দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থান দিয়ে দিনের শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত লেনদেনের গতিতে ভাটা পড়েছে। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচক কিছুটা বাড়লেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় কমেছে। দিনভর সূচকের উঠানামা আর বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানে থাকার কারণে বড় উত্থানের সম্ভাবনা থাকলেও শেষ মুহূর্তে এসে বিক্রির চাপে অনেক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর হারিয়েছে।
উত্থান
দিয়ে শুরু হলেও দিনশেষে দরপতনের পাল্লাই ভারী
লেনদেনের
শুরুটা ছিল বেশ আশাব্যঞ্জক।
সোমবার সকালে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম
বাড়ার মধ্য দিয়ে কার্যক্রম
শুরু হয়। এক পর্যায়ে
ডিএসইর প্রধান সূচক ৭০ পয়েন্টের
বেশি বেড়ে যায় এবং
লেনদেনের প্রথম দুই ঘণ্টা এই
ইতিবাচক ধারা অব্যাহত ছিল।
তবে দুপুর ১২টার পর থেকে বাজারের
চিত্র পাল্টাতে শুরু করে। দাম
বাড়ার তালিকা থেকে একের পর
এক প্রতিষ্ঠান দরপতনের তালিকায় নাম লেখাতে থাকে।
দিনের
শেষে দেখা যায়, ডিএসইতে
১৪৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, বিপরীতে
১৭২টি প্রতিষ্ঠানের দাম কমেছে এবং
৬৮টি প্রতিষ্ঠানের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
সূচকের
সামান্য উন্নতি কিন্তু কমেছে লেনদেন
বাজার
বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসইর
প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায়
১০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার
১২২ পয়েন্টে থিতু হয়েছে।
এছাড়া
ডিএসই-৩০ সূচক ৯
পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার
৯৫৪ পয়েন্টে দাঁড়ালেও ডিএসই শরিয়াহ সূচক সামান্য কমে
১ হাজার ৪০ পয়েন্টে নেমেছে।
সূচকের এই মিশ্র অবস্থার
মধ্যেও লেনদেনের চিত্র ছিল হতাশাজনক।
সোমবার
ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৭০ কোটি ৭৯
লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের
চেয়ে প্রায় ৪১ কোটি টাকা
কম।
লেনদেনের
শীর্ষে যেসব প্রতিষ্ঠান
এদিন
লেনদেনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে
ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিংয়ের শেয়ার। এছাড়া শীর্ষ তালিকায় ছিল একমি পেস্টিসাইড,
সামিট এলায়েন্স পোর্ট, খান ব্রাদার্স পিপি
ওভেন ব্যাগ ও টেকনো ড্রাগস।
অন্যদিকে,
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)
সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৮
পয়েন্ট বাড়লেও সেখানেও লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে
কমেছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বড়
কোম্পানিগুলোর শেয়ার দরে অস্থিরতা থাকায়
বিনিয়োগকারীরা বড় বিনিয়োগে কিছুটা
সাবধানতা অবলম্বন করছেন।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থান দিয়ে দিনের শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত লেনদেনের গতিতে ভাটা পড়েছে। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচক কিছুটা বাড়লেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় কমেছে। দিনভর সূচকের উঠানামা আর বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানে থাকার কারণে বড় উত্থানের সম্ভাবনা থাকলেও শেষ মুহূর্তে এসে বিক্রির চাপে অনেক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর হারিয়েছে।
উত্থান
দিয়ে শুরু হলেও দিনশেষে দরপতনের পাল্লাই ভারী
লেনদেনের
শুরুটা ছিল বেশ আশাব্যঞ্জক।
সোমবার সকালে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম
বাড়ার মধ্য দিয়ে কার্যক্রম
শুরু হয়। এক পর্যায়ে
ডিএসইর প্রধান সূচক ৭০ পয়েন্টের
বেশি বেড়ে যায় এবং
লেনদেনের প্রথম দুই ঘণ্টা এই
ইতিবাচক ধারা অব্যাহত ছিল।
তবে দুপুর ১২টার পর থেকে বাজারের
চিত্র পাল্টাতে শুরু করে। দাম
বাড়ার তালিকা থেকে একের পর
এক প্রতিষ্ঠান দরপতনের তালিকায় নাম লেখাতে থাকে।
দিনের
শেষে দেখা যায়, ডিএসইতে
১৪৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, বিপরীতে
১৭২টি প্রতিষ্ঠানের দাম কমেছে এবং
৬৮টি প্রতিষ্ঠানের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
সূচকের
সামান্য উন্নতি কিন্তু কমেছে লেনদেন
বাজার
বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসইর
প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায়
১০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার
১২২ পয়েন্টে থিতু হয়েছে।
এছাড়া
ডিএসই-৩০ সূচক ৯
পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার
৯৫৪ পয়েন্টে দাঁড়ালেও ডিএসই শরিয়াহ সূচক সামান্য কমে
১ হাজার ৪০ পয়েন্টে নেমেছে।
সূচকের এই মিশ্র অবস্থার
মধ্যেও লেনদেনের চিত্র ছিল হতাশাজনক।
সোমবার
ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৭০ কোটি ৭৯
লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের
চেয়ে প্রায় ৪১ কোটি টাকা
কম।
লেনদেনের
শীর্ষে যেসব প্রতিষ্ঠান
এদিন
লেনদেনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে
ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিংয়ের শেয়ার। এছাড়া শীর্ষ তালিকায় ছিল একমি পেস্টিসাইড,
সামিট এলায়েন্স পোর্ট, খান ব্রাদার্স পিপি
ওভেন ব্যাগ ও টেকনো ড্রাগস।
অন্যদিকে,
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)
সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৮
পয়েন্ট বাড়লেও সেখানেও লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে
কমেছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বড়
কোম্পানিগুলোর শেয়ার দরে অস্থিরতা থাকায়
বিনিয়োগকারীরা বড় বিনিয়োগে কিছুটা
সাবধানতা অবলম্বন করছেন।

আপনার মতামত লিখুন