প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শুধু সেনাবাহিনী নয়, দেশের প্রতিটি সেক্টরের সংস্কার ও প্রতিটি মানুষের উন্নয়নের ইশতেহার আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই। রাষ্ট্র মেরামতের লক্ষ্যে বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছিলো। জুলাই সনদের প্রতিটি দফা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে এই সরকার বদ্ধপরিকর।
রবিবার
ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর দরবার অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন। এ সময় তিনি
সেনাবাহিনীর পেশাদারত্ব, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমের ভূয়সী
প্রশংসা করেন।
প্রধানমন্ত্রী
তার বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনীর নিরপেক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করে
বলেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি,
দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি
নয়। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই
সেনাবাহিনীর একমাত্র পবিত্র দায়িত্ব।
পিলখানা
হত্যাকাণ্ডের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন,
পিলখানা হত্যাকাণ্ড চালিয়ে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছিলো।
এর পরের শাসনামলেও নানা
কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা
হয়েছিলো। তবে ২০২৪ সালের
৫ আগস্ট পরবর্তী সময় এবং অন্তর্বর্তী
সরকারের পুরো আমলে সেনাবাহিনীর
দায়িত্বশীল ভূমিকা জাতি আজীবন স্মরণ
রাখবে।
তিনি
আরও উল্লেখ করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সেনাবাহিনী
স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে।
সশস্ত্র
বাহিনীর আধুনিকায়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে,
তবে বাংলাদেশকে কখনো কেউ পরাজিত
করতে পারবে না। জিয়াউর রহমান
যে দেশপ্রেমের অগ্নিশিখা জ্বালিয়েছিলেন, তা যেন কখনো
নিভে না যায়।
তিনি
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দল-মতের ঊর্ধ্বে
থেকে দেশকে ধারণ করা, দেশের
সার্বভৌমত্ব ও সংবিধানের মর্যাদা
সমুন্নত রাখা এবং জনগণের
আস্থা অটুট রাখার আহ্বান
জানান।
অনুষ্ঠানে
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা,
সেনাপ্রধান, নৌবাহিনী প্রধান এবং বিমান বাহিনী
প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রী
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের কর্মে, সততায়, শপথে ও ত্যাগের
মাধ্যমে দেশকে ভালোবাসার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে
হবে। বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীর ভবিষ্যৎ সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে সব
ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিচ্ছে। দরবারে ঢাকার ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তারা
উপস্থিত ছিলেন এবং ঢাকার বাইরের
সদস্যরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শুধু সেনাবাহিনী নয়, দেশের প্রতিটি সেক্টরের সংস্কার ও প্রতিটি মানুষের উন্নয়নের ইশতেহার আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই। রাষ্ট্র মেরামতের লক্ষ্যে বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছিলো। জুলাই সনদের প্রতিটি দফা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে এই সরকার বদ্ধপরিকর।
রবিবার
ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর দরবার অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন। এ সময় তিনি
সেনাবাহিনীর পেশাদারত্ব, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমের ভূয়সী
প্রশংসা করেন।
প্রধানমন্ত্রী
তার বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনীর নিরপেক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করে
বলেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি,
দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি
নয়। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই
সেনাবাহিনীর একমাত্র পবিত্র দায়িত্ব।
পিলখানা
হত্যাকাণ্ডের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন,
পিলখানা হত্যাকাণ্ড চালিয়ে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছিলো।
এর পরের শাসনামলেও নানা
কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা
হয়েছিলো। তবে ২০২৪ সালের
৫ আগস্ট পরবর্তী সময় এবং অন্তর্বর্তী
সরকারের পুরো আমলে সেনাবাহিনীর
দায়িত্বশীল ভূমিকা জাতি আজীবন স্মরণ
রাখবে।
তিনি
আরও উল্লেখ করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সেনাবাহিনী
স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে।
সশস্ত্র
বাহিনীর আধুনিকায়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে,
তবে বাংলাদেশকে কখনো কেউ পরাজিত
করতে পারবে না। জিয়াউর রহমান
যে দেশপ্রেমের অগ্নিশিখা জ্বালিয়েছিলেন, তা যেন কখনো
নিভে না যায়।
তিনি
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দল-মতের ঊর্ধ্বে
থেকে দেশকে ধারণ করা, দেশের
সার্বভৌমত্ব ও সংবিধানের মর্যাদা
সমুন্নত রাখা এবং জনগণের
আস্থা অটুট রাখার আহ্বান
জানান।
অনুষ্ঠানে
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা,
সেনাপ্রধান, নৌবাহিনী প্রধান এবং বিমান বাহিনী
প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রী
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের কর্মে, সততায়, শপথে ও ত্যাগের
মাধ্যমে দেশকে ভালোবাসার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে
হবে। বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীর ভবিষ্যৎ সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে সব
ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিচ্ছে। দরবারে ঢাকার ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তারা
উপস্থিত ছিলেন এবং ঢাকার বাইরের
সদস্যরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন