সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

উড়োজাহাজের জ্বালানির দাম ফের বাড়লো, অভ্যন্তরীণ রুটে বৃদ্ধি ১২%


প্রকাশ: ৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৬ পিএম

উড়োজাহাজের জ্বালানির দাম ফের বাড়লো, অভ্যন্তরীণ রুটে বৃদ্ধি ১২%

উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানির (জেট ফুয়েল) দাম দুই সপ্তাহের ব্যবধানে আবার বেড়েছে। অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ২০২ টাকা ২৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২২৭ টাকা পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। তাতে লিটার প্রতি দাম বেড়েছে ২৪ টাকা ৭৯ পয়সা।

আন্তর্জাতিক রুটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম দশমিক ৩২১৬ ডলার থেকে বাড়িয়ে দশমিক ৪৮০৬ ডলার করা হয়েছে। তাতে লিটারপ্রতি বেড়েছে ১৯ টাকার বেশি।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) মঙ্গলবার ( এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করেছে। নতুন দর মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার মধ্যে মার্চ মাসেই দুই দফা সমন্বয় করা হয়েছে জেট ফুয়েলের দাম।

বিইআরসি বলছে, ২৩ মার্চ থেকে এপ্রিল সময়ের আন্তর্জাতিক বাজার দর গড় প্ল্যাটস রেট ধরে এপ্রিল মাসের জন্য নতুন মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়েছে।

২৪ মার্চ বিইআরসি অভ্যন্তরীণরুটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২০২ টাকা ২৯ পয়সা নির্ধারণ করেছিলো। তাতে লিটারপ্রতি দাম বেড়ে যায় ৮৯ টাকা ৮৮ পয়সা।

সেদিন আন্তর্জাতিক রুটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম দশমিক ৭৩৮৪ ডলার থেকে বাড়িয়ে দশমিক ৩২১৬ ডলার নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ লিটারে বাড়ে ৭১ টাকার বেশি।

তার আগে মার্চ বিইআরসি মার্চ মাসের জন্য অভ্যন্তরীণ রুটে জেট ফুয়েলের দাম ৯৫ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১২ টাকা ৪১ পয়সা নির্ধারণ করেছিলো। আন্তর্জাতিক রুটে তখন দশমিক ৬২ ডলার থেকে বাড়িয়ে দশমিক ৭৩৮৪ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছিলো।

অভ্যন্তরীণ রুটে জেট ফুয়েলের দাম মার্চের শুরুতে নির্ধারিত দামের তুলনায় ৮০ শতাংশ বাড়ে। আন্তর্জাতিক রুটেও বৃদ্ধির হার কাছাকাছি ছিলো। সে তুলনায় এপ্রিলে অভ্যন্তরীণ রুটে বাড়লো প্রায় ১২ শতাংশ। আন্তর্জাতিক রুটেও প্রায় একই হারে বেড়েছে।

এর আগে জানুয়ারিতে অবশ্য জেট ফুয়েলের দাম কমিয়েছিলো বিইআরসি। জানুয়ারি কমিশন অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার দাম ১০৪ টাকা ৬১ পয়সা থেকে ৯৪ টাকা ৯৩ পয়সা এবং আন্তর্জাতিক রুটে ৬৮ সেন্ট থেকে ৬২ সেন্টে নামিয়ে আনে।

তখন বিইআরসি বলেছিলো, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই মূল্যহ্রাস করা হয়েছে। ইরানের ওপর ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পাল্টায় ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাচ্ছে ইরান। এই পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কা এবং এশিয়ার বাজারে জেট ফুয়েলের অস্থিরতায় মার্চে দাম অনেক বেড়ে যায়।

ওই মূল্যবৃদ্ধির পর এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এওএবি সিদ্ধান্তটিকেঅযৌক্তিকবলে আপত্তি জানিয়েছিলো। এপ্রিলে জেট ফুয়েলের নতুন এই দাম অভ্যন্তরীণ আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ পরিচালনার ব্যয় আরও বাড়াবে বলে খাতসংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬


