মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের
মধ্যেও দেশে সব ধরনের জ্বালানির স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখতে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান
মাহমুদ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, "সরকার সম্ভাব্য সব উৎস অনুসন্ধান করছে এবং
পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার মাধ্যমে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে।"
মন্ত্রী জানান, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধের
কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক
নৌপথে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়ও অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ যেমন—পাকিস্তান জ্বালানির দাম ৫০ শতাংশ বাড়িয়েছে এবং শ্রীলঙ্কা
রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছে। ভারত, নেপাল ও ভুটানও ইতোমধ্যে দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে।
জ্বালানি মন্ত্রী সংসদে জ্বালানি তেলের বর্তমান মজুতের একটি
চিত্র তুলে ধরেন:
জ্বালানির দাম বাড়ানো হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী
বলেন, আইন অনুযায়ী প্রতি মাসে দাম সমন্বয় করা হয়। তবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও
শিল্পের কথা বিবেচনা করে এপ্রিল মাসে দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে মন্ত্রিসভায়
আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পাশাপাশি, কৃষকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত
করতে জেলা প্রশাসনকে 'কৃষক কার্ড' বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও কৃত্রিম সংকট রোধে সরকার কঠোর
অবস্থানে রয়েছে। মন্ত্রী জানান, গত ৩ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে ৩৪২টি
অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ২ হাজার ৪৫৬টি মামলা দায়ের এবং ৩১ জনকে কারাদণ্ড
দেওয়া হয়েছে। এই মোবাইল কোর্ট ও মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এছাড়াও দেশীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে গ্যাসক্ষেত্র
থেকে প্রাপ্ত কনডেনসেট ব্যবহার করে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল উৎপাদনের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া
হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের
মধ্যেও দেশে সব ধরনের জ্বালানির স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখতে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান
মাহমুদ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, "সরকার সম্ভাব্য সব উৎস অনুসন্ধান করছে এবং
পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার মাধ্যমে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে।"
মন্ত্রী জানান, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধের
কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক
নৌপথে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়ও অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশ যেমন—পাকিস্তান জ্বালানির দাম ৫০ শতাংশ বাড়িয়েছে এবং শ্রীলঙ্কা
রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছে। ভারত, নেপাল ও ভুটানও ইতোমধ্যে দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে।
জ্বালানি মন্ত্রী সংসদে জ্বালানি তেলের বর্তমান মজুতের একটি
চিত্র তুলে ধরেন:
জ্বালানির দাম বাড়ানো হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী
বলেন, আইন অনুযায়ী প্রতি মাসে দাম সমন্বয় করা হয়। তবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও
শিল্পের কথা বিবেচনা করে এপ্রিল মাসে দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে মন্ত্রিসভায়
আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পাশাপাশি, কৃষকদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত
করতে জেলা প্রশাসনকে 'কৃষক কার্ড' বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও কৃত্রিম সংকট রোধে সরকার কঠোর
অবস্থানে রয়েছে। মন্ত্রী জানান, গত ৩ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে ৩৪২টি
অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ২ হাজার ৪৫৬টি মামলা দায়ের এবং ৩১ জনকে কারাদণ্ড
দেওয়া হয়েছে। এই মোবাইল কোর্ট ও মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এছাড়াও দেশীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে গ্যাসক্ষেত্র
থেকে প্রাপ্ত কনডেনসেট ব্যবহার করে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল উৎপাদনের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া
হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন