বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আগামী সপ্তাহ থেকে চিকিৎসা ভিসার পাশাপাশি ব্যবসায়িক ভিসাও চালু করছে ভারত। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, দ্বিপাক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে
ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় থাকলে দুই দেশের সম্পর্ক অনেক দূর এগিয়ে যাবে। সচিবালয়ে
অনুষ্ঠিত বৈঠকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু অমীমাংসিত ও গুরুত্বপূর্ণ
বিষয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
গত মঙ্গলবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও উপদেষ্টা হুমায়ুন
কবির তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে দিল্লি গিয়েছিলেন। সেই সফরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর এই ভিসা চালুর বিষয়ে সম্মতি আসে। মূলত দীর্ঘ
দিন ধরে ভিসা জটিলতায় থাকা বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও চিকিৎসার জন্য গমনেচ্ছুদের জন্য এটি
একটি বড় সুখবর।
আলোচনা শেষে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে পাইপলাইনের
মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহ করার জন্য বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে
ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। জ্বালানি ও যাতায়াত খাতে দুই দেশের এই সহযোগিতা সামনের দিনগুলোতে
আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘ভালো মাইন্ডসেট বা ইতিবাচক মানসিকতা
থাকলে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই
ভিসা প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং এতে করে দুই দেশের মানুষের যাতায়াত ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম
গতিশীল হবে।’

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আগামী সপ্তাহ থেকে চিকিৎসা ভিসার পাশাপাশি ব্যবসায়িক ভিসাও চালু করছে ভারত। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, দ্বিপাক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে
ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় থাকলে দুই দেশের সম্পর্ক অনেক দূর এগিয়ে যাবে। সচিবালয়ে
অনুষ্ঠিত বৈঠকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু অমীমাংসিত ও গুরুত্বপূর্ণ
বিষয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
গত মঙ্গলবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও উপদেষ্টা হুমায়ুন
কবির তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে দিল্লি গিয়েছিলেন। সেই সফরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর এই ভিসা চালুর বিষয়ে সম্মতি আসে। মূলত দীর্ঘ
দিন ধরে ভিসা জটিলতায় থাকা বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও চিকিৎসার জন্য গমনেচ্ছুদের জন্য এটি
একটি বড় সুখবর।
আলোচনা শেষে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে পাইপলাইনের
মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহ করার জন্য বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে
ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। জ্বালানি ও যাতায়াত খাতে দুই দেশের এই সহযোগিতা সামনের দিনগুলোতে
আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘ভালো মাইন্ডসেট বা ইতিবাচক মানসিকতা
থাকলে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান যেকোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই
ভিসা প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং এতে করে দুই দেশের মানুষের যাতায়াত ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম
গতিশীল হবে।’

আপনার মতামত লিখুন