উড়োজাহাজের জ্বালানির দাম ফের বাড়লো, অভ্যন্তরীণ রুটে বৃদ্ধি ১২%

প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানির (জেট ফুয়েল) দাম দুই সপ্তাহের ব্যবধানে আবার বেড়েছে। অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ২০২ টাকা ২৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২২৭ টাকা পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। তাতে লিটার প্রতি দাম বেড়েছে ২৪ টাকা ৭৯ পয়সা।

আন্তর্জাতিক রুটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম দশমিক ৩২১৬ ডলার থেকে বাড়িয়ে দশমিক ৪৮০৬ ডলার করা হয়েছে। তাতে লিটারপ্রতি বেড়েছে ১৯ টাকার বেশি।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) মঙ্গলবার ( এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করেছে। নতুন দর মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার মধ্যে মার্চ মাসেই দুই দফা সমন্বয় করা হয়েছে জেট ফুয়েলের দাম।

বিইআরসি বলছে, ২৩ মার্চ থেকে এপ্রিল সময়ের আন্তর্জাতিক বাজার দর গড় প্ল্যাটস রেট ধরে এপ্রিল মাসের জন্য নতুন মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়েছে।

২৪ মার্চ বিইআরসি অভ্যন্তরীণরুটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২০২ টাকা ২৯ পয়সা নির্ধারণ করেছিলো। তাতে লিটারপ্রতি দাম বেড়ে যায় ৮৯ টাকা ৮৮ পয়সা।

সেদিন আন্তর্জাতিক রুটে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম দশমিক ৭৩৮৪ ডলার থেকে বাড়িয়ে দশমিক ৩২১৬ ডলার নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ লিটারে বাড়ে ৭১ টাকার বেশি।

তার আগে মার্চ বিইআরসি মার্চ মাসের জন্য অভ্যন্তরীণ রুটে জেট ফুয়েলের দাম ৯৫ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১২ টাকা ৪১ পয়সা নির্ধারণ করেছিলো। আন্তর্জাতিক রুটে তখন দশমিক ৬২ ডলার থেকে বাড়িয়ে দশমিক ৭৩৮৪ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছিলো।

অভ্যন্তরীণ রুটে জেট ফুয়েলের দাম মার্চের শুরুতে নির্ধারিত দামের তুলনায় ৮০ শতাংশ বাড়ে। আন্তর্জাতিক রুটেও বৃদ্ধির হার কাছাকাছি ছিলো। সে তুলনায় এপ্রিলে অভ্যন্তরীণ রুটে বাড়লো প্রায় ১২ শতাংশ। আন্তর্জাতিক রুটেও প্রায় একই হারে বেড়েছে।

এর আগে জানুয়ারিতে অবশ্য জেট ফুয়েলের দাম কমিয়েছিলো বিইআরসি। জানুয়ারি কমিশন অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার দাম ১০৪ টাকা ৬১ পয়সা থেকে ৯৪ টাকা ৯৩ পয়সা এবং আন্তর্জাতিক রুটে ৬৮ সেন্ট থেকে ৬২ সেন্টে নামিয়ে আনে।

তখন বিইআরসি বলেছিলো, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই মূল্যহ্রাস করা হয়েছে। ইরানের ওপর ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পাল্টায় ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাচ্ছে ইরান। এই পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কা এবং এশিয়ার বাজারে জেট ফুয়েলের অস্থিরতায় মার্চে দাম অনেক বেড়ে যায়।

ওই মূল্যবৃদ্ধির পর এভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এওএবি সিদ্ধান্তটিকেঅযৌক্তিকবলে আপত্তি জানিয়েছিলো। এপ্রিলে জেট ফুয়েলের নতুন এই দাম অভ্যন্তরীণ আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ পরিচালনার ব্যয় আরও বাড়াবে বলে খাতসংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত