সংসদ সদস্যদের (এমপি) গবেষণার কাজে সহায়তা করতে প্রতিটি এমপির সঙ্গে একজন করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীকে ইন্টার্ন হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সোমবার (১৩ এপ্রিল) এই তথ্য জানিয়েছেন।
রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়
ও ইউএনডিপি’র যৌথ আয়োজনে একটি ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান
অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন।
আইনমন্ত্রী জানান, প্রতিটি সংসদ সদস্যের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক
প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, “এমপিদের গবেষণার কাজের পরিধি বাড়াতে এবং তরুণদের
সংসদীয় কার্যক্রমে অভিজ্ঞ করতে একজন করে ইন্টার্ন দেওয়া যায় কি-না, সে বিষয়ে আমরা
কাজ করছি।”
অনুষ্ঠানে বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ
মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হওয়ার পর অবসরে গিয়ে পুনরায়
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি খোঁজার যে রীতি তৈরি হয়েছে, তা বন্ধ করতে হবে। অবসরের পর
এভাবে চাকরি খুঁজে বেড়ানো অনৈতিক কাজ হিসেবে গণ্য হয়।” বিচার বিভাগের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ
রাখতে এই প্রবণতা রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দেন তিনি।
আইন কমিশনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মন্ত্রী বলেন,
“আইন কমিশনে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা খরচ হচ্ছে, কিন্তু সেখানে দৃশ্যত তেমন কোনো কাজ
হয় না। এই ধরনের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধ করা হবে।” জনস্বার্থে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার
নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেলসহ বিচার বিভাগ ও ইউএনডিপি’র
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
সংসদ সদস্যদের (এমপি) গবেষণার কাজে সহায়তা করতে প্রতিটি এমপির সঙ্গে একজন করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীকে ইন্টার্ন হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সোমবার (১৩ এপ্রিল) এই তথ্য জানিয়েছেন।
রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়
ও ইউএনডিপি’র যৌথ আয়োজনে একটি ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান
অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন।
আইনমন্ত্রী জানান, প্রতিটি সংসদ সদস্যের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক
প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, “এমপিদের গবেষণার কাজের পরিধি বাড়াতে এবং তরুণদের
সংসদীয় কার্যক্রমে অভিজ্ঞ করতে একজন করে ইন্টার্ন দেওয়া যায় কি-না, সে বিষয়ে আমরা
কাজ করছি।”
অনুষ্ঠানে বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ
মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হওয়ার পর অবসরে গিয়ে পুনরায়
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি খোঁজার যে রীতি তৈরি হয়েছে, তা বন্ধ করতে হবে। অবসরের পর
এভাবে চাকরি খুঁজে বেড়ানো অনৈতিক কাজ হিসেবে গণ্য হয়।” বিচার বিভাগের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ
রাখতে এই প্রবণতা রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দেন তিনি।
আইন কমিশনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মন্ত্রী বলেন,
“আইন কমিশনে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা খরচ হচ্ছে, কিন্তু সেখানে দৃশ্যত তেমন কোনো কাজ
হয় না। এই ধরনের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধ করা হবে।” জনস্বার্থে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার
নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেলসহ বিচার বিভাগ ও ইউএনডিপি’র
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন