সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস লন্ডনে গিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের ট্রফি বুঝিয়ে দিয়ে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে এসেছেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মঙ্গলবার
জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ
প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি
এই মন্তব্য করেন। এ সময় বিরোধী
দলীয় সংসদ সদস্যদের তীব্র
হইচই ও প্রতিবাদের মুখে
পড়েন প্রতিমন্ত্রী।
সংসদ
অধিবেশনে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
বলেন, ১৯৭১, ১৯৯০ এবং ২৪’এর জুলাই-আগস্ট; এই তিনটি আন্দোলনের
ট্রফিই বিএনপির ঘরে। এ রকম ইতিহাস
শুধু বিএনপিরই আছে, অন্য কোনো
রাজনৈতিক দল তা দেখাতে
পারবে না।
আওয়ামী
লীগ ৭১ ও ৯০
সালের কথা বলতে পারবে,
কিন্তু ২৪’এর জুলাই-আগস্টের ট্রফি তাদের কাছে নেই। আবার
বর্তমান বিরোধীদলের বন্ধুরা ২৪’এর জুলাই-আগস্টের কথা বলতে পারলেও
৭১ ও ৯০ সালের
আন্দোলনের কৃতিত্ব দাবি করতে পারবেন
না।
প্রতিমন্ত্রীর
এই বক্তব্যের সময় বিরোধীদলের বেঞ্চ
থেকে জোরালো প্রতিবাদ শুরু হলে তিনি
আরও বলেন, বিরোধীদলের এমপিরা হইচই করতে পারেন,
তারা নব্বইয়ের কথা বলতে পারেন।
কিন্তু ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে
ঢাকঢোল পিটিয়ে তারাই আওয়ামী লীগের সাথে নির্বাচনে গিয়েছিলেন,
আমরা যাইনি।
তিনি
আরও বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে ছাত্র-জনতার সঙ্গে আমরা সবাই ছিলাম।
তবে ক্যাপ্টেন কে, সেটা অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ঠিকই চেনেন। এ কারণেই উনি
লন্ডনে গিয়ে আমাদের ক্যাপ্টেন
তারেক রহমানের কাছে ট্রফি দিয়ে
নির্বাচনের তারিখ নিয়ে এসেছেন। এতেই
প্রমাণিত হয় ছাত্র-জনতার
আন্দোলনের নেতৃত্বে মূল ভূমিকা কোন
দলের ও কোন নেতার
ছিলো।
প্রতিমন্ত্রী
মীর শাহে আলমের বক্তব্যের
পর ফ্লোর নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ
জানান বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে
ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর
রহমান।
তিনি
ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আজ
মাননীয় সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতিকে
ধন্যবাদ জানাতে গিয়ে আমাদের ‘জেরবার’
করে ফেলেছেন। এখানে অসংখ্য অসত্য তথ্য পরিবেশন করা
হয়েছে, যার দু-একটির
প্রতিবাদ স্পিকার আপনি নিজেও করেছেন।
আমাদের দাবি, সংসদে দাঁড়িয়ে কেউ যেন এমন
অসত্য তথ্য না দেন।
বিরোধীদলীয়
নেতা অবিলম্বে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে অসত্য তথ্যগুলো
‘এক্সপাঞ্চ’ করার দাবি জানান।
জবাবে
স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন
আহমদ বলেন, বক্তব্য পরীক্ষা করে দেখা হবে
এবং সেখানে কোনো অসংসদীয় বা
অসত্য তথ্য থাকলে তা
কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া
হবে।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস লন্ডনে গিয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের ট্রফি বুঝিয়ে দিয়ে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে এসেছেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
মঙ্গলবার
জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ
প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি
এই মন্তব্য করেন। এ সময় বিরোধী
দলীয় সংসদ সদস্যদের তীব্র
হইচই ও প্রতিবাদের মুখে
পড়েন প্রতিমন্ত্রী।
সংসদ
অধিবেশনে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম
বলেন, ১৯৭১, ১৯৯০ এবং ২৪’এর জুলাই-আগস্ট; এই তিনটি আন্দোলনের
ট্রফিই বিএনপির ঘরে। এ রকম ইতিহাস
শুধু বিএনপিরই আছে, অন্য কোনো
রাজনৈতিক দল তা দেখাতে
পারবে না।
আওয়ামী
লীগ ৭১ ও ৯০
সালের কথা বলতে পারবে,
কিন্তু ২৪’এর জুলাই-আগস্টের ট্রফি তাদের কাছে নেই। আবার
বর্তমান বিরোধীদলের বন্ধুরা ২৪’এর জুলাই-আগস্টের কথা বলতে পারলেও
৭১ ও ৯০ সালের
আন্দোলনের কৃতিত্ব দাবি করতে পারবেন
না।
প্রতিমন্ত্রীর
এই বক্তব্যের সময় বিরোধীদলের বেঞ্চ
থেকে জোরালো প্রতিবাদ শুরু হলে তিনি
আরও বলেন, বিরোধীদলের এমপিরা হইচই করতে পারেন,
তারা নব্বইয়ের কথা বলতে পারেন।
কিন্তু ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে
ঢাকঢোল পিটিয়ে তারাই আওয়ামী লীগের সাথে নির্বাচনে গিয়েছিলেন,
আমরা যাইনি।
তিনি
আরও বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে ছাত্র-জনতার সঙ্গে আমরা সবাই ছিলাম।
তবে ক্যাপ্টেন কে, সেটা অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ঠিকই চেনেন। এ কারণেই উনি
লন্ডনে গিয়ে আমাদের ক্যাপ্টেন
তারেক রহমানের কাছে ট্রফি দিয়ে
নির্বাচনের তারিখ নিয়ে এসেছেন। এতেই
প্রমাণিত হয় ছাত্র-জনতার
আন্দোলনের নেতৃত্বে মূল ভূমিকা কোন
দলের ও কোন নেতার
ছিলো।
প্রতিমন্ত্রী
মীর শাহে আলমের বক্তব্যের
পর ফ্লোর নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ
জানান বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে
ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর
রহমান।
তিনি
ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আজ
মাননীয় সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতিকে
ধন্যবাদ জানাতে গিয়ে আমাদের ‘জেরবার’
করে ফেলেছেন। এখানে অসংখ্য অসত্য তথ্য পরিবেশন করা
হয়েছে, যার দু-একটির
প্রতিবাদ স্পিকার আপনি নিজেও করেছেন।
আমাদের দাবি, সংসদে দাঁড়িয়ে কেউ যেন এমন
অসত্য তথ্য না দেন।
বিরোধীদলীয়
নেতা অবিলম্বে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে অসত্য তথ্যগুলো
‘এক্সপাঞ্চ’ করার দাবি জানান।
জবাবে
স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন
আহমদ বলেন, বক্তব্য পরীক্ষা করে দেখা হবে
এবং সেখানে কোনো অসংসদীয় বা
অসত্য তথ্য থাকলে তা
কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া
হবে।

আপনার মতামত লিখুন