সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সুন্দরবনে ৬১ দস্যু আটক, ৮০ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার


প্রতিনিধি, শরণখোলা (বাগেরহাট)
প্রতিনিধি, শরণখোলা (বাগেরহাট)
প্রকাশ: ৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০০ পিএম

সুন্দরবনে ৬১ দস্যু আটক, ৮০ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
ছবি : সংবাদ

উপকূলীয় এলাকা ও সুন্দরবনে দস্যু দমনে গত ১৮ মাসে বেশ কিছু সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময়ে পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন দস্যুবাহিনীর ৬১ জন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ৮০টি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ।

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন (মোংলা) থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, গত ১৮ মাসে সুন্দরবনের কুখ্যাত করিম শরীফ বাহিনী, নানো ভাই বাহিনী, ছোট সুমন বাহিনী, আলিফ বাহিনী ও আসাফুর বাহিনীর বিভিন্ন আস্তানায় হানা দেওয়া হয়েছে। এসব অভিযানে দস্যুদের হাত থেকে জিম্মি অবস্থায় ৭৮ জন জেলে ও ৩ জন পর্যটককে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় দস্যুদের বেশ কিছু আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে কোস্টগার্ড।

অভিযানে উদ্ধার করা আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদের মধ্যে রয়েছে ৮০টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৯৯ রাউন্ড তাজা গুলি, ৩০৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও ১ হাজার ৯৫০ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি।

কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আলম সুজন বলেন, সুন্দরবনের প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবিলা করে বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্টগার্ড সদস্যরা নিরলস কাজ করছেন। বনকে পুরোপুরি দস্যুমুক্ত করতে বিশেষ অভিযান (কম্বিং অপারেশন) অব্যাহত থাকবে।

সাম্প্রতিক সময়ে দস্যুদের অপতৎপরতা বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, দস্যুদের অবস্থান ও গোপন তৎপরতা সম্পর্কে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সুন্দরবনের নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে কোস্টগার্ডের কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬


সুন্দরবনে ৬১ দস্যু আটক, ৮০ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

উপকূলীয় এলাকা ও সুন্দরবনে দস্যু দমনে গত ১৮ মাসে বেশ কিছু সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময়ে পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন দস্যুবাহিনীর ৬১ জন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ৮০টি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ।

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন (মোংলা) থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, গত ১৮ মাসে সুন্দরবনের কুখ্যাত করিম শরীফ বাহিনী, নানো ভাই বাহিনী, ছোট সুমন বাহিনী, আলিফ বাহিনী ও আসাফুর বাহিনীর বিভিন্ন আস্তানায় হানা দেওয়া হয়েছে। এসব অভিযানে দস্যুদের হাত থেকে জিম্মি অবস্থায় ৭৮ জন জেলে ও ৩ জন পর্যটককে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় দস্যুদের বেশ কিছু আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে কোস্টগার্ড।

অভিযানে উদ্ধার করা আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদের মধ্যে রয়েছে ৮০টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৯৯ রাউন্ড তাজা গুলি, ৩০৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও ১ হাজার ৯৫০ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি।

কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আলম সুজন বলেন, সুন্দরবনের প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবিলা করে বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্টগার্ড সদস্যরা নিরলস কাজ করছেন। বনকে পুরোপুরি দস্যুমুক্ত করতে বিশেষ অভিযান (কম্বিং অপারেশন) অব্যাহত থাকবে।

সাম্প্রতিক সময়ে দস্যুদের অপতৎপরতা বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, দস্যুদের অবস্থান ও গোপন তৎপরতা সম্পর্কে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সুন্দরবনের নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে কোস্টগার্ডের কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত