ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণের লক্ষ্যে বিশাল এক মেরিন সেনা দল পাঠিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। জাপানের ওকিনাওয়ায় অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি থেকে ‘৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’-এর প্রায় ২,৫০০ সদস্য এখন মধ্যপ্রাচ্যের পথে রয়েছেন। তাদের সঙ্গে রয়েছে অত্যাধুনিক উভচর যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত
শুরু হওয়ার পর এই প্রথম কোনো মার্কিন স্থলসেনা দল সরাসরি যুদ্ধের উদ্দেশ্যে মোতায়েন
করা হচ্ছে। এর আগে মূলত আকাশপথ ও নৌপথে হামলা সীমাবদ্ধ থাকলেও, এই বিপুল সংখ্যক মেরিন
সেনা মোতায়েনকে সরাসরি ‘স্থলযুদ্ধের’ সুস্পষ্ট ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
মার্কিন মেরিন সেনাদের বহনকারী ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’ কেবল একটি
যুদ্ধজাহাজ নয়, এটি একটি শক্তিশালী উভচর প্ল্যাটফর্ম। এটি সমুদ্র থেকে অত্যন্ত দ্রুততম
সময়ে স্থলভাগে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম নামাতে সক্ষম। জাহাজটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে
যাতে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সৈকতে বা স্থলভাগে দ্রুত আক্রমণ পরিচালনা করা যায়।
সম্প্রতি ইরানের খারগ দ্বীপে ভয়াবহ বিমান হামলার পর উদ্ভূত
পরিস্থিতিতে এই সেনা মোতায়েনের খবর পাওয়া গেল। সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপের
মাধ্যমে স্পষ্ট হচ্ছে যে যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে তাদের সামরিক শক্তি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি
করছে। মার্কিন স্থলসেনার এই উপস্থিতি ইরান-আমেরিকা সংঘাতকে এক নতুন ও ভয়াবহ উচ্চতায়
নিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এর মধ্য দিয়ে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ
খুব দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী ও ব্যাপক রূপ নিতে পারে।

রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণের লক্ষ্যে বিশাল এক মেরিন সেনা দল পাঠিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। জাপানের ওকিনাওয়ায় অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি থেকে ‘৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’-এর প্রায় ২,৫০০ সদস্য এখন মধ্যপ্রাচ্যের পথে রয়েছেন। তাদের সঙ্গে রয়েছে অত্যাধুনিক উভচর যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত
শুরু হওয়ার পর এই প্রথম কোনো মার্কিন স্থলসেনা দল সরাসরি যুদ্ধের উদ্দেশ্যে মোতায়েন
করা হচ্ছে। এর আগে মূলত আকাশপথ ও নৌপথে হামলা সীমাবদ্ধ থাকলেও, এই বিপুল সংখ্যক মেরিন
সেনা মোতায়েনকে সরাসরি ‘স্থলযুদ্ধের’ সুস্পষ্ট ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
মার্কিন মেরিন সেনাদের বহনকারী ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’ কেবল একটি
যুদ্ধজাহাজ নয়, এটি একটি শক্তিশালী উভচর প্ল্যাটফর্ম। এটি সমুদ্র থেকে অত্যন্ত দ্রুততম
সময়ে স্থলভাগে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম নামাতে সক্ষম। জাহাজটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে
যাতে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সৈকতে বা স্থলভাগে দ্রুত আক্রমণ পরিচালনা করা যায়।
সম্প্রতি ইরানের খারগ দ্বীপে ভয়াবহ বিমান হামলার পর উদ্ভূত
পরিস্থিতিতে এই সেনা মোতায়েনের খবর পাওয়া গেল। সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপের
মাধ্যমে স্পষ্ট হচ্ছে যে যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে তাদের সামরিক শক্তি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি
করছে। মার্কিন স্থলসেনার এই উপস্থিতি ইরান-আমেরিকা সংঘাতকে এক নতুন ও ভয়াবহ উচ্চতায়
নিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এর মধ্য দিয়ে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ
খুব দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী ও ব্যাপক রূপ নিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন