বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় পিছিয়ে আগামী ১৮ মে দিন ধার্য করেছে আদালত। এ নিয়ে ৯৪ বারের মত পেছালো চাঞ্চল্যকর এ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন।
ঢাকার
অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
জশিতা ইসলামের আদালতে মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল
বৃহস্পতিবার। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান প্রতিবেদন দাখিল
করতে পারেননি। এ জন্য আদালত প্রতিবেদন
দাখিলের দিন পিছিয়ে ১৮
মে রাখেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান এ
তথ্য নিশ্চিত করেন।
২০১৬
সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সুইফট
কোডের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের
৮ কোটি ১০ লাখ
ডলার চুরি করে নেয়
হ্যাকাররা। স্থানান্তরিত এসব টাকা পাঠানো
হয় ফিলিপিন্সে।
দেশের
অভ্যন্তরেরই কোনো একটি চক্রের
সহায়তায় হ্যাকাররা এই অর্থ পাচার
করেছে বলে তখন ধারণা
করেছিলেন সংশ্লিষ্টরা। পরে ওই বছরের
১৫ মার্চ রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের
অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা। অর্থপাচার
প্রতিরোধ আইনের ওই মামলায় সরাসরি
কাউকে আসামি করা হয়নি। মামলাটি
তদন্ত করছে সিআইডি। কিন্তু
দফায় দফায় সময় নিয়েও
তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারেনি সংস্থাটি।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের খোয়া যাওয়া ৮
কোটি ১০ লাখ ডলার
ফিলিপিন্সের মুদ্রা পেসোর আকারে দেশটির রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি) এর মাধ্যমে চলে
যায় তিনটি ক্যাসিনোতে। এর মধ্যে একটি
ক্যাসিনোর মালিকের কাছ থেকে দেড়
কোটি ডলার উদ্ধার করে
ফিলিপিন্স সরকার বাংলাদেশকে বুঝিয়ে দিলেও বাকি ৬ কোটি
৬৪ লাখ ডলার আর
পাওয়া যায়নি।
রিজার্ভ
চুরির তিন বছর পর
২০১৯ সালে ওই অর্থ
উদ্ধারের আশায় নিউ ইয়র্কের
ম্যানহাটন ‘সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে’ আরসিবিসির বিরুদ্ধে একটি মামলা করে
বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই মামলা খারিজে
আবেদন করে আরসিবিসি।
২০২২
সালের এপ্রিলে নিউ ইয়র্কের আদালত
বাংলাদেশ ব্যাংকের মামলাটি খারিজ করে দেয়। রায়ে
বলা হয়, ওই মামলা
বিচারের ‘পর্যাপ্ত এখতিয়ার’ ওই আদালতের নেই।
এরপর বাংলাদেশ বাংকের পক্ষ থেকে নিউ
ইয়র্কের ‘এখতিয়ারভুক্ত’ আদালতে মামলা করা হয় বলে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তরফ থেকে জানানো
হয়েছিলো।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় পিছিয়ে আগামী ১৮ মে দিন ধার্য করেছে আদালত। এ নিয়ে ৯৪ বারের মত পেছালো চাঞ্চল্যকর এ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন।
ঢাকার
অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
জশিতা ইসলামের আদালতে মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল
বৃহস্পতিবার। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান প্রতিবেদন দাখিল
করতে পারেননি। এ জন্য আদালত প্রতিবেদন
দাখিলের দিন পিছিয়ে ১৮
মে রাখেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান এ
তথ্য নিশ্চিত করেন।
২০১৬
সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সুইফট
কোডের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের
৮ কোটি ১০ লাখ
ডলার চুরি করে নেয়
হ্যাকাররা। স্থানান্তরিত এসব টাকা পাঠানো
হয় ফিলিপিন্সে।
দেশের
অভ্যন্তরেরই কোনো একটি চক্রের
সহায়তায় হ্যাকাররা এই অর্থ পাচার
করেছে বলে তখন ধারণা
করেছিলেন সংশ্লিষ্টরা। পরে ওই বছরের
১৫ মার্চ রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের
অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা। অর্থপাচার
প্রতিরোধ আইনের ওই মামলায় সরাসরি
কাউকে আসামি করা হয়নি। মামলাটি
তদন্ত করছে সিআইডি। কিন্তু
দফায় দফায় সময় নিয়েও
তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারেনি সংস্থাটি।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের খোয়া যাওয়া ৮
কোটি ১০ লাখ ডলার
ফিলিপিন্সের মুদ্রা পেসোর আকারে দেশটির রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি) এর মাধ্যমে চলে
যায় তিনটি ক্যাসিনোতে। এর মধ্যে একটি
ক্যাসিনোর মালিকের কাছ থেকে দেড়
কোটি ডলার উদ্ধার করে
ফিলিপিন্স সরকার বাংলাদেশকে বুঝিয়ে দিলেও বাকি ৬ কোটি
৬৪ লাখ ডলার আর
পাওয়া যায়নি।
রিজার্ভ
চুরির তিন বছর পর
২০১৯ সালে ওই অর্থ
উদ্ধারের আশায় নিউ ইয়র্কের
ম্যানহাটন ‘সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে’ আরসিবিসির বিরুদ্ধে একটি মামলা করে
বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই মামলা খারিজে
আবেদন করে আরসিবিসি।
২০২২
সালের এপ্রিলে নিউ ইয়র্কের আদালত
বাংলাদেশ ব্যাংকের মামলাটি খারিজ করে দেয়। রায়ে
বলা হয়, ওই মামলা
বিচারের ‘পর্যাপ্ত এখতিয়ার’ ওই আদালতের নেই।
এরপর বাংলাদেশ বাংকের পক্ষ থেকে নিউ
ইয়র্কের ‘এখতিয়ারভুক্ত’ আদালতে মামলা করা হয় বলে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তরফ থেকে জানানো
হয়েছিলো।

আপনার মতামত লিখুন