সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

মহেশপুরে ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজার প্রস্তুতি


প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম

মহেশপুরে ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজার প্রস্তুতি
ঝিনাইদহের মহেশপুরে ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজার প্রস্তুতি চলছে। ছবি : সংবাদ

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বকুলতলা বাজারে প্রতিবছরের মতো এবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজা ও বাণ ফোঁড়ের মেলা। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আগামী বৃহস্পতিবার বিকেলে এই উৎসবের মূল আকর্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পঞ্জিকা অনুযায়ী আগামী বুধবার তাদের নববর্ষ উদযাপিত হবে। সেই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকেলে সন্ন্যাসীদের পিঠে বাণ ফোঁড়ার পর দড়ির সাহায্যে ২৫ থেকে ৩০ ফুট উঁচু চড়ক গাছে ঝুলিয়ে ঘোরানো হবে। ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে এখন সাজ সাজ রব ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১ বৈশাখ থেকে শুরু হয়ে ৪ বৈশাখ পর্যন্ত এই মেলা চলবে। মেলায় বাণ ফোঁড়া ও চড়ক ঘোরানো দেখতে প্রতিবছরই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজারো দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে। উৎসব উপলক্ষে মেলায় মিষ্টি, মাটির তৈরি খেলনা ও গৃহস্থালি পণ্যের নানা দোকান বসে।

মেলা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি সাধন ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক সুবল কর্মকার বলেন, প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ধর্মীয় বিধান মেনে এবারও চড়ক পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এ বছর ৯ জন সন্ন্যাসী চড়ক পূজায় অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে মেলা কমিটি, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী তৎপর রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, শতবর্ষী এই মেলা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের নয়, বরং এলাকার সর্বস্তরের মানুষের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬


মহেশপুরে ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজার প্রস্তুতি

প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বকুলতলা বাজারে প্রতিবছরের মতো এবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজা ও বাণ ফোঁড়ের মেলা। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আগামী বৃহস্পতিবার বিকেলে এই উৎসবের মূল আকর্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পঞ্জিকা অনুযায়ী আগামী বুধবার তাদের নববর্ষ উদযাপিত হবে। সেই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকেলে সন্ন্যাসীদের পিঠে বাণ ফোঁড়ার পর দড়ির সাহায্যে ২৫ থেকে ৩০ ফুট উঁচু চড়ক গাছে ঝুলিয়ে ঘোরানো হবে। ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে এখন সাজ সাজ রব ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১ বৈশাখ থেকে শুরু হয়ে ৪ বৈশাখ পর্যন্ত এই মেলা চলবে। মেলায় বাণ ফোঁড়া ও চড়ক ঘোরানো দেখতে প্রতিবছরই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজারো দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে। উৎসব উপলক্ষে মেলায় মিষ্টি, মাটির তৈরি খেলনা ও গৃহস্থালি পণ্যের নানা দোকান বসে।

মেলা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি সাধন ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক সুবল কর্মকার বলেন, প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ধর্মীয় বিধান মেনে এবারও চড়ক পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এ বছর ৯ জন সন্ন্যাসী চড়ক পূজায় অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে মেলা কমিটি, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী তৎপর রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, শতবর্ষী এই মেলা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের নয়, বরং এলাকার সর্বস্তরের মানুষের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত