করোনা ভ্যাকসিন আমদানিতে কোন অনিয়ম বা দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
সরকার
সর্বদা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত
করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে তিনি সংসদকে
জানান, ভ্যাকসিন ক্রয় ও সংরক্ষণ
বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ
মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে এখন
পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা
অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী
নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও সংসদকে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
মঙ্গলবার
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর
পর্বে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ
মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন
এ সব তথ্য তুলে ধরেন।
ফেনী-২ আসনের সংসদ
সদস্য জয়নাল আবদিনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, করোনা মহামারি মোকাবিলায় ভ্যাকসিনসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি আমদানিতে ২০২০-২১ অর্থবছর
থেকে এ পর্যন্ত মোট
৪ হাজার ৬৮৫ কোটি ২২
লাখ ২ হাজার ২৯৭
টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিলো।
সংসদে
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মোট
বরাদ্দ থেকে বিভিন্ন খাতে
ব্যয়ের মধ্যে রয়েছে, ভ্যাকসিন কেনায় ৪ হাজার ৩৯৪
কোটি ৮ লাখ ২৫
হাজার টাকা, সিরিঞ্জ কেনায় ৩০ কোটি ৮৮
লাখ ৮০ হাজার টাকা,
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে পরিবহনে ব্যয়
হয়েছে ১৯ কোটি ৫৭
লাখ ৩ হাজার ৩৫৪
টাকা এবং সিরিঞ্জ শিপিং
চার্জ ৯৯ লাখ ৭৮
হাজার ৯৮০ টাকা।
ভ্যাকসিন
আমদানিতে কোনো অনিয়ম বা
দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেলে
সরকার তা পর্যালোচনা করে
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে সংসদকে
আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী।
তিনি
সংসদকে জানান, ভ্যাকসিন ক্রয় ও সংরক্ষণ
বিষয়ে এখন পর্যন্ত স্বাস্থ্য
মন্ত্রণালয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ
জমা পড়েনি। তবে সরকার সর্বদা
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত
করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং কোনো অভিযোগ
পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংসদ
সদস্য ইকরামুল বারী টিপুর প্রশ্নের
জবাবে মন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন ও
জনবল সংকট দূর করতে
সরকার নতুন করে এক
লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে পর্যায়ক্রমে এই নিয়োগ কার্যক্রম
বাস্তবায়ন করা হবে বলে
সংসদকে অবিহিত করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
মন্ত্রী
আরও জানান, ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিসিএসের মাধ্যমে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, ৪৮তম বিসিএস থেকে
২ হাজার ৯৮৪ জন সহকারী
সার্জন ও ২৭৯ জন
ডেন্টাল সার্জন। ৪৪তম বিসিএস থেকে
১৮ জন সহকারী সার্জন
ও ২২ জন ডেন্টাল
সার্জন। ২৭তম বিসিএস থেকে
২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর ১৬২
জন সহকারী সার্জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বিগত
করোনা মৌসুমে সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে দেশ দ্রুত স্বাভাবিক
অবস্থায় ফিরতে সক্ষম হয়েছে বলেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংসদকে
অবহিত করেন।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
করোনা ভ্যাকসিন আমদানিতে কোন অনিয়ম বা দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
সরকার
সর্বদা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত
করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে তিনি সংসদকে
জানান, ভ্যাকসিন ক্রয় ও সংরক্ষণ
বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ
মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে এখন
পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা
অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী
নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও সংসদকে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
মঙ্গলবার
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর
পর্বে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ
মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন
এ সব তথ্য তুলে ধরেন।
ফেনী-২ আসনের সংসদ
সদস্য জয়নাল আবদিনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, করোনা মহামারি মোকাবিলায় ভ্যাকসিনসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি আমদানিতে ২০২০-২১ অর্থবছর
থেকে এ পর্যন্ত মোট
৪ হাজার ৬৮৫ কোটি ২২
লাখ ২ হাজার ২৯৭
টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিলো।
সংসদে
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মোট
বরাদ্দ থেকে বিভিন্ন খাতে
ব্যয়ের মধ্যে রয়েছে, ভ্যাকসিন কেনায় ৪ হাজার ৩৯৪
কোটি ৮ লাখ ২৫
হাজার টাকা, সিরিঞ্জ কেনায় ৩০ কোটি ৮৮
লাখ ৮০ হাজার টাকা,
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে পরিবহনে ব্যয়
হয়েছে ১৯ কোটি ৫৭
লাখ ৩ হাজার ৩৫৪
টাকা এবং সিরিঞ্জ শিপিং
চার্জ ৯৯ লাখ ৭৮
হাজার ৯৮০ টাকা।
ভ্যাকসিন
আমদানিতে কোনো অনিয়ম বা
দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেলে
সরকার তা পর্যালোচনা করে
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে সংসদকে
আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী।
তিনি
সংসদকে জানান, ভ্যাকসিন ক্রয় ও সংরক্ষণ
বিষয়ে এখন পর্যন্ত স্বাস্থ্য
মন্ত্রণালয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ
জমা পড়েনি। তবে সরকার সর্বদা
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত
করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং কোনো অভিযোগ
পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংসদ
সদস্য ইকরামুল বারী টিপুর প্রশ্নের
জবাবে মন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন ও
জনবল সংকট দূর করতে
সরকার নতুন করে এক
লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে পর্যায়ক্রমে এই নিয়োগ কার্যক্রম
বাস্তবায়ন করা হবে বলে
সংসদকে অবিহিত করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
মন্ত্রী
আরও জানান, ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিসিএসের মাধ্যমে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, ৪৮তম বিসিএস থেকে
২ হাজার ৯৮৪ জন সহকারী
সার্জন ও ২৭৯ জন
ডেন্টাল সার্জন। ৪৪তম বিসিএস থেকে
১৮ জন সহকারী সার্জন
ও ২২ জন ডেন্টাল
সার্জন। ২৭তম বিসিএস থেকে
২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর ১৬২
জন সহকারী সার্জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বিগত
করোনা মৌসুমে সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে দেশ দ্রুত স্বাভাবিক
অবস্থায় ফিরতে সক্ষম হয়েছে বলেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংসদকে
অবহিত করেন।

আপনার মতামত লিখুন