ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোলপ্লাজায় ৬ জনের প্রাণহানির মামলা পুনরায় তদন্তে সিআইডি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তাজুল ইসলাম সোহাগ। বাদীপক্ষের আইনজীবী রিপন হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
২০২৪
সালের ২৭ ডিসেম্বর বেলা
সোয়া ১১টার দিকে ধলেশ্বরী টোলপ্লাজায়
দাঁড়িয়ে থাকা একটি প্রাইভেটকার
ও একটি মোটরসাইকেলকে সজোরে
ধাক্কা দেয় বেপারী পরিবহনের
একটি বাস। এতে একই
পরিবারের চারজনসহ দুটি বাহনের ৬
জনের প্রাণ যায়। আহত হন
চারজন।
নিহতরা
হলেন: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের নন্দনকোনা গ্রামের ইকবাল হোসেনের স্ত্রী আমেনা আক্তার (৪৫), তার বড়
মেয়ে ইসরাত জাহান (২৬), ছোট মেয়ে
রিহা মনি (১১), ইসরাত
জাহানের ছেলে আইয়াজ হোসেন
(২) এবং মোটরসাইকেল চালক
সুমন মিয়ার স্ত্রী নিপা আক্তার রেশমা
(২৬) ও তাদের ৭
বছরের ছেলে মো. আবদুল্লাহ।
ঘটনার
পরদিন আমেনা আক্তারের ভাই নুরুল আমিন
দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় সড়ক পরিবহন আইনে
মামলা করেন। বাসটির চালক নুর উদ্দিন
(২৯), বাস মালিক মোস্তফা
রাঢ়ী (৬৫) ও তার
ছেলে পারভেজ রাঢ়ী (২৭) এবং বেপারী
পরিবহনের ব্যানার ব্যবহারকারী ডাবলু বেপারীকে (৪৭) অভিযুক্ত করে
গত ২৮ অক্টোবর অভিযোগপত্র
জমা দেন মুন্সীগঞ্জের হাসাড়া
হাইওয়ে থানার এসআই আব্দুর রহমান।
তবে
পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে অসন্তুষ্ট হন মামলার বাদী
নুরুল আমিন। তিনি এ প্রতিবেদনের
বিরুদ্ধে গত ১৮ ডিসেম্বর
নারাজি দাখিল করেন।
আইনজীবী
রিপন হোসেন জানান,‘নারাজির বিষয়ে শুনানি হয়েছে। আদালত মামলাটা সিআইডি পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।’

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোলপ্লাজায় ৬ জনের প্রাণহানির মামলা পুনরায় তদন্তে সিআইডি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তাজুল ইসলাম সোহাগ। বাদীপক্ষের আইনজীবী রিপন হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
২০২৪
সালের ২৭ ডিসেম্বর বেলা
সোয়া ১১টার দিকে ধলেশ্বরী টোলপ্লাজায়
দাঁড়িয়ে থাকা একটি প্রাইভেটকার
ও একটি মোটরসাইকেলকে সজোরে
ধাক্কা দেয় বেপারী পরিবহনের
একটি বাস। এতে একই
পরিবারের চারজনসহ দুটি বাহনের ৬
জনের প্রাণ যায়। আহত হন
চারজন।
নিহতরা
হলেন: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের নন্দনকোনা গ্রামের ইকবাল হোসেনের স্ত্রী আমেনা আক্তার (৪৫), তার বড়
মেয়ে ইসরাত জাহান (২৬), ছোট মেয়ে
রিহা মনি (১১), ইসরাত
জাহানের ছেলে আইয়াজ হোসেন
(২) এবং মোটরসাইকেল চালক
সুমন মিয়ার স্ত্রী নিপা আক্তার রেশমা
(২৬) ও তাদের ৭
বছরের ছেলে মো. আবদুল্লাহ।
ঘটনার
পরদিন আমেনা আক্তারের ভাই নুরুল আমিন
দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় সড়ক পরিবহন আইনে
মামলা করেন। বাসটির চালক নুর উদ্দিন
(২৯), বাস মালিক মোস্তফা
রাঢ়ী (৬৫) ও তার
ছেলে পারভেজ রাঢ়ী (২৭) এবং বেপারী
পরিবহনের ব্যানার ব্যবহারকারী ডাবলু বেপারীকে (৪৭) অভিযুক্ত করে
গত ২৮ অক্টোবর অভিযোগপত্র
জমা দেন মুন্সীগঞ্জের হাসাড়া
হাইওয়ে থানার এসআই আব্দুর রহমান।
তবে
পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে অসন্তুষ্ট হন মামলার বাদী
নুরুল আমিন। তিনি এ প্রতিবেদনের
বিরুদ্ধে গত ১৮ ডিসেম্বর
নারাজি দাখিল করেন।
আইনজীবী
রিপন হোসেন জানান,‘নারাজির বিষয়ে শুনানি হয়েছে। আদালত মামলাটা সিআইডি পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন