রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদাবাজি ও প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা. কামরুল ইসলামকে হেনস্তার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মঈন উদ্দিনসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে এক বার্তায় র্যাব জানায়, রোববার দিবাগত রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। মূল অভিযুক্ত মঈন উদ্দিনকে নড়াইল থেকে এবং বাকি ৬ সহযোগীকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত অন্য আসামিরা হলেন সুমন, লিটন, মো. ফালান মিয়া, মো. রুবেল, মো. স্বপন কাজী এবং মো. শাওন হোসেন।
ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রাত ৮টা ৪০ মিনিটে মঈন উদ্দিন তার দলবল নিয়ে হাসপাতালটিতে প্রবেশ করেন। নিজেকে শেরে বাংলা নগর থানা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় দিয়ে তিনি বড় অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন এবং হুমকি-ধামকি দেন। টাকা না পেয়ে তিনি স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত মানবিক চিকিৎসক ডা. কামরুল ইসলামকে রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে হেনস্তা করার চেষ্টা করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শুধু শুক্রবারই নয়, গত ৫ আগস্টের পর থেকেই স্থানীয় এই কথিত নেতা নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে হাসপাতালটি থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। ডা. কামরুলকে চাপে ফেলতে হাসপাতালের সামনে কৃত্রিম ‘মব’ বা জনরোষ তৈরির অপচেষ্টাও চালিয়েছিলেন তিনি।
ঘটনার খবর পেয়ে ওই রাতেই হাসপাতালে ছুটে যান কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। তারা স্পষ্টভাবে জানান, অভিযুক্ত মঈন উদ্দিনের সাথে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই। সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে কেউ অপকর্ম করলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তারা হুঁশিয়ারি দেন এবং দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম বিনা পারিশ্রমিকে ২ হাজারের বেশি কিডনি প্রতিস্থাপন করে দেশে-বিদেশে অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন। ২০২২ সালে তাকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত করা হয়। এমন একজন মানবিক চিকিৎসকের প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। র্যাবের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে চিকিৎসক সমাজ ও স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদাবাজি ও প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা. কামরুল ইসলামকে হেনস্তার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মঈন উদ্দিনসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে এক বার্তায় র্যাব জানায়, রোববার দিবাগত রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। মূল অভিযুক্ত মঈন উদ্দিনকে নড়াইল থেকে এবং বাকি ৬ সহযোগীকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত অন্য আসামিরা হলেন সুমন, লিটন, মো. ফালান মিয়া, মো. রুবেল, মো. স্বপন কাজী এবং মো. শাওন হোসেন।
ঘটনার সূত্রপাত গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রাত ৮টা ৪০ মিনিটে মঈন উদ্দিন তার দলবল নিয়ে হাসপাতালটিতে প্রবেশ করেন। নিজেকে শেরে বাংলা নগর থানা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় দিয়ে তিনি বড় অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন এবং হুমকি-ধামকি দেন। টাকা না পেয়ে তিনি স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত মানবিক চিকিৎসক ডা. কামরুল ইসলামকে রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে হেনস্তা করার চেষ্টা করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শুধু শুক্রবারই নয়, গত ৫ আগস্টের পর থেকেই স্থানীয় এই কথিত নেতা নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে হাসপাতালটি থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। ডা. কামরুলকে চাপে ফেলতে হাসপাতালের সামনে কৃত্রিম ‘মব’ বা জনরোষ তৈরির অপচেষ্টাও চালিয়েছিলেন তিনি।
ঘটনার খবর পেয়ে ওই রাতেই হাসপাতালে ছুটে যান কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। তারা স্পষ্টভাবে জানান, অভিযুক্ত মঈন উদ্দিনের সাথে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই। সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে কেউ অপকর্ম করলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তারা হুঁশিয়ারি দেন এবং দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম বিনা পারিশ্রমিকে ২ হাজারের বেশি কিডনি প্রতিস্থাপন করে দেশে-বিদেশে অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন। ২০২২ সালে তাকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত করা হয়। এমন একজন মানবিক চিকিৎসকের প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। র্যাবের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে চিকিৎসক সমাজ ও স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন