সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

শ্রমিক নেতাদের সাথে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রীর বৈঠক

বন্ধ পাটকল সচল ও নতুন কর্মসংস্থানের অঙ্গীকার


প্রকাশ: ৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৪ পিএম

বন্ধ পাটকল সচল ও নতুন কর্মসংস্থানের অঙ্গীকার

দেশের ঝিমিয়ে পড়া পাট শিল্পে প্রাণসঞ্চার এবং শ্রমিকদের মুখে হাসি ফোটাতে এক নতুন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে বর্তমান সরকার।

রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম তার কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পাট শ্রমিক দলের প্রতিনিধিদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনায় সরকার বন্ধ হয়ে যাওয়া পাটকলগুলো পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং জাতীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও তথ্য দেন, ইতোমধ্যে ২০টি মিল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় লিজ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যার মধ্যে ১৪টি মিলের লিজ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
​বৈঠকে পাট খাতের সংকট নিরসনে শ্রমিক নেতাদের প্রস্তাবনাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে শোনা হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পাট শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাঈদ আল নোমানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি বন্ধ পাটকলগুলোকে রাষ্ট্রীয়ভাবে 'পাইলটিং' পদ্ধতিতে চালু করার জোরালো দাবি জানান।
সাঈদ আল নোমান তার বক্তব্যে অভিমত ব্যক্ত করেন, পাট খাতে উন্নত বিশ্বের আধুনিক কারিগরি সহায়তা নিশ্চিত করে যদি বেসরকারি মডেলের আদলে মিলগুলো পরিচালনা করা যায়, তবে এই লোকসানি খাতটিকে পুনরায় লাভজনক করা সম্ভব হবে। প্রতিমন্ত্রী এ সময় শ্রমিকদের বাস্তবায়নযোগ্য দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণের আশ্বাস প্রদান করেন।
​সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের খাজা কমিটির পক্ষ থেকে আট দফা দাবি প্রতিমন্ত্রীর কাছে পেশ করেন। এই দাবিতে উল্লেখযোগ্য বিষয় হিসেবে উঠে আসে পাটকলগুলো রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় পরিচালনা করা এবং পলিথিনের কাঁচামাল আমদানি ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি। শ্রমিক নেতারা পাটকে ‘কৃষি শিল্প’ হিসেবে ঘোষণা করে এর যাবতীয় শিল্প সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানান। সেই সাথে পাটকল শ্রমিকদের আইনগত পাওনাদি দ্রুত পরিশোধ এবং মিলগুলোর মূল্যবান যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করতে জরুরি সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬


বন্ধ পাটকল সচল ও নতুন কর্মসংস্থানের অঙ্গীকার

প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দেশের ঝিমিয়ে পড়া পাট শিল্পে প্রাণসঞ্চার এবং শ্রমিকদের মুখে হাসি ফোটাতে এক নতুন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে বর্তমান সরকার।

রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম তার কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পাট শ্রমিক দলের প্রতিনিধিদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনায় সরকার বন্ধ হয়ে যাওয়া পাটকলগুলো পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং জাতীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও তথ্য দেন, ইতোমধ্যে ২০টি মিল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় লিজ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যার মধ্যে ১৪টি মিলের লিজ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
​বৈঠকে পাট খাতের সংকট নিরসনে শ্রমিক নেতাদের প্রস্তাবনাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে শোনা হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পাট শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাঈদ আল নোমানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি বন্ধ পাটকলগুলোকে রাষ্ট্রীয়ভাবে 'পাইলটিং' পদ্ধতিতে চালু করার জোরালো দাবি জানান।
সাঈদ আল নোমান তার বক্তব্যে অভিমত ব্যক্ত করেন, পাট খাতে উন্নত বিশ্বের আধুনিক কারিগরি সহায়তা নিশ্চিত করে যদি বেসরকারি মডেলের আদলে মিলগুলো পরিচালনা করা যায়, তবে এই লোকসানি খাতটিকে পুনরায় লাভজনক করা সম্ভব হবে। প্রতিমন্ত্রী এ সময় শ্রমিকদের বাস্তবায়নযোগ্য দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণের আশ্বাস প্রদান করেন।
​সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের খাজা কমিটির পক্ষ থেকে আট দফা দাবি প্রতিমন্ত্রীর কাছে পেশ করেন। এই দাবিতে উল্লেখযোগ্য বিষয় হিসেবে উঠে আসে পাটকলগুলো রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় পরিচালনা করা এবং পলিথিনের কাঁচামাল আমদানি ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার বিষয়টি। শ্রমিক নেতারা পাটকে ‘কৃষি শিল্প’ হিসেবে ঘোষণা করে এর যাবতীয় শিল্প সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানান। সেই সাথে পাটকল শ্রমিকদের আইনগত পাওনাদি দ্রুত পরিশোধ এবং মিলগুলোর মূল্যবান যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করতে জরুরি সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত