২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় ধাপে মেধা ও সাধারণ বৃত্তি এবং উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য দ্রুত এমআইএস (MIS) সফটওয়্যারে এন্ট্রি ও সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মাউশির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের সহকারী পরিচালক কামরুন নাহার স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই তথ্য জানানো হয়।
আদেশে জানানো হয়, রাজস্ব খাতভুক্ত বিভিন্ন মেধা ও সাধারণ
বৃত্তি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, উপজাতীয়, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক ও পেশামূলক উপবৃত্তিপ্রাপ্ত
শিক্ষার্থীদের টাকা সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। এছাড়া মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড
থেকে বৃত্তি পেয়ে যারা বর্তমানে সাধারণ শিক্ষায় অধ্যয়নরত, তাদের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়ায়
‘ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার’ (EFT) পদ্ধতিতে অর্থ বিতরণ করা হবে।
মাউশি জানিয়েছে, যেসব শিক্ষার্থীর ব্যাংক সংক্রান্ত ভুলের
কারণে (যেমন: ব্যাংকের নাম, শাখা, রাউটিং নম্বর বা হিসাব নম্বর ভুল অথবা অ্যাকাউন্ট
নিষ্ক্রিয় থাকা) ইতিপূর্বে বৃত্তির অর্থ 'বাউন্সড' বা ফেরত গেছে, তাদের তথ্য দ্রুত
সংশোধন করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিষ্ক্রিয় ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলো অবিলম্বে
সক্রিয় করার ব্যবস্থা নিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও কর্মকর্তাদের নির্ধারিত
সময়ের মধ্যে নির্ভুলভাবে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে অধিদপ্তর।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় ধাপে মেধা ও সাধারণ বৃত্তি এবং উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য দ্রুত এমআইএস (MIS) সফটওয়্যারে এন্ট্রি ও সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মাউশির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের সহকারী পরিচালক কামরুন নাহার স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই তথ্য জানানো হয়।
আদেশে জানানো হয়, রাজস্ব খাতভুক্ত বিভিন্ন মেধা ও সাধারণ
বৃত্তি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, উপজাতীয়, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক ও পেশামূলক উপবৃত্তিপ্রাপ্ত
শিক্ষার্থীদের টাকা সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। এছাড়া মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড
থেকে বৃত্তি পেয়ে যারা বর্তমানে সাধারণ শিক্ষায় অধ্যয়নরত, তাদের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়ায়
‘ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার’ (EFT) পদ্ধতিতে অর্থ বিতরণ করা হবে।
মাউশি জানিয়েছে, যেসব শিক্ষার্থীর ব্যাংক সংক্রান্ত ভুলের
কারণে (যেমন: ব্যাংকের নাম, শাখা, রাউটিং নম্বর বা হিসাব নম্বর ভুল অথবা অ্যাকাউন্ট
নিষ্ক্রিয় থাকা) ইতিপূর্বে বৃত্তির অর্থ 'বাউন্সড' বা ফেরত গেছে, তাদের তথ্য দ্রুত
সংশোধন করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিষ্ক্রিয় ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলো অবিলম্বে
সক্রিয় করার ব্যবস্থা নিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও কর্মকর্তাদের নির্ধারিত
সময়ের মধ্যে নির্ভুলভাবে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে অধিদপ্তর।

আপনার মতামত লিখুন