দেশের প্রথিতযশা আইনজীবী ও সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই। রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। প্রবীণ এই আইনজ্ঞের মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক।
তিনি
জানান, বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় আক্রান্ত
হয়ে শফিক আহমেদ হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ বিকেলে চিকিৎসকরা
তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাবেক
এই মন্ত্রীর মৃত্যুতে শোক জানিয়ে তার
ছেলে মাহবুব শফিক বলেন, "আমার
বাবা বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে
ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে মারা
গেছেন। তিনি বেশ কিছুদিন
ধরে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি
ছিলেন। আজ তিনি আমাদের
ছেড়ে পরলোকে পাড়ি জমিয়েছেন। আমি
দেশবাসীর কাছে বাবার জন্য
দোয়া চাই।"
ব্যারিস্টার
শফিক আহমেদের জানাজা ও দাফনের বিষয়ে
পরিবারের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে
বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানানো
হয়েছে। দেশের বিচার বিভাগের আধুনিকায়ন এবং আইনি সংস্কারে
তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে
মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা।
ব্যারিস্টার
শফিক আহমেদ ২০০৯ থেকে ২০১৪
সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আইন,
বিচার ও সংসদ বিষয়ক
মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্ণাঢ্য
কর্মজীবনে তিনি কেবল সরকারের
গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীই ছিলেন না, বরং আইন
পেশার শীর্ষ সংগঠনেও নেতৃত্ব দিয়েছেন।
তিনি
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ বার
কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। যুদ্ধাপরাধীদের
বিচার প্রক্রিয়া শুরু এবং সংবিধানের
বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনীতে
তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।
১৯৩৭
সালে কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করা এই গুণী
ব্যক্তিত্ব উচ্চশিক্ষায় অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। তিনি ১৯৬৭ সালে
লন্ডনের কিংস কলেজ থেকে
এলএলএম এবং ঐতিহ্যবাহী লিংকনস
ইন থেকে বার অ্যাট
ল ডিগ্রি লাভ করেন।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
দেশের প্রথিতযশা আইনজীবী ও সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আর নেই। রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। প্রবীণ এই আইনজ্ঞের মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক।
তিনি
জানান, বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় আক্রান্ত
হয়ে শফিক আহমেদ হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ বিকেলে চিকিৎসকরা
তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাবেক
এই মন্ত্রীর মৃত্যুতে শোক জানিয়ে তার
ছেলে মাহবুব শফিক বলেন, "আমার
বাবা বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে
ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে মারা
গেছেন। তিনি বেশ কিছুদিন
ধরে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি
ছিলেন। আজ তিনি আমাদের
ছেড়ে পরলোকে পাড়ি জমিয়েছেন। আমি
দেশবাসীর কাছে বাবার জন্য
দোয়া চাই।"
ব্যারিস্টার
শফিক আহমেদের জানাজা ও দাফনের বিষয়ে
পরিবারের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে
বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানানো
হয়েছে। দেশের বিচার বিভাগের আধুনিকায়ন এবং আইনি সংস্কারে
তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে
মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা।
ব্যারিস্টার
শফিক আহমেদ ২০০৯ থেকে ২০১৪
সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আইন,
বিচার ও সংসদ বিষয়ক
মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্ণাঢ্য
কর্মজীবনে তিনি কেবল সরকারের
গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীই ছিলেন না, বরং আইন
পেশার শীর্ষ সংগঠনেও নেতৃত্ব দিয়েছেন।
তিনি
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ বার
কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। যুদ্ধাপরাধীদের
বিচার প্রক্রিয়া শুরু এবং সংবিধানের
বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনীতে
তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।
১৯৩৭
সালে কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করা এই গুণী
ব্যক্তিত্ব উচ্চশিক্ষায় অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। তিনি ১৯৬৭ সালে
লন্ডনের কিংস কলেজ থেকে
এলএলএম এবং ঐতিহ্যবাহী লিংকনস
ইন থেকে বার অ্যাট
ল ডিগ্রি লাভ করেন।

আপনার মতামত লিখুন