আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার কারণে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) আমদানিতে সরকারকে আগের চেয়ে দ্বিগুণ দাম পরিশোধ করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এ কথা জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে এলএনজি ও অপরিশোধিত
তেল সবই আমাদের দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে। এই আকস্মিক অর্থনৈতিক ধাক্কার জন্য কেউ প্রস্তুত
ছিল না।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি দেশে অন্তত দুই মাসের জ্বালানি তেলের জোগান মজুত
রাখা যেত, তবে স্পট মার্কেট (খোলা বাজার) থেকে এভাবে চড়া দামে জ্বালানি কেনার প্রয়োজন
হতো না।
অর্থনৈতিক চাপের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিগত
সরকার দেশের প্রকৃত অর্থনৈতিক সক্ষমতা না বাড়িয়ে কেবল বাজেটের আকার বড় করেছে। যার ফলে
বর্তমানে বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, “জিডিপি বাড়লেও সেই অনুপাতে
করযোগ্য আয়ের পরিমাণ বাড়েনি।”
বৈঠকে আগামী বাজেট নিয়ে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে খন্দকার
আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “আগামী বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে ব্যবসায়ীদের
ওপর কোনো অন্যায্য খড়গ বা চাপ আসবে না।” তিনি স্বীকার করেন যে, আগে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার
অভাবে সরকার এবং অর্থনৈতিক অংশীজনদের মধ্যে একটি দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, যা বর্তমান সরকার
কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার অর্থনৈতিক সক্ষমতা
বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে আর্থিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কাজ
করে যাচ্ছে।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার কারণে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) আমদানিতে সরকারকে আগের চেয়ে দ্বিগুণ দাম পরিশোধ করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি এ কথা জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে এলএনজি ও অপরিশোধিত
তেল সবই আমাদের দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে। এই আকস্মিক অর্থনৈতিক ধাক্কার জন্য কেউ প্রস্তুত
ছিল না।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি দেশে অন্তত দুই মাসের জ্বালানি তেলের জোগান মজুত
রাখা যেত, তবে স্পট মার্কেট (খোলা বাজার) থেকে এভাবে চড়া দামে জ্বালানি কেনার প্রয়োজন
হতো না।
অর্থনৈতিক চাপের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিগত
সরকার দেশের প্রকৃত অর্থনৈতিক সক্ষমতা না বাড়িয়ে কেবল বাজেটের আকার বড় করেছে। যার ফলে
বর্তমানে বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, “জিডিপি বাড়লেও সেই অনুপাতে
করযোগ্য আয়ের পরিমাণ বাড়েনি।”
বৈঠকে আগামী বাজেট নিয়ে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে খন্দকার
আব্দুল মুক্তাদির বলেন, “আগামী বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে ব্যবসায়ীদের
ওপর কোনো অন্যায্য খড়গ বা চাপ আসবে না।” তিনি স্বীকার করেন যে, আগে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার
অভাবে সরকার এবং অর্থনৈতিক অংশীজনদের মধ্যে একটি দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, যা বর্তমান সরকার
কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার অর্থনৈতিক সক্ষমতা
বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে আর্থিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কাজ
করে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন