ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিনে আইনপ্রনয়ণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রহিতকরণসহ মোট ১২টি গুরুত্বপূর্ণ বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
স্পিকারের
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে সংশ্লিষ্ট
মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও তাদের পক্ষে
প্রতিমন্ত্রীরা বিলগুলো উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে সেগুলো
পাস হয়। সংসদীয় কার্যক্রমের
এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে বিচার বিভাগ
ও প্রশাসনিক সংস্কার সংক্রান্ত বিলগুলো নিয়ে ব্যাপক আলোচনা
হয়।
পাস
হওয়া বিলগুলোর মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা
৯টি অধ্যাদেশকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই
অবিকল রেখে বিলে রূপান্তর
করা হয়েছে। এর পাশাপাশি দুটি
অধ্যাদেশ রহিত করে নতুন
বিল পাস করা হয়।
বিশেষ করে ‘জাতীয় মানবাধিকার
কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ রহিত করে ২০০৯
সালের মূল আইনটি পুনরায়
কার্যকর করার লক্ষ্যে ‘জাতীয়
মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল,
২০২৬’ পাস করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে মানবাধিকার কমিশনের আইনি কাঠামোটি আগের
অবস্থানে ফিরে গেলো।
সংসদের
অধিবেশনে পাস হওয়া অন্যান্য
বিলগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) বিল, বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী
কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) বিল এবং শেখ
হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট
(সংশোধন) বিল।
এছাড়াও
জ্বালানি খাতের শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) বিল এবং সরকারি
কেনাকাটায় স্বচ্ছতা আনতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট
(সংশোধন) বিল পাস হয়।
বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী সংশোধন
বিল এবং শ্রম সংশোধন
বিল পাসের মাধ্যমে শ্রমিক ও প্রবাসীদের অধিকার
সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে ইউনিয়ন পরিষদ
সংশোধন বিল এবং সাধারণ
মানুষের বিচারপ্রাপ্তি সহজ করতে আইনগত
সহায়তা প্রদান সংশোধন বিলটিও আজ অনুমোদন পেয়েছে।
সবচেয়ে
আলোচিত বিষয় ছিলো বিচার
বিভাগ সংক্রান্ত বিল দুটি। ‘সুপ্রিম
কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এবং ‘সুপ্রিম কোর্ট
সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’ পাসের
মাধ্যমে উচ্চ আদালতের বিচারক
নিয়োগ প্রক্রিয়া ও প্রশাসনিক কাঠামোতে
বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বিলগুলো
পাসের সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা
জানান, রাষ্ট্রীয় কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং আইনি জটিলতা
নিরসনে এই পদক্ষেপগুলো অত্যন্ত
জরুরি ছিলো। সংসদীয় রীতি অনুযায়ী বিলগুলো
পাসের পর এখন তা
রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পাঠানো হবে।
এর মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ আইনি সংস্কারগুলো স্থায়ী
রূপ পেলো।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিনে আইনপ্রনয়ণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রহিতকরণসহ মোট ১২টি গুরুত্বপূর্ণ বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
স্পিকারের
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে সংশ্লিষ্ট
মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও তাদের পক্ষে
প্রতিমন্ত্রীরা বিলগুলো উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে সেগুলো
পাস হয়। সংসদীয় কার্যক্রমের
এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে বিচার বিভাগ
ও প্রশাসনিক সংস্কার সংক্রান্ত বিলগুলো নিয়ে ব্যাপক আলোচনা
হয়।
পাস
হওয়া বিলগুলোর মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা
৯টি অধ্যাদেশকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই
অবিকল রেখে বিলে রূপান্তর
করা হয়েছে। এর পাশাপাশি দুটি
অধ্যাদেশ রহিত করে নতুন
বিল পাস করা হয়।
বিশেষ করে ‘জাতীয় মানবাধিকার
কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ রহিত করে ২০০৯
সালের মূল আইনটি পুনরায়
কার্যকর করার লক্ষ্যে ‘জাতীয়
মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল,
২০২৬’ পাস করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে মানবাধিকার কমিশনের আইনি কাঠামোটি আগের
অবস্থানে ফিরে গেলো।
সংসদের
অধিবেশনে পাস হওয়া অন্যান্য
বিলগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) বিল, বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী
কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) বিল এবং শেখ
হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট
(সংশোধন) বিল।
এছাড়াও
জ্বালানি খাতের শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) বিল এবং সরকারি
কেনাকাটায় স্বচ্ছতা আনতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট
(সংশোধন) বিল পাস হয়।
বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী সংশোধন
বিল এবং শ্রম সংশোধন
বিল পাসের মাধ্যমে শ্রমিক ও প্রবাসীদের অধিকার
সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে ইউনিয়ন পরিষদ
সংশোধন বিল এবং সাধারণ
মানুষের বিচারপ্রাপ্তি সহজ করতে আইনগত
সহায়তা প্রদান সংশোধন বিলটিও আজ অনুমোদন পেয়েছে।
সবচেয়ে
আলোচিত বিষয় ছিলো বিচার
বিভাগ সংক্রান্ত বিল দুটি। ‘সুপ্রিম
কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এবং ‘সুপ্রিম কোর্ট
সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’ পাসের
মাধ্যমে উচ্চ আদালতের বিচারক
নিয়োগ প্রক্রিয়া ও প্রশাসনিক কাঠামোতে
বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বিলগুলো
পাসের সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা
জানান, রাষ্ট্রীয় কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং আইনি জটিলতা
নিরসনে এই পদক্ষেপগুলো অত্যন্ত
জরুরি ছিলো। সংসদীয় রীতি অনুযায়ী বিলগুলো
পাসের পর এখন তা
রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পাঠানো হবে।
এর মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ আইনি সংস্কারগুলো স্থায়ী
রূপ পেলো।

আপনার মতামত লিখুন