জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জোবায়দা রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন ও উচ্চফলনশীল জাতের সম্প্রসারণে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চুপারই এলাকায় কৃষক আয়েত আলীর বাড়ির আঙিনা সংলগ্ন বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে উৎপাদিত ‘কমল বীজ’ ধান উৎপাদন ও বীজ সংরক্ষণের কৌশল নিয়ে আয়োজিত এই সভায় প্রধানত চুক্তিবদ্ধ কৃষকদের সাথে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানের আগে সংগঠনের শীর্ষ কর্মকর্তারা সরাসরি মাঠে গিয়ে ধানখেত পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদের কাছ থেকে চাষাবাদের হাতেকলমে অভিজ্ঞতা শোনেন।
অনুষ্ঠানে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক (প্রোগ্রাম) খন্দকার মাহফুজুল বাচ্চুর নেতৃত্বে উপস্থিত হয়ে সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, কৃষকরাই আমাদের অর্থনীতির প্রাণ এবং তাদের হাতে মানসম্মত বীজ পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। ডা. জোবায়দা রহমানের নির্দেশনায় আমরা মাঠপর্যায়ে এই কার্যক্রম ছড়িয়ে দিচ্ছি যেন দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
ফাউন্ডেশনের পরিচালক খন্দকার মাহবুব আলম তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, কমল বীজ ধানের উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের সব ধরনের কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া প্রকৌশলী মাহবুব আলম বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে কৃষি ব্যবস্থাকে আরও টেকসই করতে হবে।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আশরাফুল হক এবং কৃষিবিদ ড. মো. আকিকুল ইসলাম আকিক বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে জানান, সঠিক পদ্ধতিতে বীজ সংরক্ষণ করতে পারলে কৃষকরা নিজেরাই নিজেদের বীজের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে ড. জাকির হোসেন এবং মোহাম্মদ আলী বীজের গুণগত মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অন্যদিকে ডাক্তার শফিকুল আহাদ সর্দার স্বপন এবং ফাউন্ডেশনের সদস্য প্রকৌশলী এনামুল হক কৃষকদের স্বাস্থ্য ও আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরেন। তৃণমূলের প্রতিনিধি হিসেবে কৃষক কামাল হোসেন শেখ ও ইব্রাহিম খান তাদের বক্তব্যে সরাসরি মাঠে এসে কর্মকর্তাদের খোঁজখবর নেওয়ার প্রশংসা করেন এবং কমল বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক ফলনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জোবায়দা রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন ও উচ্চফলনশীল জাতের সম্প্রসারণে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চুপারই এলাকায় কৃষক আয়েত আলীর বাড়ির আঙিনা সংলগ্ন বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে উৎপাদিত ‘কমল বীজ’ ধান উৎপাদন ও বীজ সংরক্ষণের কৌশল নিয়ে আয়োজিত এই সভায় প্রধানত চুক্তিবদ্ধ কৃষকদের সাথে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানের আগে সংগঠনের শীর্ষ কর্মকর্তারা সরাসরি মাঠে গিয়ে ধানখেত পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদের কাছ থেকে চাষাবাদের হাতেকলমে অভিজ্ঞতা শোনেন।
অনুষ্ঠানে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক (প্রোগ্রাম) খন্দকার মাহফুজুল বাচ্চুর নেতৃত্বে উপস্থিত হয়ে সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, কৃষকরাই আমাদের অর্থনীতির প্রাণ এবং তাদের হাতে মানসম্মত বীজ পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। ডা. জোবায়দা রহমানের নির্দেশনায় আমরা মাঠপর্যায়ে এই কার্যক্রম ছড়িয়ে দিচ্ছি যেন দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
ফাউন্ডেশনের পরিচালক খন্দকার মাহবুব আলম তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, কমল বীজ ধানের উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের সব ধরনের কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া প্রকৌশলী মাহবুব আলম বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে কৃষি ব্যবস্থাকে আরও টেকসই করতে হবে।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আশরাফুল হক এবং কৃষিবিদ ড. মো. আকিকুল ইসলাম আকিক বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে জানান, সঠিক পদ্ধতিতে বীজ সংরক্ষণ করতে পারলে কৃষকরা নিজেরাই নিজেদের বীজের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে ড. জাকির হোসেন এবং মোহাম্মদ আলী বীজের গুণগত মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অন্যদিকে ডাক্তার শফিকুল আহাদ সর্দার স্বপন এবং ফাউন্ডেশনের সদস্য প্রকৌশলী এনামুল হক কৃষকদের স্বাস্থ্য ও আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরেন। তৃণমূলের প্রতিনিধি হিসেবে কৃষক কামাল হোসেন শেখ ও ইব্রাহিম খান তাদের বক্তব্যে সরাসরি মাঠে এসে কর্মকর্তাদের খোঁজখবর নেওয়ার প্রশংসা করেন এবং কমল বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক ফলনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন