পহেলা বৈশাখের পুণ্যলগ্নে দেশের কৃষি খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় ডিজিটাল ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
টাঙ্গাইলের
শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি
এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। রবিবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন
কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ
এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রাথমিক
পর্যায়ে ২২ হাজার ৬৫
জন কৃষককে এই কার্ডের আওতায়
আনা হয়েছে। এতে মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ
খামারি, দুগ্ধ খামারি, ভূমিহীন, প্রান্তিক এবং ক্ষুদ্র থেকে
বড়, সব শ্রেণির কৃষকের
পাশাপাশি লবণচাষিরাও অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
মন্ত্রী
জানান, পঞ্চগড় সদর ও বোদা,
বগুড়ার শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের শৈলকূপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, কক্সবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর, টাঙ্গাইল সদর,
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ, মৌলভীবাজারের জুড়ী এবং জামালপুরের
ইসলামপুর উপজেলার নির্দিষ্ট কিছু ব্লকে এই
কার্যক্রমের উদ্বোধন হবে।
সংবাদ
সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী বলেন, “আগামী পহেলা বৈশাখে নতুন বছরের প্রথম দিনে প্রাক-পাইলটিং
পর্যায়ের কৃষক কার্ড বিতরণ
উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষিদের
প্রণোদনাসহ ১০ সুবিধা নিশ্চিত
করতে টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডের আদলে সারাদেশে চালু
হতে যাচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম।”
তিনি
আরও জানান, মোট তিনটি ধাপে
এই কার্ড বিতরণ সম্পন্ন হবে। প্রি-পাইলটিং
ও পাইলটিং শেষে আগামী চার
বছরের মধ্যে দেশের প্রায় ২ কোটি ২৭
লাখ কৃষককে এই ডিজিটাল সেবার
আওতায় আনা হবে।
এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকের পরিচয় ডিজিটাল করা হবে, যা
ভবিষ্যতে ফ্যামিলি কার্ডের মতোই কার্যকরী ভূমিকা
রাখবে। সরকার নির্ধারিত সুবিধা অনুযায়ী, এই কার্ডধারীরা বছরে
একবার ২ হাজার ৫০০
টাকা করে আর্থিক সহায়তা
পাবেন। আধুনিক ও স্মার্ট কৃষি
বিনির্মাণে এই ডিজিটাল ডাটাবেজ
একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে
মনে করছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
পহেলা বৈশাখের পুণ্যলগ্নে দেশের কৃষি খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় ডিজিটাল ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
টাঙ্গাইলের
শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি
এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। রবিবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন
কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ
এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রাথমিক
পর্যায়ে ২২ হাজার ৬৫
জন কৃষককে এই কার্ডের আওতায়
আনা হয়েছে। এতে মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ
খামারি, দুগ্ধ খামারি, ভূমিহীন, প্রান্তিক এবং ক্ষুদ্র থেকে
বড়, সব শ্রেণির কৃষকের
পাশাপাশি লবণচাষিরাও অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
মন্ত্রী
জানান, পঞ্চগড় সদর ও বোদা,
বগুড়ার শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের শৈলকূপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, কক্সবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর, টাঙ্গাইল সদর,
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ, মৌলভীবাজারের জুড়ী এবং জামালপুরের
ইসলামপুর উপজেলার নির্দিষ্ট কিছু ব্লকে এই
কার্যক্রমের উদ্বোধন হবে।
সংবাদ
সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী বলেন, “আগামী পহেলা বৈশাখে নতুন বছরের প্রথম দিনে প্রাক-পাইলটিং
পর্যায়ের কৃষক কার্ড বিতরণ
উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষিদের
প্রণোদনাসহ ১০ সুবিধা নিশ্চিত
করতে টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডের আদলে সারাদেশে চালু
হতে যাচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম।”
তিনি
আরও জানান, মোট তিনটি ধাপে
এই কার্ড বিতরণ সম্পন্ন হবে। প্রি-পাইলটিং
ও পাইলটিং শেষে আগামী চার
বছরের মধ্যে দেশের প্রায় ২ কোটি ২৭
লাখ কৃষককে এই ডিজিটাল সেবার
আওতায় আনা হবে।
এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকের পরিচয় ডিজিটাল করা হবে, যা
ভবিষ্যতে ফ্যামিলি কার্ডের মতোই কার্যকরী ভূমিকা
রাখবে। সরকার নির্ধারিত সুবিধা অনুযায়ী, এই কার্ডধারীরা বছরে
একবার ২ হাজার ৫০০
টাকা করে আর্থিক সহায়তা
পাবেন। আধুনিক ও স্মার্ট কৃষি
বিনির্মাণে এই ডিজিটাল ডাটাবেজ
একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে
মনে করছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

আপনার মতামত লিখুন