সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

রং লেগেছে ডিঙ্গাপোতায়


প্রতিনিধি, মোহনগঞ্জ (নেত্রকোণা)
প্রতিনিধি, মোহনগঞ্জ (নেত্রকোণা)
প্রকাশ: ৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৫ পিএম

রং লেগেছে ডিঙ্গাপোতায়

বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় সাত জেলার ২৫ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে হাওর এলাকা। দেশের মোট উৎপাদিত ধানের এক পঞ্চমাংশ ধান আসে হাওর এলাকা থেকে। হাওরবাসীর জীবন জীবিকার একমাত্র ভরসা হলো একফসলি বোরো ধান। এবার উপুর্যুপরি বৃষ্টির ফলে ভাটির অনেক হাওরে জলাবদ্ধতায় নষ্ট হচ্ছে উঠতি বোরো ফসল। এতে হতাশায় নিমজ্জিত হাওরবাসী। 

হাওর এলাকার একটি উল্লেখযোগ্য হাওর হলো নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার ডিঙ্গাপোতা হাওর। এই অঞ্চলের অনেক মানুষ ডিঙ্গাপোতা হাওরের ধানের ওপর নির্ভরশীল। তাদের জীবন জীবিকা নির্ভর করে হাওরে উৎপাদিত একফসলি ধানের ওপর। উপুর্যুপরি বৃষ্টির ফলে এ হাওর জলাবদ্ধতার শিকার। বিশেষ করে নিচু জমিগুলো ঝুঁকিতে রয়েছে। ফলে হাওরবাসী দুঃশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। এর মধ্যে রঙ লেগেছে হাওরে। সবুজ বরণ ছেড়ে হাওরে সোনালি আভা ছড়াচ্ছে। ধান কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছেন হাওরবাসী ধান কাটার আগের সেই পুরনো পদ্ধতি হাতে ধান কাটা হয় না। সব জায়গায় ধান কাটা মেশিন নির্ভর। কিন্তু জমিতে পানি থাকলে ধান কাটার মেশিন হারভেষ্টার চালানোও কঠিন। ফলে ধান কাটা নিয়েও সমস্যা। 

আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে সমস্যা থাকবে না বলে জানান হাওর কৃষক। হাওর জনপদের কৃষক মশিউর রেজা জানান, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ডিঙ্গাপোতা হাওরে পুরোদমে দাওয়া (ধান কাটা) শুরু হবে। বৃষ্টি না হলে তা আরও এক সপ্তাহ এগিয়ে যেত বলে জানান হাওর কৃষক শাফায়েত হোসেন। হাওর কৃষকের জন্য এখন ব্যস্ত সময়। স্বপ্ন একটিই কিভাবে নির্বিঘ্নে তাদের ফসল ঘরে তুলবে।

তেতুলিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল খালেক ও মজিবুর রহমান বলেন, দোয়া কইরেন আর যা তে কোন বান পাহালে (প্রাকৃতিক দুর্যোগ) না পায়। কাইট্টা কুইট্টা যাতে ফসিলডা ঘরে তুলতাম হারি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬


রং লেগেছে ডিঙ্গাপোতায়

প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় সাত জেলার ২৫ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে হাওর এলাকা। দেশের মোট উৎপাদিত ধানের এক পঞ্চমাংশ ধান আসে হাওর এলাকা থেকে। হাওরবাসীর জীবন জীবিকার একমাত্র ভরসা হলো একফসলি বোরো ধান। এবার উপুর্যুপরি বৃষ্টির ফলে ভাটির অনেক হাওরে জলাবদ্ধতায় নষ্ট হচ্ছে উঠতি বোরো ফসল। এতে হতাশায় নিমজ্জিত হাওরবাসী। 

হাওর এলাকার একটি উল্লেখযোগ্য হাওর হলো নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার ডিঙ্গাপোতা হাওর। এই অঞ্চলের অনেক মানুষ ডিঙ্গাপোতা হাওরের ধানের ওপর নির্ভরশীল। তাদের জীবন জীবিকা নির্ভর করে হাওরে উৎপাদিত একফসলি ধানের ওপর। উপুর্যুপরি বৃষ্টির ফলে এ হাওর জলাবদ্ধতার শিকার। বিশেষ করে নিচু জমিগুলো ঝুঁকিতে রয়েছে। ফলে হাওরবাসী দুঃশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। এর মধ্যে রঙ লেগেছে হাওরে। সবুজ বরণ ছেড়ে হাওরে সোনালি আভা ছড়াচ্ছে। ধান কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছেন হাওরবাসী ধান কাটার আগের সেই পুরনো পদ্ধতি হাতে ধান কাটা হয় না। সব জায়গায় ধান কাটা মেশিন নির্ভর। কিন্তু জমিতে পানি থাকলে ধান কাটার মেশিন হারভেষ্টার চালানোও কঠিন। ফলে ধান কাটা নিয়েও সমস্যা। 

আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে সমস্যা থাকবে না বলে জানান হাওর কৃষক। হাওর জনপদের কৃষক মশিউর রেজা জানান, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ডিঙ্গাপোতা হাওরে পুরোদমে দাওয়া (ধান কাটা) শুরু হবে। বৃষ্টি না হলে তা আরও এক সপ্তাহ এগিয়ে যেত বলে জানান হাওর কৃষক শাফায়েত হোসেন। হাওর কৃষকের জন্য এখন ব্যস্ত সময়। স্বপ্ন একটিই কিভাবে নির্বিঘ্নে তাদের ফসল ঘরে তুলবে।

তেতুলিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল খালেক ও মজিবুর রহমান বলেন, দোয়া কইরেন আর যা তে কোন বান পাহালে (প্রাকৃতিক দুর্যোগ) না পায়। কাইট্টা কুইট্টা যাতে ফসিলডা ঘরে তুলতাম হারি।



সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত