প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীতে অবরোধ আরোপের পাশাপাশি ইরানের নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর বিষয়টি এখন ট্রাম্প প্রশাসনের টেবিলে রয়েছে।
গত ৭ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। সেই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (১১ এপ্রিল) ইসলামাবাদে দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক বৈঠক শুরু হয়। টানা ২১ ঘণ্টার আলোচনা শেষে রোববার (১২ এপ্রিল) কোনো সমঝোতা ছাড়াই বৈঠকটি শেষ হয়।
আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পরপরই ট্রাম্প তার ফ্লোরিডা রিসোর্টে উপদেষ্টাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন। সেখান থেকেই ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য সামরিক বিকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকেই হরমুজ প্রণালীতে কঠোর অবরোধ শুরু করবে মার্কিন নৌবাহিনী। ট্রাম্পের দাবি, ইরান প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নৌপথ খুলে দিতে ব্যর্থ হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা তৈরি করছে।
হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ বা বের হওয়া সব জাহাজ অবরোধ করা হবে।
আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানকে টোল দেওয়া যেকোনো জাহাজকে আটক করবে যুক্তরাষ্ট্র।
চুক্তি না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বেসামরিক জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করারও হুমকি দিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্পের এমন হুমকির কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, "আপনি যদি লড়াই করেন, আমরাও লড়াই করব। আমরা কোনো হুমকির কাছে মাথা নত করব না।" এদিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (IRGC) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীর কাছে কোনো সামরিক জাহাজ এগিয়ে এলে তাকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হবে।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প সীমিত হামলার কথা ভাবলেও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে জড়াতে আগ্রহী নন। বরং অবরোধের মাধ্যমে মিত্র দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করে দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তাদের কাঁধে তুলে দিতে চান তিনি। তবে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এখনও সামরিক পদক্ষেপের বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
ট্রাম্প ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেন, "আমি একদিনেই ইরানকে ধ্বংস করে দিতে পারি।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জ্বালানির জন্য যুক্তরাষ্ট্র এখন আর হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল নয়।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীতে অবরোধ আরোপের পাশাপাশি ইরানের নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর বিষয়টি এখন ট্রাম্প প্রশাসনের টেবিলে রয়েছে।
গত ৭ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। সেই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (১১ এপ্রিল) ইসলামাবাদে দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক বৈঠক শুরু হয়। টানা ২১ ঘণ্টার আলোচনা শেষে রোববার (১২ এপ্রিল) কোনো সমঝোতা ছাড়াই বৈঠকটি শেষ হয়।
আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পরপরই ট্রাম্প তার ফ্লোরিডা রিসোর্টে উপদেষ্টাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন। সেখান থেকেই ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য সামরিক বিকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকেই হরমুজ প্রণালীতে কঠোর অবরোধ শুরু করবে মার্কিন নৌবাহিনী। ট্রাম্পের দাবি, ইরান প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নৌপথ খুলে দিতে ব্যর্থ হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা তৈরি করছে।
হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ বা বের হওয়া সব জাহাজ অবরোধ করা হবে।
আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানকে টোল দেওয়া যেকোনো জাহাজকে আটক করবে যুক্তরাষ্ট্র।
চুক্তি না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বেসামরিক জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করারও হুমকি দিয়েছেন তিনি।
ট্রাম্পের এমন হুমকির কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, "আপনি যদি লড়াই করেন, আমরাও লড়াই করব। আমরা কোনো হুমকির কাছে মাথা নত করব না।" এদিকে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (IRGC) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীর কাছে কোনো সামরিক জাহাজ এগিয়ে এলে তাকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হবে।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প সীমিত হামলার কথা ভাবলেও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে জড়াতে আগ্রহী নন। বরং অবরোধের মাধ্যমে মিত্র দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করে দীর্ঘমেয়াদি আঞ্চলিক নিরাপত্তার দায়িত্ব তাদের কাঁধে তুলে দিতে চান তিনি। তবে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এখনও সামরিক পদক্ষেপের বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
ট্রাম্প ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেন, "আমি একদিনেই ইরানকে ধ্বংস করে দিতে পারি।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জ্বালানির জন্য যুক্তরাষ্ট্র এখন আর হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল নয়।

আপনার মতামত লিখুন