স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি বাতিল নিয়ে দেশজুড়ে চলা নানা আলোচনার মধ্যে নিজের অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি
জানিয়েছেন, লটারি পদ্ধতি কোনোভাবেই একজন শিক্ষার্থীর মেধা
যাচাইয়ের সঠিক মাপকাঠি হতে
পারে না।
এই পদ্ধতি বাতিল করার পর তাকে
নিয়ে নানা সমালোচনা হলেও
তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অনড়। তার মতে,
লটারির মাধ্যমে মূলত শুভঙ্করের ফাঁকি
দেওয়া হচ্ছিলো এবং এর আড়ালে
অনেক ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব ছিলো।
রবিবার
দুপুরে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে এক
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন। আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা
উপলক্ষে ঢাকা অঞ্চলের কেন্দ্রসচিবদের
সঙ্গে আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায়
সভাপতিত্ব করেন ঢাকা শিক্ষা
বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল
কবির।
নিজের
সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,
‘লটারি তুলে দেওয়ায় আমাকে
নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে,
হচ্ছে। আমি নাকি ধনী-গরিবের বৈষম্য করেছি। লটারি পদ্ধতি মেধাবী, কে অমেধাবী তা
ঠিক করে না। আবার
ধনী-গরিবের বৈষম্যও কমায় না।’
লটারি
পদ্ধতির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে
তিনি আরও বলেন, ‘লটারিতে
তো ভর্তি হয়েছে। কিন্তু লটারিতে ভর্তির সময়ে কতজন ঠিক
লটারিতেই চান্স পেয়ে ভর্তি হয়েছে,
আর কতজন পার্সিয়ালিটিতে (পক্ষপাতিত্ব
বা তদবির) হয়েছে; সব কিন্তু আমি
জানি। আমার কাছে সব
খবর আছে। আমি স্পষ্ট
করেই বলছি, লটারি মেধা নির্ধারণ করে
না।’
এ সময় শিক্ষার্থী ও
অভিভাবকদের বাড়ির পাশের স্কুলে ভর্তির ওপর জোর দেন
মন্ত্রী। দূরে নামী স্কুলে
ভর্তির প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে
তিনি বলেন, ‘সব জায়গায় ভালো
স্কুল আছে। কেন আপনার
বাড়ির পাশের স্কুল রেখে সন্তানরা অন্য
জায়গায় যাবে? শিক্ষকরা কী এর জন্য
দায়ী না?’
লটারি
প্রথা বাতিলের মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত হবে
বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত
করেন। সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়
ও বিভিন্ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি বাতিল নিয়ে দেশজুড়ে চলা নানা আলোচনার মধ্যে নিজের অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি
জানিয়েছেন, লটারি পদ্ধতি কোনোভাবেই একজন শিক্ষার্থীর মেধা
যাচাইয়ের সঠিক মাপকাঠি হতে
পারে না।
এই পদ্ধতি বাতিল করার পর তাকে
নিয়ে নানা সমালোচনা হলেও
তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অনড়। তার মতে,
লটারির মাধ্যমে মূলত শুভঙ্করের ফাঁকি
দেওয়া হচ্ছিলো এবং এর আড়ালে
অনেক ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব ছিলো।
রবিবার
দুপুরে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে এক
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন। আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা
উপলক্ষে ঢাকা অঞ্চলের কেন্দ্রসচিবদের
সঙ্গে আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায়
সভাপতিত্ব করেন ঢাকা শিক্ষা
বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল
কবির।
নিজের
সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,
‘লটারি তুলে দেওয়ায় আমাকে
নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে,
হচ্ছে। আমি নাকি ধনী-গরিবের বৈষম্য করেছি। লটারি পদ্ধতি মেধাবী, কে অমেধাবী তা
ঠিক করে না। আবার
ধনী-গরিবের বৈষম্যও কমায় না।’
লটারি
পদ্ধতির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে
তিনি আরও বলেন, ‘লটারিতে
তো ভর্তি হয়েছে। কিন্তু লটারিতে ভর্তির সময়ে কতজন ঠিক
লটারিতেই চান্স পেয়ে ভর্তি হয়েছে,
আর কতজন পার্সিয়ালিটিতে (পক্ষপাতিত্ব
বা তদবির) হয়েছে; সব কিন্তু আমি
জানি। আমার কাছে সব
খবর আছে। আমি স্পষ্ট
করেই বলছি, লটারি মেধা নির্ধারণ করে
না।’
এ সময় শিক্ষার্থী ও
অভিভাবকদের বাড়ির পাশের স্কুলে ভর্তির ওপর জোর দেন
মন্ত্রী। দূরে নামী স্কুলে
ভর্তির প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে
তিনি বলেন, ‘সব জায়গায় ভালো
স্কুল আছে। কেন আপনার
বাড়ির পাশের স্কুল রেখে সন্তানরা অন্য
জায়গায় যাবে? শিক্ষকরা কী এর জন্য
দায়ী না?’
লটারি
প্রথা বাতিলের মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত হবে
বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত
করেন। সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়
ও বিভিন্ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন