জামিন পেলেন জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর লালবাগ থানায় করা একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিনি কারাগারে ছিলেন।
ঢাকার
চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন শুনানি শেষে এই আদেশ
প্রদান করেন। আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আজ
শুনানির সময় শিরীন শারমিন
চৌধুরীকে সশরীরে আদালতে হাজির করা হয়নি। তার
পক্ষে নিযুক্ত আইনজীবীরা আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের পক্ষে
যুক্তি উপস্থাপন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি
শেষে আদালত তার জামিন আবেদন
মঞ্জুর করার সিদ্ধান্ত নেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার
(৭ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টার
দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে
তাকে আটক করে ঢাকা
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আটকের
পর তাকে মিন্টো রোডের
ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে
লালবাগ থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা ও
ভাঙচুর মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। ওই
দিন শুনানির পর আদালত তার
রিমান্ড ও জামিন উভয়
আবেদনই নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে
পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
আদালত
সূত্রে আরও জানা যায়,
শিরীন শারমিন চৌধুরীর আইনজীবীরা শুনানিতে দাবি করেন, তিনি
অসুস্থ এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার
শিকার। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করলেও শুনানি শেষে বিচারক জামিনের
আদেশ দেন।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
জামিন পেলেন জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর লালবাগ থানায় করা একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিনি কারাগারে ছিলেন।
ঢাকার
চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন শুনানি শেষে এই আদেশ
প্রদান করেন। আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আজ
শুনানির সময় শিরীন শারমিন
চৌধুরীকে সশরীরে আদালতে হাজির করা হয়নি। তার
পক্ষে নিযুক্ত আইনজীবীরা আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের পক্ষে
যুক্তি উপস্থাপন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি
শেষে আদালত তার জামিন আবেদন
মঞ্জুর করার সিদ্ধান্ত নেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার
(৭ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টার
দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে
তাকে আটক করে ঢাকা
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আটকের
পর তাকে মিন্টো রোডের
ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে
লালবাগ থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা ও
ভাঙচুর মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। ওই
দিন শুনানির পর আদালত তার
রিমান্ড ও জামিন উভয়
আবেদনই নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে
পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
আদালত
সূত্রে আরও জানা যায়,
শিরীন শারমিন চৌধুরীর আইনজীবীরা শুনানিতে দাবি করেন, তিনি
অসুস্থ এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার
শিকার। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করলেও শুনানি শেষে বিচারক জামিনের
আদেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন