ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি আদৌ বেঁচে আছেন কি না, তা নিয়ে প্রকাশ্যে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শনিবার (১৪ মার্চ) এনবিসি নিউজকে দেয়া এক বিশেষ টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং তেহরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন।
মোজতবা খামেনিকে নিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমি শুনছি যে তিনি বেঁচে নেই। এখন পর্যন্ত কেউ জনসমক্ষে তার উপস্থিতির কোনো অকাট্য প্রমাণ দিতে পারেনি। তিনি আদৌ বেঁচে আছেন কি না, তা আমি জানি না।”
তবে এই খবরকে একটি ‘গুজব’ হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি। ট্রাম্প আরও যোগ করেন, “যদি তিনি বেঁচে থাকেন, তবে নিজের দেশের স্বার্থে তার একটি অত্যন্ত বুদ্ধিমানের কাজ করা উচিত আর তা হলো আত্মসমর্পণ করা।”
ইরানের পরবর্তী নেতা হিসেবে ট্রাম্প কাউকে সমর্থন করছেন কি না, এমন প্রশ্নে তিনি সরাসরি কারো নাম নেননি।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়ার তেল খাতের ওপর থেকে সাময়িকভাবে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হচ্ছে।
ইরানের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর বিষয়ে ট্রাম্প জানান, তিনি এই মুহূর্তে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রস্তুত নন। মার্কিন প্রশাসনের লক্ষ্য আপাতত ইরানের ওপর চাপ বজায় রাখা এবং তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখা।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি আদৌ বেঁচে আছেন কি না, তা নিয়ে প্রকাশ্যে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শনিবার (১৪ মার্চ) এনবিসি নিউজকে দেয়া এক বিশেষ টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং তেহরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন।
মোজতবা খামেনিকে নিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমি শুনছি যে তিনি বেঁচে নেই। এখন পর্যন্ত কেউ জনসমক্ষে তার উপস্থিতির কোনো অকাট্য প্রমাণ দিতে পারেনি। তিনি আদৌ বেঁচে আছেন কি না, তা আমি জানি না।”
তবে এই খবরকে একটি ‘গুজব’ হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি। ট্রাম্প আরও যোগ করেন, “যদি তিনি বেঁচে থাকেন, তবে নিজের দেশের স্বার্থে তার একটি অত্যন্ত বুদ্ধিমানের কাজ করা উচিত আর তা হলো আত্মসমর্পণ করা।”
ইরানের পরবর্তী নেতা হিসেবে ট্রাম্প কাউকে সমর্থন করছেন কি না, এমন প্রশ্নে তিনি সরাসরি কারো নাম নেননি।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়ার তেল খাতের ওপর থেকে সাময়িকভাবে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হচ্ছে।
ইরানের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর বিষয়ে ট্রাম্প জানান, তিনি এই মুহূর্তে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রস্তুত নন। মার্কিন প্রশাসনের লক্ষ্য আপাতত ইরানের ওপর চাপ বজায় রাখা এবং তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখা।

আপনার মতামত লিখুন