মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার একটি সড়কে চার বছর আগে একটি সেতু নির্মাণ শুরু হলেও কাজ এখনো শেষ হয়নি। এদিকে সেতুটির নীচে যে খাল ছিল সেটি এখন আর নেই।
উপজেলার
হোসেন্দি ইউনিয়নের এসডি খান সড়কে
এই সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়
২০২১-২২ অর্থবছরে। এক
সময় ছোট এই খালের
ওপর একটি কালভার্ট ছিল।
সড়কটি দিয়ে প্রচুর যানবাহন
চালাচলের কারণে কালভার্টটির কিছু অংশ ভেঙে
যায়। এরপর নতুন সেতু
নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
গত চার বছর ধরে
নির্মাণাধীন সেতুটির পাশ দিয়ে অস্থায়ীভিত্তিতে
বানানো একটি সংযোগ সড়ক
দিয়ে সব যানবাহন চলাচল
করছে। এতে প্রায়ই যানজট
হচ্ছে। মূল সড়ক থেকে
সংযোগ সড়কে নামার সময়
গাড়ি, অটোরিক্সা, পিকআপ উল্টে দুর্ঘটনাও ঘটছে।
দীর্ঘদিনেও
সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ না
হওয়ায় একদিকে এই সড়ক দিয়ে
চলাচলে যেমন ভোগান্তি হচ্ছে
অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তৈরী হয়েছে অসন্তোষ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুরু থেকেই সেতু
নির্মাণ ধীরগতিতে করছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান
।
সরেজমিনে
দেখা যায়, ব্রিজের নীচে
এক সময় একটি খাল
থাকলেও এখন আর নেই।
ব্রিজের দুই পাশই ভরাট।
আর এই ভারাট জায়গায়ই
এখন ব্রিজটি বানানো হচ্ছে।
স্থানীয়
এক বাসিন্দা সংবাদকে বলেন, “এখানে এখন
খালের কোন অস্তিত্ব নেই।
উভয় পাশে বাড়ি-ঘড়।
এখানে তো ব্রিজের প্রয়োজন
ছিলো না।”
জানতে
চাইলে গজারিয়া উপজেলা প্রকৌশলী সামিউল আরেফিন বলেন, “২০২২ সালে এই
ব্রীজের কাজ শুরু হয়েছে।
পূর্বের ব্রীজটি ৪০ মিটার ছিলো
বিধায় এটিও ৪০ মিটার।
ব্রীজের কাজ চলমান আছে
বিভিন্ন কারনে একটু দেরি হচ্ছে
জমি অধিগ্রহণ চলছে। এ বছরের জুন মাসের মধ্যে
কাজ শেষ হওয়ার কথা
।”

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার একটি সড়কে চার বছর আগে একটি সেতু নির্মাণ শুরু হলেও কাজ এখনো শেষ হয়নি। এদিকে সেতুটির নীচে যে খাল ছিল সেটি এখন আর নেই।
উপজেলার
হোসেন্দি ইউনিয়নের এসডি খান সড়কে
এই সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়
২০২১-২২ অর্থবছরে। এক
সময় ছোট এই খালের
ওপর একটি কালভার্ট ছিল।
সড়কটি দিয়ে প্রচুর যানবাহন
চালাচলের কারণে কালভার্টটির কিছু অংশ ভেঙে
যায়। এরপর নতুন সেতু
নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
গত চার বছর ধরে
নির্মাণাধীন সেতুটির পাশ দিয়ে অস্থায়ীভিত্তিতে
বানানো একটি সংযোগ সড়ক
দিয়ে সব যানবাহন চলাচল
করছে। এতে প্রায়ই যানজট
হচ্ছে। মূল সড়ক থেকে
সংযোগ সড়কে নামার সময়
গাড়ি, অটোরিক্সা, পিকআপ উল্টে দুর্ঘটনাও ঘটছে।
দীর্ঘদিনেও
সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ না
হওয়ায় একদিকে এই সড়ক দিয়ে
চলাচলে যেমন ভোগান্তি হচ্ছে
অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তৈরী হয়েছে অসন্তোষ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুরু থেকেই সেতু
নির্মাণ ধীরগতিতে করছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান
।
সরেজমিনে
দেখা যায়, ব্রিজের নীচে
এক সময় একটি খাল
থাকলেও এখন আর নেই।
ব্রিজের দুই পাশই ভরাট।
আর এই ভারাট জায়গায়ই
এখন ব্রিজটি বানানো হচ্ছে।
স্থানীয়
এক বাসিন্দা সংবাদকে বলেন, “এখানে এখন
খালের কোন অস্তিত্ব নেই।
উভয় পাশে বাড়ি-ঘড়।
এখানে তো ব্রিজের প্রয়োজন
ছিলো না।”
জানতে
চাইলে গজারিয়া উপজেলা প্রকৌশলী সামিউল আরেফিন বলেন, “২০২২ সালে এই
ব্রীজের কাজ শুরু হয়েছে।
পূর্বের ব্রীজটি ৪০ মিটার ছিলো
বিধায় এটিও ৪০ মিটার।
ব্রীজের কাজ চলমান আছে
বিভিন্ন কারনে একটু দেরি হচ্ছে
জমি অধিগ্রহণ চলছে। এ বছরের জুন মাসের মধ্যে
কাজ শেষ হওয়ার কথা
।”

আপনার মতামত লিখুন