বকেয়া বেতনের দাবি এবং ‘অবৈধভাবে’ ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করেছেন সিনহা-মেডলার গ্রুপের শ্রমিকরা। তাদের অভিযোগ, ঈদের ছুটি থেকে কর্মস্থলে ফিরে এসে তারা জানতে পারেন ‘তাদের চাকরি নেই’।
সোমবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে হাউজ বিল্ডিংয়ের পাশের সড়কে জড়ো হয়ে তারা বকেয়া বেতনের দাবিতে নানা স্লোগান দেন। এ সময় সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
আন্দোলনে অংশ নেয়া মো. সাজ্জাদ নিজেকে সিনহা-মেডলার গ্রুপের মেডলার এ্যাপারেলস লিমিটেডের (আশুলিয়া, সাভার) শ্রমিক দাবি করে বলেন, “বেতন দিতে পারে না, ফ্যাক্টরি বন্ধ রাখছে। ঈদে বেতন দিছে অনেক দেরি কইরা। আমরা বাড়ি গেছি, তারপরে (ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরত) আসছি। আইসা দেহি, ফ্যাক্টরি বন্ধ। আমাদের চাকরি নাই। বকেয়া বেতনও পরিশোধ করে নাই। চাকরি নাই, কোন নোটিশও দেয় নাই। অহন (এখন) আমাগো দাবি, হয় চাকরি ফিরাইয়া দিতে হইব। নাইলে বকেয়া বেতন আর শ্রমিক আইন অনুযায়ি সব সুবিধা দিতে অইব। যাতে অন্য কোনহানে (কোথাও) চাকরি পাইতে অসুবিধা না হয়।”
তিনি জানান, মোট ১১২ জন শ্রমিককে অবৈধভাবে ছাঁটাই করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৯০ জনের বেশি আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। বিভিন্ন সমস্যার কারণে বাকিরা আসতে পারেননি।
নিজেকে মেডলার এ্যাপারেলসের আয়রন ম্যান দাবি করে আরেকজন আন্দোলনকারী জানান, নিয়োগের সময় মালিকপক্ষ শ্রমিক আইনের সব সুবিধা দেওয়ার কথা বলেছিলেন। তবে এতদিন চাকরির পর এখন হঠাৎ ছাঁটাই করা হয়েছে। মালিকপক্ষের কেউ এ বিষয়ে ‘কোনো জবাব দিচ্ছেন না’।
সাভারের কর্মীদের এখানে আন্দোলন কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ সাভারের কারখানা ফ্যাক্টরি। এখানে ওপরে ওনাদের (মালিক) অফিস আছে। তাই আমরা এখানে এসেছি। ”
ঘণ্টাখানেক ধরে সড়ক অবরোধ করে রাখার পর স্থানীয় পুলিশ এসে আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সড়কের একপাশে সরিয়ে নেয়।
কিন্তু সরেজমিনে দেখা যায়, মালিক পক্ষের কাছ থেকে কোনো আশ্বাস না পাওয়ায় সন্ধ্যার পরও তারা রাস্তায় অবস্থান করছে।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
বকেয়া বেতনের দাবি এবং ‘অবৈধভাবে’ ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করেছেন সিনহা-মেডলার গ্রুপের শ্রমিকরা। তাদের অভিযোগ, ঈদের ছুটি থেকে কর্মস্থলে ফিরে এসে তারা জানতে পারেন ‘তাদের চাকরি নেই’।
সোমবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে হাউজ বিল্ডিংয়ের পাশের সড়কে জড়ো হয়ে তারা বকেয়া বেতনের দাবিতে নানা স্লোগান দেন। এ সময় সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
আন্দোলনে অংশ নেয়া মো. সাজ্জাদ নিজেকে সিনহা-মেডলার গ্রুপের মেডলার এ্যাপারেলস লিমিটেডের (আশুলিয়া, সাভার) শ্রমিক দাবি করে বলেন, “বেতন দিতে পারে না, ফ্যাক্টরি বন্ধ রাখছে। ঈদে বেতন দিছে অনেক দেরি কইরা। আমরা বাড়ি গেছি, তারপরে (ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরত) আসছি। আইসা দেহি, ফ্যাক্টরি বন্ধ। আমাদের চাকরি নাই। বকেয়া বেতনও পরিশোধ করে নাই। চাকরি নাই, কোন নোটিশও দেয় নাই। অহন (এখন) আমাগো দাবি, হয় চাকরি ফিরাইয়া দিতে হইব। নাইলে বকেয়া বেতন আর শ্রমিক আইন অনুযায়ি সব সুবিধা দিতে অইব। যাতে অন্য কোনহানে (কোথাও) চাকরি পাইতে অসুবিধা না হয়।”
তিনি জানান, মোট ১১২ জন শ্রমিককে অবৈধভাবে ছাঁটাই করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৯০ জনের বেশি আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। বিভিন্ন সমস্যার কারণে বাকিরা আসতে পারেননি।
নিজেকে মেডলার এ্যাপারেলসের আয়রন ম্যান দাবি করে আরেকজন আন্দোলনকারী জানান, নিয়োগের সময় মালিকপক্ষ শ্রমিক আইনের সব সুবিধা দেওয়ার কথা বলেছিলেন। তবে এতদিন চাকরির পর এখন হঠাৎ ছাঁটাই করা হয়েছে। মালিকপক্ষের কেউ এ বিষয়ে ‘কোনো জবাব দিচ্ছেন না’।
সাভারের কর্মীদের এখানে আন্দোলন কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ সাভারের কারখানা ফ্যাক্টরি। এখানে ওপরে ওনাদের (মালিক) অফিস আছে। তাই আমরা এখানে এসেছি। ”
ঘণ্টাখানেক ধরে সড়ক অবরোধ করে রাখার পর স্থানীয় পুলিশ এসে আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সড়কের একপাশে সরিয়ে নেয়।
কিন্তু সরেজমিনে দেখা যায়, মালিক পক্ষের কাছ থেকে কোনো আশ্বাস না পাওয়ায় সন্ধ্যার পরও তারা রাস্তায় অবস্থান করছে।

আপনার মতামত লিখুন