বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম বলেছেন, রাজশাহীর সিল্ক (রেশম) এর মান উন্নত ও কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে কাজ করছে সরকার। রেশম সুতা তৈরিতে উন্নত বিশ্বের প্রযুক্তি ও গবেষণা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ বছর রেশম সংশ্লিষ্ট গবেষণার জন্য ৯ লাখের পরিবর্তে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এদেশের প্রায় সাড়ে ১১ হাজার বসনীদের (রেশম চাষি) কৃষক কার্ডের আওতায় আনার কাজ চলছে।
আজ রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজনে ‘রাজশাহী
সিল্কের উন্নয়ন ও বাজারজাতকরণ’ বিষয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী
এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি রাজশাহীর রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, রেশম বোর্ডের
কারখানা পরিদর্শন করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রেশম চাষিদের সংখ্যা ও দক্ষতা বাড়াতে
প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে, যা সরকার প্রতিশ্রুত কর্মসংস্থান বাড়াতে সহায়ক হবে।
রেশম শিল্পকে বিশ্ব প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে চীন, জাপানের মতো
আমাদেরকেও গুটি থেকে পনেরশ’ মিটারের আশেপাশে সুতা বানাতে সক্ষম হতে হবে।
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক তৌফিক আল মাহমুদ,
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, বিভিন্ন
রেশম চাষি ও ব্যবসায়ীবৃন্দ, রেশম বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম বলেছেন, রাজশাহীর সিল্ক (রেশম) এর মান উন্নত ও কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে কাজ করছে সরকার। রেশম সুতা তৈরিতে উন্নত বিশ্বের প্রযুক্তি ও গবেষণা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ বছর রেশম সংশ্লিষ্ট গবেষণার জন্য ৯ লাখের পরিবর্তে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এদেশের প্রায় সাড়ে ১১ হাজার বসনীদের (রেশম চাষি) কৃষক কার্ডের আওতায় আনার কাজ চলছে।
আজ রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজনে ‘রাজশাহী
সিল্কের উন্নয়ন ও বাজারজাতকরণ’ বিষয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী
এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি রাজশাহীর রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, রেশম বোর্ডের
কারখানা পরিদর্শন করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রেশম চাষিদের সংখ্যা ও দক্ষতা বাড়াতে
প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে, যা সরকার প্রতিশ্রুত কর্মসংস্থান বাড়াতে সহায়ক হবে।
রেশম শিল্পকে বিশ্ব প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে চীন, জাপানের মতো
আমাদেরকেও গুটি থেকে পনেরশ’ মিটারের আশেপাশে সুতা বানাতে সক্ষম হতে হবে।
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক তৌফিক আল মাহমুদ,
জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, বিভিন্ন
রেশম চাষি ও ব্যবসায়ীবৃন্দ, রেশম বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন