বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে গঠিত রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল বা ইডিএফ এর আকার দ্বিগুণ করে ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার দাবি জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি বা ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।
সোমবার
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে
ব্যবসায়ী নেতারা এই দাবি জানান।
বর্তমানে এই তহবিলের আকার
যা রয়েছে, তা থেকে বাড়িয়ে
বড় পরিসরে রপ্তানিকারকদের সহায়তার ওপর জোর দিয়েছেন
তারা। একই সঙ্গে একক
ঋণসীমা বা সিঙ্গেল বোরোয়ার
এক্সপোজার লিমিট বর্তমানের ১৫ শতাংশ থেকে
বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করারও
প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক
শেষে ব্যবসায়ী নেতারা জানান, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ভূ-রাজনৈতিক
অস্থিরতার কারণে দেশের শিল্প খাত নানা চ্যালেঞ্জের
মুখে পড়েছে। এই সংকট মোকাবিলায়
ঋণের সুদের হার এক অঙ্কে
রাখা এবং খেলাপি ঋণের
নিয়ম কিছুটা শিথিল করা জরুরি।
এফবিসিসিআই
প্রতিনিধিদল আমদানি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় ডলার সরবরাহ নিশ্চিত
করা এবং এলসি খোলার
প্রক্রিয়া সহজ করার দাবি
জানায়। তারা মনে করেন,
কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতির মূল্যবৃদ্ধির
এই সময়ে বিশেষ নীতিগত
সহায়তা না পেলে উৎপাদন
খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়বে।
গভর্নরের
কাছে লিখিত প্রস্তাবে এফবিসিসিআই উল্লেখ করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ও রেমিট্যান্স প্রবাহে
নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ রক্ষায় ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা
ও সংস্কার জরুরি।
অতীতে
বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে
আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাংক একীভূতকরণের ক্ষেত্রে আমানতকারী ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ
রক্ষার আহ্বান জানান তারা। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনঃতফশিলের সময়সীমা
৩ মাস থেকে বাড়িয়ে
৬ মাস করার প্রস্তাব
দেওয়া হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা
আরও জানান, ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া
হোক, তবে যারা অনিচ্ছাকৃতভাবে
সংকটে পড়েছেন তাদের পুনর্বাসনে নীতিগত সহায়তা দিতে হবে। উৎপাদনশীল
খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়াতে সরকারি ঋণের চাপ কমানোর
পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
এছাড়া
প্রবাসী আয় বাড়াতে প্রণোদনা
অব্যাহত রাখা এবং শিল্প
খাতের ব্যাংকিং সমস্যা দ্রুত সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি গভর্নরের
নেতৃত্বে বিশেষ কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।
নারী উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের
জন্য জামানতহীন ঋণ ও বিশেষ
হেল্পডেস্ক চালুর বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেছে
এফবিসিসিআই।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে গঠিত রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল বা ইডিএফ এর আকার দ্বিগুণ করে ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার দাবি জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি বা ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।
সোমবার
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে
ব্যবসায়ী নেতারা এই দাবি জানান।
বর্তমানে এই তহবিলের আকার
যা রয়েছে, তা থেকে বাড়িয়ে
বড় পরিসরে রপ্তানিকারকদের সহায়তার ওপর জোর দিয়েছেন
তারা। একই সঙ্গে একক
ঋণসীমা বা সিঙ্গেল বোরোয়ার
এক্সপোজার লিমিট বর্তমানের ১৫ শতাংশ থেকে
বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করারও
প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক
শেষে ব্যবসায়ী নেতারা জানান, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ভূ-রাজনৈতিক
অস্থিরতার কারণে দেশের শিল্প খাত নানা চ্যালেঞ্জের
মুখে পড়েছে। এই সংকট মোকাবিলায়
ঋণের সুদের হার এক অঙ্কে
রাখা এবং খেলাপি ঋণের
নিয়ম কিছুটা শিথিল করা জরুরি।
এফবিসিসিআই
প্রতিনিধিদল আমদানি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় ডলার সরবরাহ নিশ্চিত
করা এবং এলসি খোলার
প্রক্রিয়া সহজ করার দাবি
জানায়। তারা মনে করেন,
কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতির মূল্যবৃদ্ধির
এই সময়ে বিশেষ নীতিগত
সহায়তা না পেলে উৎপাদন
খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়বে।
গভর্নরের
কাছে লিখিত প্রস্তাবে এফবিসিসিআই উল্লেখ করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ও রেমিট্যান্স প্রবাহে
নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ রক্ষায় ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা
ও সংস্কার জরুরি।
অতীতে
বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে
আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাংক একীভূতকরণের ক্ষেত্রে আমানতকারী ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ
রক্ষার আহ্বান জানান তারা। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনঃতফশিলের সময়সীমা
৩ মাস থেকে বাড়িয়ে
৬ মাস করার প্রস্তাব
দেওয়া হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা
আরও জানান, ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া
হোক, তবে যারা অনিচ্ছাকৃতভাবে
সংকটে পড়েছেন তাদের পুনর্বাসনে নীতিগত সহায়তা দিতে হবে। উৎপাদনশীল
খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়াতে সরকারি ঋণের চাপ কমানোর
পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
এছাড়া
প্রবাসী আয় বাড়াতে প্রণোদনা
অব্যাহত রাখা এবং শিল্প
খাতের ব্যাংকিং সমস্যা দ্রুত সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি গভর্নরের
নেতৃত্বে বিশেষ কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়েছে।
নারী উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের
জন্য জামানতহীন ঋণ ও বিশেষ
হেল্পডেস্ক চালুর বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেছে
এফবিসিসিআই।

আপনার মতামত লিখুন