সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

ঢেলে সাজানো হচ্ছে ঢাকা মহানগর বিএনপি


মহসীন ইসলাম টুটুল
মহসীন ইসলাম টুটুল
প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম

ঢেলে সাজানো হচ্ছে ঢাকা মহানগর বিএনপি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় জয়ের পর এবার সাংগঠনিক কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিশেষ করে রাজধানীর রাজনীতিকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে নতুন নেতৃত্ব আনার তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের বৈঠকের পর বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

দলীয় সূত্র বলছে, সাংগঠনিক কাঠামো আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে মহানগর পর্যায়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের নির্দেশনা এসেছে। এর অংশ হিসেবে উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপিকে ঢেলে সাজানোর প্রস্তুতি চলছে। কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের আগেই এই কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজস্ব চ্যানেলের মাধ্যমে সম্ভাব্য নেতৃত্বের বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন বলে দলের হাইকমান্ড সূত্রে জানা গেছে। 

সূত্র বলছে, এবার কমিটি গঠনে তিনটি বিষয়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে, দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা, তৃণমূল পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা এবং বিতর্কমুক্ত ‘পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি’ বা ক্লিন ইমেজ। 

বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রিয় কার্যলয় ও গুলশান চেয়ারম্যানের অফিস সূত্রমতে, খুব শিগগির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে। যার কারণে উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির নেতারা শীর্ষ পদে দায়িত্বে আসতে দৌড়ঝাঁপ করছেন।

দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের তথ্যমতে, যারা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তাদেরকে নিজ এলাকায় কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সে ধারাবাহিকতায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি পদে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে আলোচিত নাম এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য হওয়ায় তৃণমূলের সঙ্গে 'নিবিড় যোগাযোগ' রয়েছে তার। সেদিক থেকে তিনি দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন। তবে তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন উত্তর বিএনপির পরিচিত মুখ আনারুজ্জামান আনোয়ার, তিনি কাউন্সিলর আনারুজ্জামান নামে পরিচিত। এ ছাড়া মামুন হাসান ও শফিকুল ইসলাম মিল্টনের নামও আলোচনায় রয়েছে।

সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন শামসুর রহমান শামসুর। তিনি 'রাজপথে সক্রিয়' থাকার অভিজ্ঞতায় এগিয়ে রয়েছেন। এই তালিকায় জগলুল পাভেল পাশার নামও রয়েছে। বিগত সময়ে রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হওয়ায় দলের মধ্যে তার প্রতি 'সহানুভূতি' রয়েছে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া ঢাকা উত্তরের বর্তমান সদস্য সচিব মোস্তফা জামান ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থী হিসেবে তাদের তৎপরতা চালাচ্ছেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি পদে একাধিক নেতার নাম আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সাবেক কাউন্সিলর হারুনুর রশিদ হারুন। তবে ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি পদে বর্তমান যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্নার নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে। সাংগঠনিক দক্ষতা এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতার কারণে নেতাকর্মীরা তাকে এই পদে দেখতে আগ্রহী। এ ছাড়া সাবেক আহ্বায়ক হাবিবুন নবী খান সোহেলের নামও আলোচনায় রয়েছে।

সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন তানভীর আহমেদ রবিন। সদস্য সচিব হিসেবে পূর্বের কাজের অভিজ্ঞতা তাকে আলোচনায় রেখেছে। যুবদলের রাজনীতি থেকে উঠে আসা খন্দকার এনাম ও গোলাম মাওলা শাহীনের নামও আলোচনায় রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই পদের জন্য আনম সাইফুল ইসলাম ও ফরহাদ হোসেনও দৌড়ঝাঁপ করছেন বলে দলীয় সূত্র বলছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, দলকে সাংগঠনিকভাবে চাঙা করতে যত দ্রুত সম্ভব কমিটি প্রকাশ করা হবে।

তিনি বলেন, ‘দল যোগ্য ও ত্যাগীদের নেতৃত্বে আনতে কাজ করছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দলের হাইকমান্ড।’ 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার ফলে দ্রুতই পুনর্গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং এবার অপেক্ষাকৃত তরুণ ও যোগ্যদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। 

দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান বলেছেন, দৈনন্দিন কার্যক্রম চালু রাখার পাশাপাশি দল চাঙা রাখতে নানা ধরনের বৈঠক ও সাংগঠনিক রদবদলের চিন্তা করা হচ্ছে। এ ছাড়া দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের কাছ থেকে ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।

ত্যাগী, দক্ষ সাংগঠনিক ও যোগ্যরা উত্তর বিএনপিতে এলে দলের শক্তি বাড়বে বলে মনে করেন ঢাকা উত্তর বিএনপির নেতা আনারুজ্জামান আনোয়ার। তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকেই শীর্ষ পদে রাখবেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সাবেক কাউন্সিলর হারুনুর রশিদ হারুন জানান, দল চাইলে দক্ষ সাংগঠনিক যারা, তাদের সামনে আনতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় পর্যায়ের আন্দোলন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় রাজধানীর এই দুই ইউনিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে দীর্ঘ আট বছর পর (২০১৬ সালের পর) কাউন্সিলের আগে এই পুনর্গঠন বিএনপির ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬


