প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের একটি প্রতিনিধিদল। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
অস্ট্রেলিয়ার
পার্লামেন্টের হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের
স্পিকার মিল্টন ডিক এই প্রতিনিধিদলের
নেতৃত্ব দেন। বৈঠকে দুই
দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিরা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে খোলামেলা
আলোচনা করেন।
সাক্ষাতে
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘদিনের
বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করে
দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বৃদ্ধির ওপর
জোর দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে দুই দেশের বাণিজ্যিক
ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে
যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্পিকার মিল্টন ডিক বাংলাদেশের বর্তমান
উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে
উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে পাশে থাকার অঙ্গীকার
পুনব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর
ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি বৈঠকের বিষয়টি
নিশ্চিত করে জানান, সাক্ষাতে
শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির
ক্ষেত্রে দুই দেশের যৌথভাবে
কাজ করার সুযোগ নিয়ে
বিস্তারিত আলোচনা হয়। এই সফর
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার দ্বিপক্ষীয়
সম্পর্কে এক নতুন মাইলফলক
হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের একটি প্রতিনিধিদল। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
অস্ট্রেলিয়ার
পার্লামেন্টের হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের
স্পিকার মিল্টন ডিক এই প্রতিনিধিদলের
নেতৃত্ব দেন। বৈঠকে দুই
দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিরা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে খোলামেলা
আলোচনা করেন।
সাক্ষাতে
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘদিনের
বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করে
দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বৃদ্ধির ওপর
জোর দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে দুই দেশের বাণিজ্যিক
ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে
যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্পিকার মিল্টন ডিক বাংলাদেশের বর্তমান
উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে
উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে পাশে থাকার অঙ্গীকার
পুনব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর
ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি বৈঠকের বিষয়টি
নিশ্চিত করে জানান, সাক্ষাতে
শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির
ক্ষেত্রে দুই দেশের যৌথভাবে
কাজ করার সুযোগ নিয়ে
বিস্তারিত আলোচনা হয়। এই সফর
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার দ্বিপক্ষীয়
সম্পর্কে এক নতুন মাইলফলক
হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন