সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

তেঁতুলিয়া নদীতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার


প্রতিনিধি, চরফ্যাশন (ভোলা)
প্রতিনিধি, চরফ্যাশন (ভোলা)
প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৬ পিএম

তেঁতুলিয়া নদীতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার
ছবি : সংবাদ

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় তেঁতুলিয়া নদীতে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর জসিম (৩৫) নামে এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে উপজেলার কচুয়ার চর সংলগ্ন নদী এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

নিহত জসিম উপজেলার আহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত জাহাঙ্গীরের ছেলে। তিনি তিন সন্তানের জনক ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে জসিম একাই তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরতে যান। প্রতিদিনের মতো পরদিন সকালে তার বাড়িতে ফেরার কথা থাকলেও তিনি ফেরেননি। পরে স্বজনরা নদীতে গিয়ে তার ট্রলারের সন্ধান পেলেও জসিমের খোঁজ পাননি। আশপাশের এলাকায় দুই দিন ধরে খোঁজাখুঁজি চালিয়েও তার সন্ধান মেলেনি। পরে শনিবার সকাল আটটার দিকে কচুয়ার চরের কাছে নদীর তীরে তার মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন।

পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে জসিমের পরিবার এখন দিশেহারা। জসিমের স্ত্রী রুমা বেগম আহজারি করতে করতে বলেন, ‘সেদিন রাতে সুস্থ মানুষটা মাছ ধরতে ঘর থেকে বের হইলো। কে জানত এটাই তার শেষ যাওয়া হবে! এখন এই তিন সন্তান নিয়ে আমি কোথায় দাঁড়াব।’

চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। নিহত ব্যক্তি যদি নিবন্ধিত জেলে হয়ে থাকেন, তবে তার পরিবারকে সরকারি বিধি মোতাবেক আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের বাড়িতে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারটিকে সান্ত্বনা দিতে ভিড় করছেন প্রতিবেশী ও স্বজনরা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬


তেঁতুলিয়া নদীতে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় তেঁতুলিয়া নদীতে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর জসিম (৩৫) নামে এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে উপজেলার কচুয়ার চর সংলগ্ন নদী এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

নিহত জসিম উপজেলার আহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত জাহাঙ্গীরের ছেলে। তিনি তিন সন্তানের জনক ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে জসিম একাই তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরতে যান। প্রতিদিনের মতো পরদিন সকালে তার বাড়িতে ফেরার কথা থাকলেও তিনি ফেরেননি। পরে স্বজনরা নদীতে গিয়ে তার ট্রলারের সন্ধান পেলেও জসিমের খোঁজ পাননি। আশপাশের এলাকায় দুই দিন ধরে খোঁজাখুঁজি চালিয়েও তার সন্ধান মেলেনি। পরে শনিবার সকাল আটটার দিকে কচুয়ার চরের কাছে নদীর তীরে তার মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন।

পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে জসিমের পরিবার এখন দিশেহারা। জসিমের স্ত্রী রুমা বেগম আহজারি করতে করতে বলেন, ‘সেদিন রাতে সুস্থ মানুষটা মাছ ধরতে ঘর থেকে বের হইলো। কে জানত এটাই তার শেষ যাওয়া হবে! এখন এই তিন সন্তান নিয়ে আমি কোথায় দাঁড়াব।’

চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। নিহত ব্যক্তি যদি নিবন্ধিত জেলে হয়ে থাকেন, তবে তার পরিবারকে সরকারি বিধি মোতাবেক আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের বাড়িতে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারটিকে সান্ত্বনা দিতে ভিড় করছেন প্রতিবেশী ও স্বজনরা।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত