জাতীয় সংসদে বিরোধীদলের তীব্র আপত্তি ও বাদানুবাদের মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তিনটি অধ্যাদেশ রহিত করে দুটি পৃথক বিল পাস করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে আইন, বিচার ও
সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ‘সুপ্রিম
কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’ এবং
‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন
করলে সংসদ উত্তপ্ত হয়ে
ওঠে।
পাস
হওয়া বিল দুটির মাধ্যমে
‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫’, ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এবং ‘সুপ্রিম কোর্ট
সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে রহিত করা হয়েছে।
সংসদীয় বিশেষ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া
হলেও এর বিরোধিতা করে
রাজপথের সরব বিরোধী দলগুলো
সংসদেও ক্ষোভ উগরে দেয়।
বিলের
বিরোধিতা করে রংপুর-৪
আসনের সংসদ সদস্য আখতার
হোসেন ফ্লোর নিয়ে আইনমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে
কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, ‘এমন
একটি অধ্যাদেশ রহিত করা হচ্ছে
যে, এ নিয়ে আইনমন্ত্রী
আর পাঁচ মিনিট কথা
বললে তিনি নিজেই আত্মগ্লানিতে
ভুগবেন।’
তার
এই বক্তব্যে সংসদ কক্ষে সাময়িক
উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অন্যদিকে এর
আগে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ রহিত করার সময়ও
আপত্তি জানান কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ
সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
বিরোধীদলের
সদস্যদের এসব যুক্তি ও
আপত্তির মুখেও সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে
ও সমর্থনে বিলগুলো একে একে পাস
হতে থাকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বাদশ দিনের এই অধিবেশনে দুপুরের
বিরতির আগ পর্যন্ত মোট
১২টি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হয়।
এর মধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন, সরকারি ক্রয় এবং শ্রম
আইন সংশোধন সংক্রান্ত বিলগুলোও অন্তর্ভুক্ত ছিল। বিরোধী দলের
তুমুল আপত্তির মুখেও অধ্যাদেশ রহিতকরণের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় বড়
ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটলো বর্তমান
সংসদ।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদে বিরোধীদলের তীব্র আপত্তি ও বাদানুবাদের মধ্য দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তিনটি অধ্যাদেশ রহিত করে দুটি পৃথক বিল পাস করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে আইন, বিচার ও
সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ‘সুপ্রিম
কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’ এবং
‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন
করলে সংসদ উত্তপ্ত হয়ে
ওঠে।
পাস
হওয়া বিল দুটির মাধ্যমে
‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫’, ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এবং ‘সুপ্রিম কোর্ট
সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে রহিত করা হয়েছে।
সংসদীয় বিশেষ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া
হলেও এর বিরোধিতা করে
রাজপথের সরব বিরোধী দলগুলো
সংসদেও ক্ষোভ উগরে দেয়।
বিলের
বিরোধিতা করে রংপুর-৪
আসনের সংসদ সদস্য আখতার
হোসেন ফ্লোর নিয়ে আইনমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে
কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, ‘এমন
একটি অধ্যাদেশ রহিত করা হচ্ছে
যে, এ নিয়ে আইনমন্ত্রী
আর পাঁচ মিনিট কথা
বললে তিনি নিজেই আত্মগ্লানিতে
ভুগবেন।’
তার
এই বক্তব্যে সংসদ কক্ষে সাময়িক
উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অন্যদিকে এর
আগে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ রহিত করার সময়ও
আপত্তি জানান কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ
সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
বিরোধীদলের
সদস্যদের এসব যুক্তি ও
আপত্তির মুখেও সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে
ও সমর্থনে বিলগুলো একে একে পাস
হতে থাকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বাদশ দিনের এই অধিবেশনে দুপুরের
বিরতির আগ পর্যন্ত মোট
১২টি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হয়।
এর মধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন, সরকারি ক্রয় এবং শ্রম
আইন সংশোধন সংক্রান্ত বিলগুলোও অন্তর্ভুক্ত ছিল। বিরোধী দলের
তুমুল আপত্তির মুখেও অধ্যাদেশ রহিতকরণের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় বড়
ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটলো বর্তমান
সংসদ।

আপনার মতামত লিখুন