মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় একাত্তরের বীর সেনানী অহিদুজ্জামান নাঈমের ওপর বর্বরোচিত হামলা ও পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।
শনিবার গজারিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি তোলেন।
এর আগে, গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন জিস্ট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে ৭২ বছর বয়সী ওই মুক্তিযোদ্ধার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতকারী।
সংবাদ সম্মেলনে গজারিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের কমান্ডার সিরাজুল ইসলাম পিন্টু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা অহিদুজ্জামান নাঈমের ওপর এই হামলার ঘটনা কেবল একজন ব্যক্তির ওপর নয়, বরং এটি পুরো মুক্তিযোদ্ধা সমাজের ওপর আঘাত।
তিনি অভিযোগ করেন, একটি কুচক্রী মহল অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালিয়েছে।
তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্পষ্টভাবে বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ বীরদের গায়ে হাত তোলার সাহস না পায়।
বক্তব্যের ধারাবাহিকতায় কমান্ডের সদস্য সচিব আব্দুল কাদির উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, যে মানুষটি জীবন বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছেন, আজ নিজ স্বাধীন দেশে তাকে পরিকল্পিত হামলার শিকার হতে হচ্ছে। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগের বিষয়।
একই সুরে যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির মিন্টু ও মো. মাহবুব আলম খান বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না এবং এর পেছনে থাকা কুচক্রী মহলের মুখোশ উন্মোচন করা এখন সময়ের দাবি।
তারা সাফ জানিয়ে দেন, বীরদের মর্যাদা রক্ষায় তারা প্রয়োজনে আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা নেতা আব্দুস সাত্তার ঢালী ও আব্দুল গাফফারসহ উপজেলার অন্যান্য নেতারা। তারা সম্মিলিত কণ্ঠে জানান, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। সম্মেলন শেষে বক্তারা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রকৃত দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। রণাঙ্গনের সহযোদ্ধার রক্ত ঝরার বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না বলেও হুঁশিয়ারি প্রদান করেন।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় একাত্তরের বীর সেনানী অহিদুজ্জামান নাঈমের ওপর বর্বরোচিত হামলা ও পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।
শনিবার গজারিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি তোলেন।
এর আগে, গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন জিস্ট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে ৭২ বছর বয়সী ওই মুক্তিযোদ্ধার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতকারী।
সংবাদ সম্মেলনে গজারিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের কমান্ডার সিরাজুল ইসলাম পিন্টু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা অহিদুজ্জামান নাঈমের ওপর এই হামলার ঘটনা কেবল একজন ব্যক্তির ওপর নয়, বরং এটি পুরো মুক্তিযোদ্ধা সমাজের ওপর আঘাত।
তিনি অভিযোগ করেন, একটি কুচক্রী মহল অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালিয়েছে।
তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্পষ্টভাবে বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ বীরদের গায়ে হাত তোলার সাহস না পায়।
বক্তব্যের ধারাবাহিকতায় কমান্ডের সদস্য সচিব আব্দুল কাদির উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, যে মানুষটি জীবন বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছেন, আজ নিজ স্বাধীন দেশে তাকে পরিকল্পিত হামলার শিকার হতে হচ্ছে। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগের বিষয়।
একই সুরে যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির মিন্টু ও মো. মাহবুব আলম খান বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না এবং এর পেছনে থাকা কুচক্রী মহলের মুখোশ উন্মোচন করা এখন সময়ের দাবি।
তারা সাফ জানিয়ে দেন, বীরদের মর্যাদা রক্ষায় তারা প্রয়োজনে আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা নেতা আব্দুস সাত্তার ঢালী ও আব্দুল গাফফারসহ উপজেলার অন্যান্য নেতারা। তারা সম্মিলিত কণ্ঠে জানান, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। সম্মেলন শেষে বক্তারা প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রকৃত দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। রণাঙ্গনের সহযোদ্ধার রক্ত ঝরার বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না বলেও হুঁশিয়ারি প্রদান করেন।

আপনার মতামত লিখুন