হামসহ বিভিন্ন রোগের টিকা ও সিরিঞ্জ ক্রয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করা হয়েছে।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বিপ্লব কুমার দাশ ও ব্যারিস্টার সানাউল্লাহ নূরে সাগর দুদক চেয়ারম্যান বরাবর এই লিখিত আবেদন দাখিল করেন। আবেদনে স্বাস্থ্য খাতের এই সম্ভাব্য দুর্নীতি খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দাখিল আবেদনে উল্লেখ করা হয়, দেশের স্বাস্থ্য ও অর্থ খাত রক্ষা এবং শিশুদের জীবন রক্ষায় এই জালিয়াতি ও দুর্নীতির বিষয়টি দুদকের মাধ্যমে তদন্ত করা অত্যন্ত জরুরি। হাম ও অন্যান্য রোগের টিকা ক্রয় ও বিতরণে অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিদের কোনো সংশ্লিষ্টতা বা অনিয়ম রয়েছে কি না, তা জনস্বার্থে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
আবেদনকারী আইনজীবী জানান, সম্প্রতি সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাবে শতাধিক শিশুর মৃত্যুর সংবাদ তাকে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে ব্যথিত ও উদ্বিগ্ন করেছে। সরকারিভাবে টিকার সংকট এবং এর ফলে সৃষ্ট মহামারি পরিস্থিতির জন্য সাবেক সরকারের নীতিনির্ধারকদের সরাসরি দায়ী করা হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এবং সাধারণ নাগরিকরা বিভিন্ন মাধ্যমে মত প্রকাশ করেছেন, টিকার অভাব ও শিশুমৃত্যুর এই ঘটনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং নূরজাহান বেগম কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারেন না। বিগত অন্তর্বর্তী সরকার কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই টিকা ক্রয়ের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনেছিলো। স্বাস্থ্য খাতে ৪২ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট থাকা সত্ত্বেও সময়মতো টিকা ও সিরিঞ্জ কেনা হয়নি, যার ফলে হাজার হাজার শিশু এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।
আইনজীবীদের দাবি, পর্যাপ্ত বাজেট থাকার পরও অর্থ খরচ না করা এবং নতুন পদ্ধতির দোহাই দিয়ে টিকা কেনায় বিলম্ব করার বিষয়টি বড় ধরনের দুর্নীতির ইঙ্গিত দেয়। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে টিকা ক্রয়ে সরাসরি অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে। সংক্রামক ব্যাধি হাম এখন দেশজুড়ে মহামারি আকার ধারণ করায় এই সংকটের নেপথ্যে থাকা প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং অর্থ আত্মসাতের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে এই আবেদনে।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
হামসহ বিভিন্ন রোগের টিকা ও সিরিঞ্জ ক্রয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করা হয়েছে।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বিপ্লব কুমার দাশ ও ব্যারিস্টার সানাউল্লাহ নূরে সাগর দুদক চেয়ারম্যান বরাবর এই লিখিত আবেদন দাখিল করেন। আবেদনে স্বাস্থ্য খাতের এই সম্ভাব্য দুর্নীতি খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দাখিল আবেদনে উল্লেখ করা হয়, দেশের স্বাস্থ্য ও অর্থ খাত রক্ষা এবং শিশুদের জীবন রক্ষায় এই জালিয়াতি ও দুর্নীতির বিষয়টি দুদকের মাধ্যমে তদন্ত করা অত্যন্ত জরুরি। হাম ও অন্যান্য রোগের টিকা ক্রয় ও বিতরণে অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিদের কোনো সংশ্লিষ্টতা বা অনিয়ম রয়েছে কি না, তা জনস্বার্থে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
আবেদনকারী আইনজীবী জানান, সম্প্রতি সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাবে শতাধিক শিশুর মৃত্যুর সংবাদ তাকে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে ব্যথিত ও উদ্বিগ্ন করেছে। সরকারিভাবে টিকার সংকট এবং এর ফলে সৃষ্ট মহামারি পরিস্থিতির জন্য সাবেক সরকারের নীতিনির্ধারকদের সরাসরি দায়ী করা হয়েছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এবং সাধারণ নাগরিকরা বিভিন্ন মাধ্যমে মত প্রকাশ করেছেন, টিকার অভাব ও শিশুমৃত্যুর এই ঘটনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং নূরজাহান বেগম কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারেন না। বিগত অন্তর্বর্তী সরকার কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই টিকা ক্রয়ের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনেছিলো। স্বাস্থ্য খাতে ৪২ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট থাকা সত্ত্বেও সময়মতো টিকা ও সিরিঞ্জ কেনা হয়নি, যার ফলে হাজার হাজার শিশু এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।
আইনজীবীদের দাবি, পর্যাপ্ত বাজেট থাকার পরও অর্থ খরচ না করা এবং নতুন পদ্ধতির দোহাই দিয়ে টিকা কেনায় বিলম্ব করার বিষয়টি বড় ধরনের দুর্নীতির ইঙ্গিত দেয়। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে টিকা ক্রয়ে সরাসরি অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে। সংক্রামক ব্যাধি হাম এখন দেশজুড়ে মহামারি আকার ধারণ করায় এই সংকটের নেপথ্যে থাকা প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং অর্থ আত্মসাতের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে এই আবেদনে।

আপনার মতামত লিখুন