বিসিএস
ক্যাডার হওয়ার স্বপ্নপূরণের পথে চূড়ান্ত লড়াই
শুরু হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার। ৫০তম বিসিএসের আবশ্যিক
ও পদসংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি ও আসনবিন্যাস চূড়ান্ত
করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি)।
আগামী
৯ এপ্রিল থেকে শুরু হতে
যাওয়া এই পরীক্ষা দেশের
আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে অনুষ্ঠিত
হবে। সোমবার পিএসসির এক বিজ্ঞপ্তিতে এই
তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে
জানানো হয়, ৯ এপ্রিল
বাংলা প্রথমপত্র, ১২ এপ্রিল বাংলা
দ্বিতীয়পত্র, ১৬ এপ্রিল ইংরেজি,
১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ বিষয়াবলি, ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক
বিষয়াবলি এবং ২২ এপ্রিল
গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া
কারিগরি ও পেশাগত বিষয়ের
পরীক্ষাগুলো ২৭ এপ্রিল শুরু
হয়ে চলবে ৭ মে
পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে
পরীক্ষা শুরু হবে।
বিপিএসসি
জানিয়েছে, এবারের পরীক্ষায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা
নিশ্চিত করা হয়েছে। ঢাকা
কেন্দ্রের মধ্যে মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজ, সরকারি মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড
কলেজ, সরকারি বিজ্ঞান কলেজসহ মোট আটটি প্রতিষ্ঠানে
আসনবিন্যাস করা হয়েছে।
এছাড়া
রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রেও
নির্ধারিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষার হলে
প্রবেশের ক্ষেত্রে এবার সময়সীমা কঠোরভাবে
পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ঠিক ৩০ মিনিট
আগে অর্থাৎ সকাল ৯টা ৩০
মিনিটের মধ্যে নির্ধারিত আসনে বসতে হবে।
এরপর হলের মূল ফটক
বন্ধ করে দেওয়া হবে
এবং কোনো অবস্থাতেই কাউকে
আর প্রবেশ করতে দেওয়া হবে
না।
পরীক্ষার্থীদের
সতর্ক করে বিপিএসসি জানিয়েছে,
পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন,
যেকোনো ধরনের ঘড়ি, ইলেকট্রনিক যোগাযোগযন্ত্র,
ক্যালকুলেটর, ব্যাগ, বই ও ব্যাংক
কার্ডসহ কোনো নিষিদ্ধ সামগ্রী
নিয়ে ঢোকা যাবে না।
হলের গেটে মেটাল ডিটেক্টর
দিয়ে তল্লাশি চালানো হবে। পরীক্ষা চলাকালে
কারও কাছে এসব সামগ্রী
পাওয়া গেলে তৎক্ষণাৎ প্রার্থিতা
বাতিলসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা
নেওয়া হবে।
তবে
বিশেষ কিছু কারিগরি বিষয়ের
ক্ষেত্রে সাধারণ নন-প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর
ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি কক্ষ সিসিটিভি ক্যামেরার
আওতায় থাকবে এবং কান ও
মুখমণ্ডল অনাবৃত রাখতে হবে।
পাসের
যোগ্যতার ক্ষেত্রে বিপিএসসি স্পষ্ট করেছে, লিখিত পরীক্ষায় গড় ন্যূনতম ৫০
শতাংশ নম্বর পেতে হবে এবং
কোনো বিষয়ে ৩০ শতাংশের কম
নম্বর পেলে তা মোট
নম্বরের সঙ্গে যোগ হবে না।
তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রার্থীদের জন্য শ্রুতিলেখকের বিশেষ
ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
বিসিএস
ক্যাডার হওয়ার স্বপ্নপূরণের পথে চূড়ান্ত লড়াই
শুরু হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার। ৫০তম বিসিএসের আবশ্যিক
ও পদসংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি ও আসনবিন্যাস চূড়ান্ত
করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি)।
আগামী
৯ এপ্রিল থেকে শুরু হতে
যাওয়া এই পরীক্ষা দেশের
আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে অনুষ্ঠিত
হবে। সোমবার পিএসসির এক বিজ্ঞপ্তিতে এই
তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে
জানানো হয়, ৯ এপ্রিল
বাংলা প্রথমপত্র, ১২ এপ্রিল বাংলা
দ্বিতীয়পত্র, ১৬ এপ্রিল ইংরেজি,
১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ বিষয়াবলি, ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক
বিষয়াবলি এবং ২২ এপ্রিল
গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা
পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া
কারিগরি ও পেশাগত বিষয়ের
পরীক্ষাগুলো ২৭ এপ্রিল শুরু
হয়ে চলবে ৭ মে
পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে
পরীক্ষা শুরু হবে।
বিপিএসসি
জানিয়েছে, এবারের পরীক্ষায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা
নিশ্চিত করা হয়েছে। ঢাকা
কেন্দ্রের মধ্যে মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজ, সরকারি মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড
কলেজ, সরকারি বিজ্ঞান কলেজসহ মোট আটটি প্রতিষ্ঠানে
আসনবিন্যাস করা হয়েছে।
এছাড়া
রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রেও
নির্ধারিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষার হলে
প্রবেশের ক্ষেত্রে এবার সময়সীমা কঠোরভাবে
পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ঠিক ৩০ মিনিট
আগে অর্থাৎ সকাল ৯টা ৩০
মিনিটের মধ্যে নির্ধারিত আসনে বসতে হবে।
এরপর হলের মূল ফটক
বন্ধ করে দেওয়া হবে
এবং কোনো অবস্থাতেই কাউকে
আর প্রবেশ করতে দেওয়া হবে
না।
পরীক্ষার্থীদের
সতর্ক করে বিপিএসসি জানিয়েছে,
পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন,
যেকোনো ধরনের ঘড়ি, ইলেকট্রনিক যোগাযোগযন্ত্র,
ক্যালকুলেটর, ব্যাগ, বই ও ব্যাংক
কার্ডসহ কোনো নিষিদ্ধ সামগ্রী
নিয়ে ঢোকা যাবে না।
হলের গেটে মেটাল ডিটেক্টর
দিয়ে তল্লাশি চালানো হবে। পরীক্ষা চলাকালে
কারও কাছে এসব সামগ্রী
পাওয়া গেলে তৎক্ষণাৎ প্রার্থিতা
বাতিলসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা
নেওয়া হবে।
তবে
বিশেষ কিছু কারিগরি বিষয়ের
ক্ষেত্রে সাধারণ নন-প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর
ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি কক্ষ সিসিটিভি ক্যামেরার
আওতায় থাকবে এবং কান ও
মুখমণ্ডল অনাবৃত রাখতে হবে।
পাসের
যোগ্যতার ক্ষেত্রে বিপিএসসি স্পষ্ট করেছে, লিখিত পরীক্ষায় গড় ন্যূনতম ৫০
শতাংশ নম্বর পেতে হবে এবং
কোনো বিষয়ে ৩০ শতাংশের কম
নম্বর পেলে তা মোট
নম্বরের সঙ্গে যোগ হবে না।
তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন প্রার্থীদের জন্য শ্রুতিলেখকের বিশেষ
ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন