দেশের বাজারে সয়াবিনসহ ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর যে প্রস্তাব মিল মালিকরা দিয়েছিলেন, তা নাকচ করে দিয়েছে সরকার। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে তেলের দাম বাড়ছে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
রবিবার
সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভোজ্যতেল সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই সিদ্ধান্তের
কথা জানান। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক অস্থিরতার
মধ্যে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপের
কথা বিবেচনা করেই সরকার এই
অবস্থান নিয়েছে।
বৈঠক
শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এ সময় দেশের
মানুষ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধসহ বৈশ্বিক নানা কারণে শঙ্কার
মধ্যে আছে। আমাদের প্রথম
অগ্রাধিকার হচ্ছে, এর মধ্যে যেন
কোনো পণ্যের দাম না বাড়ে।
সেটি লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে আমরা পদক্ষেপ
নেবো।
তিনি
আরও উল্লেখ করেন, ভোজ্যতেল একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল
পণ্য এবং এর দাম
সামান্য বাড়লেও সাধারণ ক্রেতারা অসন্তুষ্ট হন। তাই নিয়মিত
বিরতিতে তেলের সরবরাহ ও আমদানি পরিস্থিতি
পর্যালোচনা করা হয়।
মন্ত্রী
স্পষ্ট করে বলেন, ভোজ্যতেল
নিয়ে আমরা নিয়মিত বসি।
তবে এ বৈঠকে দাম
বাড়ানোর বিষয়ে এখনো বলার মতো
কোনো কিছু হয়নি।
জানা
গেছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে
তেলের দাম বাড়ানোর জন্য
মিল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড
বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন একটি প্রস্তাব জমা
দিয়েছিলো। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড
অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন সেই প্রস্তাবটি গভীরভাবে
যাচাই-বাছাই করে এবং দেশের
বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দাম না
বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বৈঠকে উপস্থিত
সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত
কার্যকর করা হয়।
বৈঠকে
দাম না বাড়লেও তেল
সরবরাহকারীদের লোকসান বা মুনাফা সমন্বয়ের
জন্য বিকল্প ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া
হয়েছে। দুই দফা বৈঠকে
ব্যবসায়ীদের কিছু বাড়তি সুবিধা
দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হলেও তা এখনো
চূড়ান্ত হয়নি। সরকার চাইছে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ঠিক রেখে ব্যবসায়ীদের
স্বার্থও রক্ষা করতে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের ফলে
আপাতত তেলের বাজার নিয়ে সাধারণ মানুষের
উদ্বেগ দূর হলো বলে
মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
দেশের বাজারে সয়াবিনসহ ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর যে প্রস্তাব মিল মালিকরা দিয়েছিলেন, তা নাকচ করে দিয়েছে সরকার। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে তেলের দাম বাড়ছে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
রবিবার
সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভোজ্যতেল সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই সিদ্ধান্তের
কথা জানান। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক অস্থিরতার
মধ্যে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপের
কথা বিবেচনা করেই সরকার এই
অবস্থান নিয়েছে।
বৈঠক
শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এ সময় দেশের
মানুষ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধসহ বৈশ্বিক নানা কারণে শঙ্কার
মধ্যে আছে। আমাদের প্রথম
অগ্রাধিকার হচ্ছে, এর মধ্যে যেন
কোনো পণ্যের দাম না বাড়ে।
সেটি লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে আমরা পদক্ষেপ
নেবো।
তিনি
আরও উল্লেখ করেন, ভোজ্যতেল একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল
পণ্য এবং এর দাম
সামান্য বাড়লেও সাধারণ ক্রেতারা অসন্তুষ্ট হন। তাই নিয়মিত
বিরতিতে তেলের সরবরাহ ও আমদানি পরিস্থিতি
পর্যালোচনা করা হয়।
মন্ত্রী
স্পষ্ট করে বলেন, ভোজ্যতেল
নিয়ে আমরা নিয়মিত বসি।
তবে এ বৈঠকে দাম
বাড়ানোর বিষয়ে এখনো বলার মতো
কোনো কিছু হয়নি।
জানা
গেছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে
তেলের দাম বাড়ানোর জন্য
মিল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড
বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন একটি প্রস্তাব জমা
দিয়েছিলো। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড
অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন সেই প্রস্তাবটি গভীরভাবে
যাচাই-বাছাই করে এবং দেশের
বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দাম না
বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বৈঠকে উপস্থিত
সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত
কার্যকর করা হয়।
বৈঠকে
দাম না বাড়লেও তেল
সরবরাহকারীদের লোকসান বা মুনাফা সমন্বয়ের
জন্য বিকল্প ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া
হয়েছে। দুই দফা বৈঠকে
ব্যবসায়ীদের কিছু বাড়তি সুবিধা
দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হলেও তা এখনো
চূড়ান্ত হয়নি। সরকার চাইছে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ঠিক রেখে ব্যবসায়ীদের
স্বার্থও রক্ষা করতে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের ফলে
আপাতত তেলের বাজার নিয়ে সাধারণ মানুষের
উদ্বেগ দূর হলো বলে
মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন