ এপ্রিল) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
সচিবালয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জাতীয়ভাবে বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নববর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের এ তথ্য জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
মন্ত্রী বলেন, ‘পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নামকরণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জনমনে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তি ও বিতর্ক লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। এই উৎসবটি যেন সকল প্রকার বিভাজনের ঊর্ধ্বে থেকে দেশের সব মানুষের একটি সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়, সেই লক্ষ্যেই সরকার এই নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
তিনি জানান, এই সহজ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নামকরণের মাধ্যমে সমাজে বিদ্যমান বিতর্কের অবসান ঘটবে এবং সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে।
নাম পরিবর্তন হলেও শোভাযাত্রার মূল কাঠামো ও ঐতিহ্যে কোনো পরিবর্তন আসবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে প্রতি বছরের মতো এবারও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হবে। তার চিরাচরিত মোটিফ, লোকজ সাজসজ্জা ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ণ থাকবে।
রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য নিয়মিত আয়োজনও আগের মতোই যথাযোগ্য মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হবে।
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের মূল শক্তি হলো এর বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য। কোনো সুনির্দিষ্ট শব্দ বা নাম যেন উৎসবের আমেজকে নষ্ট না করে। সমাজের কোনো অংশ যেন নিজেকে এই উৎসব থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না করে, সেই দায়বদ্ধতা থেকেই এই সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’
মন্ত্রী দেশের সব ধর্ম ও পেশার মানুষকে কোনো প্রকার দ্বিধা বা বিতর্কে কান না দিয়ে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’য় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে নতুন বছর বরণ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সভায় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, সচিব কানিজ মওলা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন