রাজধানীতে হামের টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং প্রতিটি শিশুর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
তিনি
স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে ছয় মাস থেকে
পাঁচ বছর বয়সী কোনো
শিশুই যেন এই টিকাদান
কার্যক্রম থেকে বাদ না
পড়ে।
রবিবার
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আয়োজিত
হাম টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বলেন, "ছয় মাস থেকে
পাঁচ বছর বয়সী সব
শিশুকে এই টিকাদান কর্মসূচির
আওতায় আনতে হবে। এ
কর্মসূচিকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে গলিতে গলিতে
প্রচারণা চালাতে হবে, যাতে এটি
সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়
এবং সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ
নেয়।"
তিনি
মনে করেন, শুধুমাত্র কেন্দ্রে বসে না থেকে
সাধারণ মানুষের কাছাকাছি গিয়ে সচেতনতা তৈরি
করলেই এই লক্ষ্য অর্জন
সম্ভব।
বিশেষ
করে ঢাকা উত্তর ও
দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিশাল
জনপদে টিকাদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা একটি বড়
চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় হওয়ার
পরামর্শ দিয়ে মন্ত্রী বলেন,
"সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের পূর্বের অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা
কাজে লাগিয়ে এ কর্মসূচিকে সফল
করতে হবে।"
জনস্বাস্থ্য
সুরক্ষায় হামের মতো সংক্রামক রোগ
প্রতিরোধে এই কর্মসূচি অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্ট
সবাইকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সরদার
সাখাওয়াত হোসেন বকুল আরও উল্লেখ
করেন, রাজধানীর প্রতিটি অলিগলিতে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করলে অভিভাবকরা সচেতন
হবেন এবং শিশুদের টিকাদান
কেন্দ্রে নিয়ে আসবেন।
মূলত
টিকাদান কার্যক্রমকে সাধারণ মানুষের নাগালে নিয়ে আসাই এখন
সরকারের মূল লক্ষ্য। এই কর্মসূচিকে
সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে মাঠপর্যায়ের
স্বাস্থ্যকর্মী ও কাউন্সিলরদের সমন্বিতভাবে
কাজ করার নির্দেশনা দেন
তিনি।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীতে হামের টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং প্রতিটি শিশুর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
তিনি
স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে ছয় মাস থেকে
পাঁচ বছর বয়সী কোনো
শিশুই যেন এই টিকাদান
কার্যক্রম থেকে বাদ না
পড়ে।
রবিবার
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আয়োজিত
হাম টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বলেন, "ছয় মাস থেকে
পাঁচ বছর বয়সী সব
শিশুকে এই টিকাদান কর্মসূচির
আওতায় আনতে হবে। এ
কর্মসূচিকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে গলিতে গলিতে
প্রচারণা চালাতে হবে, যাতে এটি
সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়
এবং সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ
নেয়।"
তিনি
মনে করেন, শুধুমাত্র কেন্দ্রে বসে না থেকে
সাধারণ মানুষের কাছাকাছি গিয়ে সচেতনতা তৈরি
করলেই এই লক্ষ্য অর্জন
সম্ভব।
বিশেষ
করে ঢাকা উত্তর ও
দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিশাল
জনপদে টিকাদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা একটি বড়
চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় হওয়ার
পরামর্শ দিয়ে মন্ত্রী বলেন,
"সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের পূর্বের অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা
কাজে লাগিয়ে এ কর্মসূচিকে সফল
করতে হবে।"
জনস্বাস্থ্য
সুরক্ষায় হামের মতো সংক্রামক রোগ
প্রতিরোধে এই কর্মসূচি অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্ট
সবাইকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সরদার
সাখাওয়াত হোসেন বকুল আরও উল্লেখ
করেন, রাজধানীর প্রতিটি অলিগলিতে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করলে অভিভাবকরা সচেতন
হবেন এবং শিশুদের টিকাদান
কেন্দ্রে নিয়ে আসবেন।
মূলত
টিকাদান কার্যক্রমকে সাধারণ মানুষের নাগালে নিয়ে আসাই এখন
সরকারের মূল লক্ষ্য। এই কর্মসূচিকে
সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে মাঠপর্যায়ের
স্বাস্থ্যকর্মী ও কাউন্সিলরদের সমন্বিতভাবে
কাজ করার নির্দেশনা দেন
তিনি।

আপনার মতামত লিখুন