ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে রাতভর ব্যাপক বোমাবর্ষণ চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। দফায় দফায় এই হামলার ফলে ইরানজুড়ে বর্তমানে চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলে বিকট শব্দে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটেছে। এর কয়েক মিনিট পরেই শহরের পূর্ব দিগন্তে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে দেখা যায়। রাতভর চলা এই হামলায় কেঁপে ওঠে পুরো রাজধানী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কিছুক্ষণ পরপরই বিস্ফোরণের শব্দে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে।
হামলাটি কেবল তেহরানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমের গুরুত্বপূর্ণ শহর আহভাজ, মধ্যাঞ্চলীয় শহর আরাক এবং তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত কাশান এলাকাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এছাড়া রাজধানীর দক্ষিণ সংলগ্ন বেশ কয়েকটি উপশহরেও বড় ধরনের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
গত কয়েক দিন ধরে চলা এই অভিযানে সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বেশ কিছু বেসামরিক এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগে তেহরানের একটি নিরাপত্তা চৌকিতে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছিল, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো পাল্টা ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে দেশটির সামরিক বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে রাতভর ব্যাপক বোমাবর্ষণ চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। দফায় দফায় এই হামলার ফলে ইরানজুড়ে বর্তমানে চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলে বিকট শব্দে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটেছে। এর কয়েক মিনিট পরেই শহরের পূর্ব দিগন্তে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে দেখা যায়। রাতভর চলা এই হামলায় কেঁপে ওঠে পুরো রাজধানী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কিছুক্ষণ পরপরই বিস্ফোরণের শব্দে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে।
হামলাটি কেবল তেহরানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমের গুরুত্বপূর্ণ শহর আহভাজ, মধ্যাঞ্চলীয় শহর আরাক এবং তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত কাশান এলাকাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এছাড়া রাজধানীর দক্ষিণ সংলগ্ন বেশ কয়েকটি উপশহরেও বড় ধরনের বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
গত কয়েক দিন ধরে চলা এই অভিযানে সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বেশ কিছু বেসামরিক এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এর আগে তেহরানের একটি নিরাপত্তা চৌকিতে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছিল, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো পাল্টা ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে দেশটির সামরিক বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন