সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

শিশুবিষয়ক আলাদা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার আহ্বান


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৬ এএম

শিশুবিষয়ক আলাদা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার আহ্বান

শিশুদের ঝুঁকি ও নিরাপত্তা বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিতে শিশুবিষয়ক আলাদা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোর একটি জোট। 

ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স, সেভ দ্য চিলড্রেন, ওয়াটারএইড, অক্সফাম, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, জাগো ফাউন্ডেশন এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এই সাতটি সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত ‘কোয়ালিশন ফর অ্যাডভান্সিং ইকুয়ালিটি অ্যান্ড জাস্টিস’ জোট আজ সোমবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে সমতা ও ন্যায়বিচার’ শীর্ষক একটি উচ্চপর্যায়ের সংলাপে এই আহ্বান জানানো হয়।

বাংলাদেশ যখন পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোর এই জোটটি। নারী ও শিশুদের জন্য সমতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে নতুন করে আরো জোরালো অঙ্গীকারের আহ্বান জানিয়েছে তারা।

এই অনুষ্ঠানের লক্ষ্য ছিল সাম্প্রতিক নির্বাচনী ইশতেহারে নারী ও শিশুদের অধিকার কতটা গুরুত্ব পেয়েছে তা মূল্যায়ন করা এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কার্যকর উপায় চিহ্নিত করা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর নীতি ও কৌশল এবং সাংস্কৃতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান এবং ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন ড. তাসনিম জারা, শাগুফতা বুশরা মিশমা এবং ড. ফেরদাউস আরা খানম।

জোটের পক্ষে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বসু বলেন, ‘এই বিশ্লেষণ সম্ভব করতে জোটের সকল সদস্যদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। নারী ও শিশু দেশের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক হলেও তাদের কণ্ঠস্বর এখনও প্রায়ই উপেক্ষিত হয়। এই নির্বাচন তাদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে, যা অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘উন্নয়ন ও মানবিক সংস্থা হিসেবে আমরা আশা করি সকল খাতে এই অন্তর্ভুক্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হবে, যাতে নারী ও শিশুদের কল্যাণ নিশ্চিত হয়।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে জোটটি ১৪টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেছে এবং নারী ও শিশুদের অধিকারকে নির্বাচনী অঙ্গীকারে অর্থবহভাবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রমাণভিত্তিক সুপারিশ প্রদান করেছে।

আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধে আইন থাকলেই যথেষ্ট নয়, সেগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। সরকার এসব আইনের পূর্ণ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সকল ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার নীতি গ্রহণ করবে। নারী কল্যাণ ও অধিকার বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না।’

বক্তারা বলেন, কিছু অগ্রগতি হলেও এখনও নানা চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে, যেমন লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীদের সীমিত অংশগ্রহণ এবং মৌলিক সেবায় প্রবেশাধিকার ঘাটতি।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬


শিশুবিষয়ক আলাদা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার আহ্বান

প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

শিশুদের ঝুঁকি ও নিরাপত্তা বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিতে শিশুবিষয়ক আলাদা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোর একটি জোট। 

ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স, সেভ দ্য চিলড্রেন, ওয়াটারএইড, অক্সফাম, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, জাগো ফাউন্ডেশন এবং প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এই সাতটি সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত ‘কোয়ালিশন ফর অ্যাডভান্সিং ইকুয়ালিটি অ্যান্ড জাস্টিস’ জোট আজ সোমবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে সমতা ও ন্যায়বিচার’ শীর্ষক একটি উচ্চপর্যায়ের সংলাপে এই আহ্বান জানানো হয়।

বাংলাদেশ যখন পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোর এই জোটটি। নারী ও শিশুদের জন্য সমতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে নতুন করে আরো জোরালো অঙ্গীকারের আহ্বান জানিয়েছে তারা।

এই অনুষ্ঠানের লক্ষ্য ছিল সাম্প্রতিক নির্বাচনী ইশতেহারে নারী ও শিশুদের অধিকার কতটা গুরুত্ব পেয়েছে তা মূল্যায়ন করা এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কার্যকর উপায় চিহ্নিত করা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর নীতি ও কৌশল এবং সাংস্কৃতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান এবং ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন ড. তাসনিম জারা, শাগুফতা বুশরা মিশমা এবং ড. ফেরদাউস আরা খানম।

জোটের পক্ষে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বসু বলেন, ‘এই বিশ্লেষণ সম্ভব করতে জোটের সকল সদস্যদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। নারী ও শিশু দেশের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক হলেও তাদের কণ্ঠস্বর এখনও প্রায়ই উপেক্ষিত হয়। এই নির্বাচন তাদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে, যা অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘উন্নয়ন ও মানবিক সংস্থা হিসেবে আমরা আশা করি সকল খাতে এই অন্তর্ভুক্তির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হবে, যাতে নারী ও শিশুদের কল্যাণ নিশ্চিত হয়।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে জোটটি ১৪টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেছে এবং নারী ও শিশুদের অধিকারকে নির্বাচনী অঙ্গীকারে অর্থবহভাবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রমাণভিত্তিক সুপারিশ প্রদান করেছে।

আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধে আইন থাকলেই যথেষ্ট নয়, সেগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি। সরকার এসব আইনের পূর্ণ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সকল ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার নীতি গ্রহণ করবে। নারী কল্যাণ ও অধিকার বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না।’

বক্তারা বলেন, কিছু অগ্রগতি হলেও এখনও নানা চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে, যেমন লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীদের সীমিত অংশগ্রহণ এবং মৌলিক সেবায় প্রবেশাধিকার ঘাটতি।

 


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত