দেশব্যাপী হামের প্রকোপে এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০ শিশু মারা গেছে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে। তাই সরকার জরুরি হামের টিকাদান কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (১২ এপ্রিল) সকাল ৯টায় ডিএসসিসির নগর ভবনে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়।
সওদা সেহেরী সানা নামক এক শিশুর মা বলেন, হাম অবশ্যই শিশুদের
জন্য আতঙ্কের। তারা যেন আক্রান্ত না হয়, এর জন্য আমরা সচেতন থাকার চেষ্টা করেছি।সামনের
দিনগুলোতে আরও সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তাই দ্রুত টিকা দেওয়া জরুরি। শিশুদের নিরাপদ রাখতে
সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
এই ধাপে রাজধানী ঢাকা দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ১১ লাখের
বেশি শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে। সাপ্তাহিক ছুটি বাদে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল
৫টা পর্যন্ত চলবে এ কার্যক্রম।
রোববার সকাল ৯টায় ডিএসসিসির নগর ভবনে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়। ডিএসসিসিতে টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা জরুরি। টিকাদান কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের জন্য মাঠপর্যায়ে তথ্য পৌঁছে দিতে হবে এবং অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে, যাতে তারা নির্ধারিত বয়সী শিশুদের টিকা গ্রহণে এগিয়ে আসেন।
অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা ধরা
হয়েছে। নির্ধারিত কেন্দ্রে নিয়ে এসে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের এই টিকা দেওয়া হচ্ছে।
অভিভাবকরা জানান, সরকার বুঝেই হামের টিকা দিতে শুরু করেছে। বাচ্চারা যেন সেইভ ভাবে
থাকতে পারে।আমার ছোট মেয়েকে টিকা দিয়েছি। সব বাবা-মাকে অনুরোধ করব, ভয় না করে শিশুদের
টিকা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রে নিয়ে আসুন।
গত ৫ এপ্রিল থেকে হাম প্রতিরোধে দেশে বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন
শুরু হয়েছে। ওই দিন থেকে ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় এমআর টিকা প্রয়োগ কার্যক্রম চালু
হয়। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
দেশব্যাপী হামের প্রকোপে এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০ শিশু মারা গেছে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে। তাই সরকার জরুরি হামের টিকাদান কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (১২ এপ্রিল) সকাল ৯টায় ডিএসসিসির নগর ভবনে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়।
সওদা সেহেরী সানা নামক এক শিশুর মা বলেন, হাম অবশ্যই শিশুদের
জন্য আতঙ্কের। তারা যেন আক্রান্ত না হয়, এর জন্য আমরা সচেতন থাকার চেষ্টা করেছি।সামনের
দিনগুলোতে আরও সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তাই দ্রুত টিকা দেওয়া জরুরি। শিশুদের নিরাপদ রাখতে
সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
এই ধাপে রাজধানী ঢাকা দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ১১ লাখের
বেশি শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে। সাপ্তাহিক ছুটি বাদে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল
৫টা পর্যন্ত চলবে এ কার্যক্রম।
রোববার সকাল ৯টায় ডিএসসিসির নগর ভবনে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়। ডিএসসিসিতে টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা জরুরি। টিকাদান কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের জন্য মাঠপর্যায়ে তথ্য পৌঁছে দিতে হবে এবং অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে, যাতে তারা নির্ধারিত বয়সী শিশুদের টিকা গ্রহণে এগিয়ে আসেন।
অন্তত ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা ধরা
হয়েছে। নির্ধারিত কেন্দ্রে নিয়ে এসে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের এই টিকা দেওয়া হচ্ছে।
অভিভাবকরা জানান, সরকার বুঝেই হামের টিকা দিতে শুরু করেছে। বাচ্চারা যেন সেইভ ভাবে
থাকতে পারে।আমার ছোট মেয়েকে টিকা দিয়েছি। সব বাবা-মাকে অনুরোধ করব, ভয় না করে শিশুদের
টিকা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রে নিয়ে আসুন।
গত ৫ এপ্রিল থেকে হাম প্রতিরোধে দেশে বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন
শুরু হয়েছে। ওই দিন থেকে ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় এমআর টিকা প্রয়োগ কার্যক্রম চালু
হয়। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।

আপনার মতামত লিখুন