ঢেলে সাজানো হচ্ছে ঢাকা মহানগর বিএনপি

প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় জয়ের পর এবার সাংগঠনিক কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিশেষ করে রাজধানীর রাজনীতিকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে নতুন নেতৃত্ব আনার তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের বৈঠকের পর বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

দলীয় সূত্র বলছে, সাংগঠনিক কাঠামো আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে মহানগর পর্যায়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের নির্দেশনা এসেছে। এর অংশ হিসেবে উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপিকে ঢেলে সাজানোর প্রস্তুতি চলছে। কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের আগেই এই কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজস্ব চ্যানেলের মাধ্যমে সম্ভাব্য নেতৃত্বের বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন বলে দলের হাইকমান্ড সূত্রে জানা গেছে। 

সূত্র বলছে, এবার কমিটি গঠনে তিনটি বিষয়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে, দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা, তৃণমূল পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা এবং বিতর্কমুক্ত ‘পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি’ বা ক্লিন ইমেজ। 

বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রিয় কার্যলয় ও গুলশান চেয়ারম্যানের অফিস সূত্রমতে, খুব শিগগির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে। যার কারণে উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির নেতারা শীর্ষ পদে দায়িত্বে আসতে দৌড়ঝাঁপ করছেন।

দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের তথ্যমতে, যারা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তাদেরকে নিজ এলাকায় কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সে ধারাবাহিকতায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি পদে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে আলোচিত নাম এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য হওয়ায় তৃণমূলের সঙ্গে 'নিবিড় যোগাযোগ' রয়েছে তার। সেদিক থেকে তিনি দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন। তবে তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন উত্তর বিএনপির পরিচিত মুখ আনারুজ্জামান আনোয়ার, তিনি কাউন্সিলর আনারুজ্জামান নামে পরিচিত। এ ছাড়া মামুন হাসান ও শফিকুল ইসলাম মিল্টনের নামও আলোচনায় রয়েছে।

সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন শামসুর রহমান শামসুর। তিনি 'রাজপথে সক্রিয়' থাকার অভিজ্ঞতায় এগিয়ে রয়েছেন। এই তালিকায় জগলুল পাভেল পাশার নামও রয়েছে। বিগত সময়ে রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হওয়ায় দলের মধ্যে তার প্রতি 'সহানুভূতি' রয়েছে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া ঢাকা উত্তরের বর্তমান সদস্য সচিব মোস্তফা জামান ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থী হিসেবে তাদের তৎপরতা চালাচ্ছেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি পদে একাধিক নেতার নাম আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সাবেক কাউন্সিলর হারুনুর রশিদ হারুন। তবে ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি পদে বর্তমান যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্নার নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে। সাংগঠনিক দক্ষতা এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতার কারণে নেতাকর্মীরা তাকে এই পদে দেখতে আগ্রহী। এ ছাড়া সাবেক আহ্বায়ক হাবিবুন নবী খান সোহেলের নামও আলোচনায় রয়েছে।

সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন তানভীর আহমেদ রবিন। সদস্য সচিব হিসেবে পূর্বের কাজের অভিজ্ঞতা তাকে আলোচনায় রেখেছে। যুবদলের রাজনীতি থেকে উঠে আসা খন্দকার এনাম ও গোলাম মাওলা শাহীনের নামও আলোচনায় রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই পদের জন্য আনম সাইফুল ইসলাম ও ফরহাদ হোসেনও দৌড়ঝাঁপ করছেন বলে দলীয় সূত্র বলছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, দলকে সাংগঠনিকভাবে চাঙা করতে যত দ্রুত সম্ভব কমিটি প্রকাশ করা হবে।

তিনি বলেন, ‘দল যোগ্য ও ত্যাগীদের নেতৃত্বে আনতে কাজ করছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দলের হাইকমান্ড।’ 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার ফলে দ্রুতই পুনর্গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং এবার অপেক্ষাকৃত তরুণ ও যোগ্যদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। 

দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান বলেছেন, দৈনন্দিন কার্যক্রম চালু রাখার পাশাপাশি দল চাঙা রাখতে নানা ধরনের বৈঠক ও সাংগঠনিক রদবদলের চিন্তা করা হচ্ছে। এ ছাড়া দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের কাছ থেকে ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।

ত্যাগী, দক্ষ সাংগঠনিক ও যোগ্যরা উত্তর বিএনপিতে এলে দলের শক্তি বাড়বে বলে মনে করেন ঢাকা উত্তর বিএনপির নেতা আনারুজ্জামান আনোয়ার। তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকেই শীর্ষ পদে রাখবেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সাবেক কাউন্সিলর হারুনুর রশিদ হারুন জানান, দল চাইলে দক্ষ সাংগঠনিক যারা, তাদের সামনে আনতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় পর্যায়ের আন্দোলন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় রাজধানীর এই দুই ইউনিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে দীর্ঘ আট বছর পর (২০১৬ সালের পর) কাউন্সিলের আগে এই পুনর্গঠন বিএনপির ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত