সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

পুকুরে বিষ প্রয়োগ : ৩ শতাধিক হাঁস হারিয়ে নিঃস্ব শামসু মোল্লা


প্রতিনিধি, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)
প্রতিনিধি, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)
প্রকাশ: ৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম

পুকুরে বিষ প্রয়োগ : ৩ শতাধিক হাঁস হারিয়ে নিঃস্ব শামসু মোল্লা
খামারের ৩০০ হাঁস হারিয়ে আহাজারি করছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক শামসু মোল্লা। ছবি : সংবাদ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে একটি জলাশয়ে বিষ প্রয়োগের ফলে প্রায় তিনশ হাঁস মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের নতুন পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক শামসু মোল্লার দাবি, প্রতিবেশী এক ব্যক্তির লিজ নেওয়া পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ ধরায় সেই বিষাক্ত মাছ খেয়ে তার খামারের হাঁসগুলো মারা গেছে।

ভুক্তভোগী শামসু মোল্লা জানান, তিনি ঋণ নিয়ে খামারটি গড়ে তুলেছিলেন। তার খামারের পাশে একটি জলাশয় লিজ নিয়ে মাছ চাষ করেন স্থানীয় মান্নান ওরফে ঠান্ডু।

গতকাল রোববার রাতে মান্নানের ব্যবস্থাপক ছাত্তার (৬০) ওই জলাশয়ে বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরেন। আজ সকাল ৮টার দিকে শামসু তার খামারের হাঁসগুলো ছেড়ে দিলে সেগুলো জলাশয়ের বিষাক্ত মাছ ও পানি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার খামারের প্রায় ৩০০টি ‘ক্যাম্বেল’ জাতের হাঁস মারা যায়।

শামসু মোল্লা বলেন, ‘তারা পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ ধরবে, সেটা আমাকে আগে জানালে আমি হাঁস ছাড়তাম না। পরিকল্পিতভাবে আমার হাঁসগুলোকে মেরে ফেলা হয়েছে। আমি এই ঘটনার বিচার ও ক্ষতিপূরণ চাই।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পুকুরের ব্যবস্থাপক ছাত্তার মুঠোফোনে বলেন, ‘আমরা পুকুরে মাছ ধরার জন্য অক্সিজেন ও গ্যাস ট্যাবলেট ব্যবহার করেছিলাম। তাতে হাঁস মারা যাওয়ার কথা নয়। হাঁসগুলো কীভাবে মারা গেল, তা আমাদের জানা নেই।’ পুকুরের মালিক মান্নানও একই দাবি করেন।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬


পুকুরে বিষ প্রয়োগ : ৩ শতাধিক হাঁস হারিয়ে নিঃস্ব শামসু মোল্লা

প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে একটি জলাশয়ে বিষ প্রয়োগের ফলে প্রায় তিনশ হাঁস মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের নতুন পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক শামসু মোল্লার দাবি, প্রতিবেশী এক ব্যক্তির লিজ নেওয়া পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ ধরায় সেই বিষাক্ত মাছ খেয়ে তার খামারের হাঁসগুলো মারা গেছে।

ভুক্তভোগী শামসু মোল্লা জানান, তিনি ঋণ নিয়ে খামারটি গড়ে তুলেছিলেন। তার খামারের পাশে একটি জলাশয় লিজ নিয়ে মাছ চাষ করেন স্থানীয় মান্নান ওরফে ঠান্ডু।

গতকাল রোববার রাতে মান্নানের ব্যবস্থাপক ছাত্তার (৬০) ওই জলাশয়ে বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরেন। আজ সকাল ৮টার দিকে শামসু তার খামারের হাঁসগুলো ছেড়ে দিলে সেগুলো জলাশয়ের বিষাক্ত মাছ ও পানি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার খামারের প্রায় ৩০০টি ‘ক্যাম্বেল’ জাতের হাঁস মারা যায়।

শামসু মোল্লা বলেন, ‘তারা পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ ধরবে, সেটা আমাকে আগে জানালে আমি হাঁস ছাড়তাম না। পরিকল্পিতভাবে আমার হাঁসগুলোকে মেরে ফেলা হয়েছে। আমি এই ঘটনার বিচার ও ক্ষতিপূরণ চাই।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পুকুরের ব্যবস্থাপক ছাত্তার মুঠোফোনে বলেন, ‘আমরা পুকুরে মাছ ধরার জন্য অক্সিজেন ও গ্যাস ট্যাবলেট ব্যবহার করেছিলাম। তাতে হাঁস মারা যাওয়ার কথা নয়। হাঁসগুলো কীভাবে মারা গেল, তা আমাদের জানা নেই।’ পুকুরের মালিক মান্নানও একই দাবি করেন।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত